সোমবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯
ঢাকা সময়: ১৮:১৫
ব্রেকিং নিউজ

গোপালগঞ্জে পতিত সাড়ে ৩ একর জমিতে সবজি ও ফলের আবাদ করেছেন চয়ন ভূইয়া

গোপালগঞ্জে পতিত সাড়ে ৩ একর জমিতে সবজি ও ফলের আবাদ করেছেন চয়ন ভূইয়া

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : গোপালগঞ্জে  সাড়ে ৩ একর পতিত জমিতে সবজি ও  ফলের আবাদ করেছেন চয়ন ভূইয়া (৩৬)। তিনি  গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মৃত সুবিদ আলী ভূইয়ার ছেলে । চয়ন পেশায় একজন প্রথম শ্রেণীর  ঠিকাদার ।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক এ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে এক ইঞ্চি জমিও পতিত না রেখে চাষাবাদ শুরু করেন । তিনি পৈতৃক পতিত ১ একর জমিতে লতিরাজ কচু, ১ একরে মিষ্টি কুমড়া, ৬৫ শতাংশে পেপে,৫৫ শতাংশে তরমুজ, ২৫ শতাংশে লাউ, ১০ শতাংশে চিচিঙ্গা ও ৫ শতাংশে বরবটি চাষাবাদ করেছেন।চয়ন ভূইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা না রেখে আমি আমার পৈতৃক পতিত জমিতে ডিসেম্বর মাসে চাষাবাদ শুরু  করি। চাষাবাদে গোপালগঞ্জ সদর  উপজেলা কৃষি অফিস আমাকে উপকরণ ও পরামর্শ দিয়েছে। তাদের পরামর্শে ৩ একর ৬০ শতাংশ জমিতে পেপে, লাউ,কুমড়া, বরবটি, চিচিঙ্গা ও তরমুজের চাষাবাদ করেছি। আগামী ২ মাসর মধ্যে আমার ক্ষেত সবজি ও ফলে ভরে উঠবে।দেশের ফল ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমি ভূমিকা রাখব। এ ফল ও সবজি আমরা খেয়ে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করব। বাড়তি ফসল বাজারে বিক্রি করব। এখান থেকে আমার ভালো আয় হবে।আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের   আদর্শের সৈনিক। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা সরকার প্রধান শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে ফসল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে কৃষি কাজ শুরু করেছি।আমি এ কাজে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করব । আমার দেখাদেখি যুবকরা এ কাজে এগিয়ে আসবে। শিক্ষিত যুবকরা কৃষি কাজে আসলে দেশে কোন খাদ্য সংকট হবে না।এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।  

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাষাবাদ বাড়িয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছেন। তাই  আমরা পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে রবি মৌসুমের শুরুতেই কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি। তাদের কৃষি প্রণোদনা দিয়েছি। আমাদের পরামর্শ ও উপকরণ পেয়ে সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের যুবক চয়ন ভূইয়া ৩ একর ৬০ শতাংশ পতিত জমিতে সবজি ও ফলের আবাদ করেছেন। তিনি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। এভাবে আমরা সদর উপজেলার ২৫০ হেক্টর পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে পরিকল্পনা করেছি। ইতিমধ্যে ১৪২ হেক্টর জমিতে সরিষা  সবজি ও ফলের আবাদ হয়েছে । বাদবাকী জমিও চাষাবাদের আওতায় চলে আসছে। এতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ফসল অতিরিক্ত উৎপাদিত হবে। চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা লিটন কান্তি সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। তারা চয়ন ভূইয়ার মত পতিত জমি চাষাবাদে দিনরাত কাজ করছেন । সেখানে আমরা তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি।
উত্তরণবার্তা/এআর

  মন্তব্য করুন
     FACEBOOK
আরও সংবাদ