ঢাকায় এসেছে মেট্রোরেলের কোচ, খোলা হলো মোড়ক     বঙ্গবন্ধু সেতুতে যান চলাচল শুরু     রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী     প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসের মার্কিন যাত্রীরা জাপান ছাড়ল     ক্রমশই বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত ১৭৭০     নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৮     কাতার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগে আগ্রহী     চাকরির পেছনে ছোটার মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী    

রবিঠাকুরের নৃত্যালেখ্য বর্ষামঙ্গল মঞ্চস্থ

  সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৯     ৮৯     ১৩:০৫     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ষোলটি গান ষোলটি সৃষ্টি। শৈলজারঞ্জন মজুমদার নানা কৌশলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দিয়ে গানগুলো করিয়ে নিলেন। কখনও নানা রাগে গান সৃষ্টির কথা বলে, কখনও বর্ষার নতুন বিষয়ে গান তৈরির বায়নায়।

আর এভাবেই যখন ষোলটি গান সৃজন পূর্ণ হল তখন সেটি সমষ্টি হয়ে পরিণত হল গীতি-আলেখ্য ‘বর্ষামঙ্গল’-এ, যা প্রথম পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় ১৯৩৯ সালে।

সেই বর্ষামঙ্গলই ২০১৯ সালে এসে ঢাকার মঞ্চে উপস্থাপিত হল নৃত্যালেখ্য রূপে। বর্ষানির্ভর ষোলটি গানের সঙ্গে যুক্ত হল নাচের মুগ্ধকর পরিবেশনা আর নেপথ্যে উচ্চারিত হল প্রতিটি গানের সৃষ্টিকথা।

পুরো পরিবেশনায় অংশ নিলো কলকাতার শান্তিনিকেতন আশ্রমের শিল্পীরা। মিলনায়তনভর্তি দর্শকশ্রোতার উপভোগ করলেন দেড় ঘণ্টার এক রবীন্দ্রময় সন্ধ্যা।

শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে শনিবার সন্ধ্যায় এই পরিবেশনাটির আয়োজন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন চয়নিকা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একান্ত সহচর সঙ্গীতগুরু আচার্য শৈলজারঞ্জন মজুমদারের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে এ নৃত্যালেখ্যটি পরিবেশিত হয়।

তিন পর্বে সাজানো এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নাট্যজন আতাউর রহমান, বিশ্বভারতীর দুই সাবেক ভিসি ড. সুজিত কুমার বসু ও ড. স্বপন কুমার দত্ত এবং উপমহাদেশের প্রখ্যাত মনিপুরী নৃত্যগুরু গুরুদেবযানী চালিহা।

সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলম। এ আয়োজনের গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন এসবি বিপ্লব। আয়োজনের শুরু হয় বাংলাদেশের শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘সুরের গুরু দাও দাও সুরের দীক্ষা’ সমবেত সঙ্গীতে।

এরপর ছিল নাতিদীর্ঘ আলোচনা পর্ব। আর তার পরই ছিল বর্ষামঙ্গল নৃত্যালেখ্যের পরিবেশনা। মঞ্চের পেছনের সারিতে বসেছিলেন সঙ্গীতশিল্পীরা।

তাদের সঙ্গে দু’জন ধারাভাষ্যকার যারা গানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরছিলেন। আর তার পরপরই গানটির পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত হয় নাচের অভিব্যক্তি।

সবগুলো গানই ছিল নানা রাগে সৃষ্ট বর্ষা ও বর্ষাকালকে ঘিরে। রবীন্দ্রনাথের নির্দেশনায় যে যন্ত্রগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল সেগুলোর আশ্রয়েই এগিয়ে যায় পরিবেশনা পর্ব। গানের সুরের সঙ্গে চলে নাচের দোলা।

প্রথম গানটি ছিল ‘ওগো সাঁওতালি ছেলে’। এরপর একে একে পরিবেশিত হয় ‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল’, ‘আজি তোমায় আবার চাই সোনাবারে’, ‘এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও প্রদীপখানি’, ‘শ্রাবণের গগনের গায়’, ‘আজি ঝরঝর মুখর বাদর দিনে’, ‘স্বপ্নে আমার মনে হলো’, ‘এসেছিলে তবু আসো নাই’, ‘এসেছিনু দ্বারে তব শ্রাবণও রাতে’, ‘নিবিড় মেঘের ছায়ায় মন দিয়েছি মেলে’, ‘পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে’, ‘সগনও গহনও রাত্রি’, ‘ওগো তুমি পঞ্চদশী’, ‘রিমিক ঝিমিক ঝরে’সহ ষোলটি গান।

গানগুলো গেয়ে শোনান শিখা চ্যাটার্জী, শুভশ্রী বসু ও ড. মানস ভূল। তাদের গাওয়া গানের সুরে নৃত্য পরিবেশন করেন তন্ময় পাল, কৃষ্ণেন্দু দে, সহলেী নন্দী, ঐন্দ্রিলা পাল ও তানিসা সিংহ।

প্রতিটি গানের নেপথ্য গল্প তুলে ধরেন স্বপ্না দে ও শাশ্বতী গুহ। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন ড. সুমিত বসু। যন্ত্রবাদনে অংশ নেন তবলা ও খোলে চঞ্চল নন্দী প্রমুখ। জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ আয়োজন।

উত্তরণবার্তা/এআর
 



সুন্দরবনে অজগর অবমুক্ত

  ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০

খাগড়াছড়িতে সন্ধান মিললো ‘দেবতা গুহার’

  ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২০     ২৫

আমেরিকার আকাশে রহস্যময় বস্তু

  ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২০     ১৫

মাদক সেবনকালে গ্রেপ্তার ২২

  ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২০     ১৩

ঘরে বসে যেভাবে করবেন নেইল আর্ট

  ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২০     ১২

পুরনো খবর