শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮
ঢাকা সময়: ১৯:৩৪

লিভারপুলকে উড়িয়ে ভিনিসিয়াস যা বললেন

উত্তরণ বার্তা ক্রীড়া ডেস্ক : ‘পিকচার পারফেক্ট’ যাকে বলে, টনি ক্রুস ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলটি ছিল ঠিক সেরকম। লোকে বলছে, পাক্কা জার্মান ক্রস। সঙ্গে পাক্কা ব্রাজিলিয়ান ফিনিস। দুইয়ে মিলিয়ে ধ্রুপদী এক গোল।চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে রিয়াল মাদ্রিদের অনেক হিসেব করতে হয়েছিল। দলে একাধিক ইনজুরি ও করোনার হানায় সেরা একাদশ সাজানো ছিল জিনেদিন জিদানের জন্য কঠিনতম কাজ। কিন্তু মাঠের ফুটবলে সাইডবেঞ্চের শক্তিরা জ্বলে উঠলেন মঙ্গলবার রাতে। তাতে লিভারপুলকে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৩ শিরোপা পাওয়া রিয়াল।

তাদের জয়ের নায়ক সেই ব্রাজিলিয়ান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ম্যাচে জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে তরুণ ভিনিসিয়াস জীবনের সেরা রাত কাটিয়েছেন মাদ্রিদের আলফ্রেদো দ্য স্তেফানো স্টেডিয়ামে। শুরুটা ওই ধ্রুপদী গোল দিয়ে। ম্যাচের ২৭ মিনিটে ক্রুসের লম্বা পাস। ভিনিসিয়াসকে রানিংয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঢুকতে দেখেছিলেন বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার। তার বাড়ানো পাস ভলিতে মাটিতে নামান ভিনিসিয়াস। এরপর এক শটে বল নিয়ে ঢুকে যান ডি বক্সে। ভেঙে যায় লিভারপুলের রক্ষণদূর্গ। ডানপায়ের শটে বল খুঁজে পায় জাল। জমাট রসায়নের অসাধারণ এক গোল।

ম্যাচ শেষে ভিনিসিয়াস নিজের গোলের জন্য সতীর্থকে কৃতিত্ব দিলেন। প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অভিজ্ঞ ফুটবলারকে। আরএমসি স্পোর্টস-কে ভিনিসিয়াস বলেন, ‘টনি ক্রুস একজন কিংবদন্তি। তার মতো আর কেউ নেই। ’ রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে জোড়া গোল করে দারুণ উৎফুল্ল এ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তিনি বলেন, ‘বাইরে থেকে লোকে অনেক কথা বলে। কিন্তু আমি কঠোর পরিশ্রম করি। আমি কখনো এ জার্সিতে জোড়া গোল করিনি। এটা আমার সেরা মুহূর্ত। আমি শিরোপার দিকে ইশারা করেছিলাম কারণ আমার ওইটা চাই। এজন্য পরিশ্রম করছি। সব সময় রিয়াল মাদ্রিদে খেলার স্বপ্ন দেখতাম, সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এবার শিরোপাও চাই। আমার সতীর্থরা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তারা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। ’

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে রিয়ালের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা ভিনিসিয়াস। ২০ বছর ২৬৮ দিনে গোল করেন তিনি। এর আগে ১৯৯৬ সালে জুভেন্টাসের বিপক্ষে রাউল গনগালেস গোল করেছিলেন ১৮ বছর ২৫৩ দিনে। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে ভিনিসিয়াস দ্বিতীয় গোলটি করেন। লুকা মদ্রিচের বাড়ানো পাসে ফাঁকায় বল পেয়ে স্কোরলাইন ৩-১ করেন। অপর গোলটি করেছিলেন অ্যাসেনসিও। সেটির অ্যাসিস্টও ছিলেন ভিনিসিয়াস।
উত্তরণ বার্তা/এআর

  মন্তব্য করুন
     FACEBOOK