গণহত্যার কথা ফোরামে তুলবে জাতিসংঘ     এবার দেশেই হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্নের চেষ্টা : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী     ফখরুল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা : হানিফ     ১১৭ উপজেলায় ভোট চলছে     রৌমারীতে ৩৫ হাজার মানুষের একটি ব্রীজের দীর্ঘদিনের দাবী     মক্কা-মদিনায় ক্রাইস্টচার্চের নিহতদের গায়েবানা জানাজা     মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সরকার কাজ করছে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী     নদী তীর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান আরো জোরদার করা হবে    

স্মার্টফোন আসক্তি কমানোর ৫ উপায়

  জুন ০৫, ২০১৮     ৩১৬     ৭:৪১ অপরাহ্ণ     শিক্ষা
--

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : প্রযুক্তির যুগে আমরা স্মার্টফোনেই বেশি সময় কাটাই। অনেক ব্যবহারকারী শোবার আগে শেষ কাজ হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার ঘুম থেকে উঠেই সবার আগে ফোন চেক করেন।

শুধু তাই নয়, অনেকে রাতে কোনো কারণে ঘুম থেকে উঠলেও ফোন ব্যবহার করে থাকেন। অফিসিয়াল গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী কাজ বা আড্ডার পরিবর্তে স্মার্টফোনে সোশ্যাল সাইট বা ইমেইল চেক করে থাকেন অনেকে।

অনেকে তো আবার রাস্তা পার হওয়ার সময় বা টয়লেটে গিয়েও কিছুতেই চোখ সরাতে পারেন না মোবাইলের স্ক্রিন থেকে। এই আসক্তি ব্যবহারকারীদের নানাভাবে ক্ষতি করে।

তবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এই স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারি। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তির কার্যকরী ৫টি উপায়।

* অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন
অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন, বিশেষ প্রয়োজন থাকলে তালিকা আপডেট করে কেবল প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনই চালু রাখুন। আর তা করতে আপনার আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ব্যাজ নামে পরিচিত ডট আইকনটি বন্ধ করে দিন। আপনি অবশ্য চাইলে নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপের নোটিফিকেশন আলাদা আলাদা ভাবেও বন্ধ করতে পারেন। আর ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে এর নিজস্ব সেটিংসে যেতে হবে।

* সর্বদা ফোনের সংস্পর্শে নয়
আপনি যখন বাথরুম যাচ্ছেন বা খাবার খাচ্ছেন সে সময়গুলোতে আপনার স্মার্টফোনটি আপনার কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি প্রতি শনিবার এটি বন্ধ রাখার চেষ্টাও করতে পারেন। ফোনের সংস্পর্শে না থাকাটা আপনার মস্তিষ্ককে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

* সময় নির্ধারণ করুন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের প্রাত্যহিক সময়ের অনেকটুকুই কেড়ে নেয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক বা ই-মেইলে বা যেকোনো মাধ্যমের তাৎক্ষণিক বার্তা পড়ার জন্য দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করে রাখুন। তারপর দৃঢ প্রতিজ্ঞ থাকুন ওই নির্ধারিত সময়ের বাহিরে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে কোনো চেক ইন এবং স্ক্রোলিং করবেন না। এর পাশাপাশি, আপনার ফোনের ফেসবুক অ্যাপটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন এবং শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার থেকে ফেসবুক ব্যবহার করুন।

* অটোপ্লে বন্ধ রাখুন
ইউটিউব এবং নেটফ্লিক্স এর মতো পরিসেবাগুলো প্রায়ই একটি ভিডিও দেখার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিডিওটি প্রদর্শন করে। এতে করে অনেক সময়ই বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে হয় এবং কাজেও ব্যাঘাত ঘটে। তাই আপনার স্মার্টফোনে এ সমস্ত সাইটের অটোপ্লে অপশনটি বন্ধ রাখুন। সেটিংসে গিয়ে অতি সহজেই এই অটোপ্লে বন্ধ করা যায়।

*  অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন
হিউম্যান টেকনোলজি সেন্টার নামের একটি সংস্থার তথ্যানুযায়ী বিছানাতে কখনই স্মার্টফোন রাখা উচিত নয়। কারণ স্মার্টফোন নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। কারণ ফোন থেকে যে নীল আলো বের হয় তা আমাদের শরীরের মেলাটোনিন অবমুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এই মেলাটোনিন রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে। সুতরাং, রাতে ঘুমানোর সময় আপনার ফোনটি বিছানা থেকে একটু বেশিই দূরে রাখুন। এবং অ্যালার্ম দেয়ার প্রয়োজন হলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্র : গ্যাজেটস নাউ

উত্তরণবার্তা/এআর
 



সন্তানই আমার সবকিছু হবে

  মার্চ ১৯, ২০১৯     ১৭৬

পুরনো খবর