জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়লো বাংলাদেশ     মাতৃভাষা দিবস স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ     চলতি বছরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ছয়লেনের কাজ শুরু হবে : সেতুমন্ত্রী     দুবাই সরকারের আমন্ত্রণে রেলপথ মন্ত্রী দুবাই যাচ্ছেন     সীমান্তে চোরাচালান রোধে সজাগ থাকুন: বিজিবিকে রাষ্ট্রপতি     মন্ত্রিসভায় তিনটি হজ প্যাকেজের অনুমোদন     প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি     সিরিয়া ও গাজায় ইসরাইলের হামলা, নিহত ২    

হারিয়ে যাচ্ছে জল-কাদায় মাছ ধরার উৎসব

  সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৯     ৫০     ১১:১৯     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : এক সময় গ্রাম বাংলায় বর্ষা শেষে নিচু জমি খাল-বিলে পানি সেচে মাছ ধরা হতো। মাছ ধরার চিরায়ত সে দৃশ্য সচরাচর এখন আর চোখে পড়েনা।

ভাদ্র মাসের তীব্র গরম আর রোদের তেজে নদ-নদীর পানি কমে যাবার সাথে সাথে শুকিয়ে যেতে থাকে ডুবে থাকা খেতখলা। পানি শুকিয়ে গেলেও এসব স্থানে আটকা পড়ে নানা দেশীয় মাছ। আর সে সময় কাদা পানিতে নেমে হাত দিয়ে মাছ শিকার করে গ্রামের মানুষ।

তীব্র রোদে হাঁটু কাদা পানিতে মাছ ধরা গ্রাম বাংলার অন্যতম বিনোদনও বটে। শত শত বছর ধরে এ ধারা চলে আসছে, যা আজও বহমান।

নদী বেষ্টিত টাঙ্গাইল জেলার চারদিকে রয়েছে যমুনা-ধলেশ্বরীসহ একাধিক নদী। কালের বিবর্তনে এসকল নদীর আয়তন অনেকটাই ছোট হয়ে আসছে। তারপরও বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে টইটম্বুর হয়ে উঠে এসকল নদী। শুধু নদী নয়, পানি বৃদ্ধি পায় পুকুর-ডোবা আর খাল-বিলের। ডুবে যায় ধানী খেত আর নিচু জমি। পানির সাথে সেই জমিতে দেশি জাতের নানা মাছের আগমন ঘটে।

একসময় খাল-বিল, পুকুর-ডোবা আর ক্ষেত-খলা শুকিয়ে এলে থালা-বাটি দিয়ে চলে সামান্য পানি সেচার কাজ। আর পুকুর-ডোবার পানি সেচা হয় পাম্প মেশিন দিয়ে। এরপর চলে মাছ ধরার উৎসব। রীতিমতো আনন্দ উল্লাস করে লোকজন পুকুর-ডোবা, খাল-বিলের শূন্য পানির কাদার ভিতরে হাত ঢুকিয়ে তুলে আনে একের পর এক মাছ। সেচ দেয়া পুকুরে চাষ করা মাছের পাশাপাশি পাওয়া যায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ। আর ডোবায় মেলে শোল, টাকি, পুঁটি, খলসে, কৈ, মাগুর, সিং, ট্যাংরাসহ দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ।

কাদায় মাছ ধরার এমনই এক উৎসবের দেখা মিলল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরাঞ্চল মাহমুদনগরে। মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল-মাহমুদনগর সড়কের পাশের এক ধানী খেতে দেখা পাওয়া যায় এমন আয়োজনের।

স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষাকাল শেষ হলে পানি কমে গেলে এই এলাকার নিচু জমিগুলোতে এমন মাছ ধরার উৎসব চলে। সেই উৎসবে মাছ ধরায় মেতে উঠে নারী-পুরুষ, ছেলে-বুড়ো সবাই। কাদা পানিতে নেমে কে কতো বেশি মাছ ধরতে পারে, এই নিয়ে চলে অলিখিত প্রতিযোগীতা।

তারা জানান, আগে এমন করে নানা জাতের দেশীয় মাছ প্রচুর ধরা গেলেও, এখন আর সেদিন নেই। নেই মাছের সে প্রাচুর্য। প্রতিনিয়ত মাছের অভয়ারণ্য কমে যাওয়ায় আগের মতো জমে ওঠেনা মাছ ধরার উৎসব। দেশীয় মাছের উৎসগুলো ক্রমেই যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

আক্ষেপ করে একজন প্রবীণ বললেন, ‘খালবিল থেকে দিন শেষে মাছ নিয়ে বাড়ি ফেরার দৃশ্য এখন তেমন চোখে পড়েনা। আবার পাঁচ মিশালী মাছের রান্নার ঘ্রাণও এ মৌসুমে এখন আর আগের মতো গ্রামের বাড়ি বাড়ি ছড়িয়ে পড়েনা ।’

উত্তরণবার্তা/এআর



পবিত্র শবে মেরাজ ২২ মার্চ

  ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

ফেসবুকের ফেইসলক আতঙ্ক!

  ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

ঘরেই তৈরি করুন ফ্রাইড চিকেন

  ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০

ফেসবুকের ফেইসলক আতঙ্ক!

  ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২০     ৪৪

লিবিয়ায় তুরস্কের ১৬ সেনা নিহত!

  ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২০     ১৬

পবিত্র শবে মেরাজ ২২ মার্চ

  ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২০     ১১

৭ ইটভাটা ধ্বংস, জরিমানা ৫০ লাখ টাকা

  ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২০     ১০

নেইমারের লাল কার্ড, পিএসজির নাটকীয় জয়

  ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২০     ৯

পুরনো খবর