বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
ঢাকা সময়: ২৩:৫২

আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল পঁচাত্তর

আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল পঁচাত্তর

বিপ্লব বড়ুয়া
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেগড়া প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিশ্বপরিমণ্ডলে একটি কালজয়ী ইতিহাস। যে ইতিহাসের পিছনে বহু অর্জন যেমন আছে, তেমনি আছে বেদনার করুন আর্তনাদ। বাঙালি জীবনের পরতে পরতে ত্যাগ আর শোষন-বঞ্চনায় নিঃস্পেশিত। মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং পরে অনেক ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতিকে দাঁড়াতে হয়েছে মাথা উঁচু করে। সেই ব্রিটিশ থেকে পাকিস্তান স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু তৎকালীন সময়ে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বগুণে বাঙালি জাতিকে সুসংগঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আজ থেকে ৭৫ বছর আগে বাংলার বেশ ক’জন নেতার যৌথ নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামের রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যে ক’জন অগ্রনী ভূমিকা রেখেছিল তাদের মধ্যে বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তখন ছিল তাঁর টগবগে যৌবন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন সময়ে শিক্ষার্থিদের মাঝে দেশাত্ববোধ জাগিয়ে তোলার অভিপ্রায়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ছাত্রলীগ নামের সংগঠন। তখন এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। এটি প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানজুড়ে রাজনীতিক অঙ্গনে এক অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী মুসলিম লীগ যখন প্রতিষ্ঠা হয়, তখন তিনি কারা অন্তরীণ ছিলেন। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে শীর্ষ নেতাদের সাথে এক যৌথ সভায় বাঙালির অধিকার আদায়ের কৌশল হিসেবে সংগঠন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যখনি পাকিস্থান শাসকগোষ্ঠী বুঝতে পারলেন যে এই সংগঠন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি শক্ত অবস্থান গ্রহণ করবে, ঠিক তখনি মেধাবী রাজনীতিক শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করে। শেখ মুজিব ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সেই সময় সংগঠন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যাঁদের অপরিসীম ত্যাগ ছিল তাঁরা হলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শামসুল হক প্রমূখদের আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। প্রতিষ্ঠালগ্নে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক। ১৯৫২ সালের দিকে শামসুল হক শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান শেখ মুজিবুর রহমান। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালে সংগঠনের সাধারণ সম্মেলনে শেখ মুজিব সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি একটানা ১৪ বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালের এক কাউন্সিল মিটিংয়ে শেখ মুজিব সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সংগঠনের কঠোরভাবে হাল ধরেন। সেই বছরের ৪ ঠা ফেব্রুয়ারি লাহোরে পোঁছান এবং ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর আহুত এক সম্মেলনে ৬ দফা দাবি পেশ করেন। তখন অনেকে এই দাবিকে “রাজনৈতিক বোমা” বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই ৬ দফার কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান জুড়ে নতুন করে সংগঠনের মহাজাগরণ সৃষ্টি হয়। ৬ দফার মধ্যে দিয়ে স্বাধীকার আন্দোলনের গতি তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। ছয় দফার মূল কথাটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্থাৎ স্বাধীনতা। এটি ছিল মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজমন্ত্র তথা অঙ্কুর। শেখ মুজিবের ছয় দফা উত্থাপনের পর তৎকালীন পাকিস্তানের সেনা শাসক জেনারেল আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় মোকাবেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
শেখ মুজিব সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ এই প্রথম সাধারণ পরিষদ নির্বাচনে উল্লেযোগ্য আসনে জয়লাভ করে নতুন করে শক্ত ভিত রচনা করেন। এই নির্বাচন পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীরা কোনোভাবে মেনে নিতে পারেনি। ভিতরে ভিতরে বারতে থাকে বিভাদের বেড়াজাল। নির্বাচনের পরে সংগঠনের আরেকটি কাউন্সিলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে একত্রিত করার লক্ষে সংগঠনের নামে আংশিক পরিবর্তন এনে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে রাখা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। তখন সংগঠনের পুরো নেতৃত্ব চলে আসে শেখ মুজিবের ওপর। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী কোনোভাবে পেরে উঠতে পারছিলেন না। তাঁর উপর রাখা হয় কঠোর নজরদারী। কিন্তু কিছুতেই বঙ্গবন্ধু হার মানার পাত্র নন। পাকিস্তানের সব চক্রান্ত রুখে দিতে ১৯৬৯ সালে ডাক দেন গণ আন্দোলন। ৬৯ এর ২৪ জানুয়ারি ছিল হরতাল। এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আয়ুব খান সরকার বিরোধী আন্দোলন রূপ নেয় তীব্র এক গণঅভ্যূত্থানে। ঐদিন সান্ধ্যআইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে সেই মিছিলে পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে প্রাণ হারাণ কিশোর মতিউর রহমান মল্লিকসহ চারজন। শেষ পর্যন্ত ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান নির্বাচন দিত বাধ্য হন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসনে জয়লাভ করে। এবং একইভাবে আওয়ামী লীগ জাতিয় পরিষদের ৩১৩ টি আসনের সংখ্যাগনিরষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সাংবিধানিক অধিকার লাভ করলেও পাকিস্তানি অবাঙালি শাসকরা তাঁর পিছু ছাড়েনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কৌশলের কাছে তারা মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারার কারণে তিনি হয়ে উঠেন তাদের চক্ষুশুল। শেখ মুজিব ছিল বিশাল চেতনার মানুষ, তাঁর হৃদয়ভরা আহ্বানে সারাদিয়ে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাঘরিষ্ট আসন পেয়ে জয়লাভ করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও পাকিস্তানি শাসকরা তাঁকে এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারকে মেনে নিতে পারছিলেন না। বঙ্গবন্ধু সেটা আঁচ করতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাঙালি হিসেবে যেহেতু পূর্ব পাকিস্তানের নেতৃত্বের সারিতে চলে এসেছিলেন সেটি পশ্চিম পাকিস্তানিরা ভালোভাবে নেয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেপ্তারের আগেই তিনি বাঙালি জাতির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ১৯৭১ এর ৭ ই মার্চ সশস্ত্র গণ আন্দোলনের ডাক দেন। ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় বাঙালি অধ্যুষিত পূর্ব পাকিস্তানে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালির সাহসী বীর সন্তানরা দেশ রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। যুদ্ধে পাকিস্তানী সৈন্যদের হাতে ত্রিশ লক্ষ নিরাপরাধ মানুষ শহীদ হন এবং তিন লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট করেন পাকিস্তানী সেনা শাসক, রাজাকার ও আল বদর বাহিনীর সদস্যরা। ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সহায়তায় দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটে অবশেষে ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি বিজয় লাভ করেন।
 ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেন। তখন তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। দুই দিন পর ১২ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বঙ্গভবনে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৩ জানুয়ারি দৈনিক বাংলা শিরোনাম করেন ‘নয়া সরকার: প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ চৌধুরী: মন্ত্রী সভার শফথ গ্রহণ: শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী’। একই দিন ইত্তেফাক শিরোনাম করেন- ‘বঙ্গবন্ধুর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ’। প্রতিবেদনে লেখেন- ‘ কোটি কোটি মানুষের অন্তরের অন্তরঙ্গমতম বাসনাটিকে পূর্ণতার সোনারঙে প্রদীপ্ত করিয়া জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান গতকাল বুধবার জননী বাংলার সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর আসনে অভিষিক্ত হইয়াছেন।’ 
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট জাতির জনকসহ পরিবারের সকলকে নৃশংসভাবে খুন করেন দেশীয় বিপথগামী কিছু সেনা সদস্য। সেদিন জাতির জনকের জ্যেষ্ঠ কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। বাংলাদেশ হয়ে পড়ে নেতৃত্বশূন্য। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয় লাভ করলে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে দেশ পরিচালনার ভার অর্পন করেন। পরবর্তীতে ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের বিজয়ের পর প্রতিবারই তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন। শেখ হাসিনা এই পর্যন্ত টানা ৪র্থবারসহ ৫মবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র সর্বোচ্চবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করে চলেছেন। 
৪৭’র দেশ ভাগের পর ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৪’র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, ৬৬’র ছয় দফা পেশ, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র জাতিয় নির্বাচন, ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, ৭২’র এ সরকার গঠন এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালি জাতিকে সুসংগঠিত করার পেছনে বঙ্গবন্ধুর ছিল অবিস্মরণীয় অবদান। আওয়ামী লীগ এদেশের মা-মাটির ঠিকানা। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের আস্থার প্রতীক, সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। 
জাতির জনকের স্বপ্ন ছিল আওয়ামী লীগকে সেবার লক্ষ্য নিয়ে মানুষের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে সে চেষ্টায় পিতা ও কন্যা সফল হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি সফল হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাঙালি জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে কিন্তু দুর্ভাগ্য দেশ স্বাধীন করে ঘুরে দাঁড়াবার মুহুর্তে নির্মম নিষ্ঠুর খুনীরা বুকে গুলি চালিয়ে তাঁকে থামিয়ে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন্ বাস্তবায়ন করে চলেছেন তারি সুযোগ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৭৫ বছরের যাত্রায় কত দুর্গম পথ অতিক্রম করতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য কারো বুঝার সাধ্য নেই। আজ জীবিত বঙ্গবন্ধুর চাইতে প্রয়াত বঙ্গবন্ধু অনেক বেশি জনপ্রিয় ও শক্তিশালী, তারি হাতে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির প্রতীক, তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির শান্তি শীতল ছায়া। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অসীম ত্যাগের কারণে বাঙালি জাতি পেয়েছে একটি স্বাধীন দেশ ও স্বাধীন পতাকা। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে একটি অসাম্প্রদায়িক, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। সে স্বপ্ন তার কন্যার হাত ধরে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেখে পুরো বিশ্ববাসী আজ বিস্ময়ে বিস্ময়, প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন দেশে-বিদেশে সমান জনপ্রিয়। ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী র মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ আরো বেশি সমৃদ্ধ হবে এই প্রত্যাশা। 
 
লেখক : সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, কলামিষ্ট। 
 
 
 
 
 
 
 
 

  মন্তব্য করুন
     FACEBOOK