বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
ঢাকা সময়: ১৯:৩৬

পারিবারিক চিকিৎসক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য

এস এ মালেক:  বঙ্গবন্ধু ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। এই মহান ব্যক্তি বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। তার কর্মের ব্যাপ্তি সমকালকে ছাড়িয়ে মহাকাল পর্যন্ত বিস্তৃত। তিনি সারাজীবন নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের সংগ্রামের ফসল আজকের বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্যে যাওয়ার যে সৌভাগ্য আমার জীবনে হয়েছিল, তাতে আমি গৌরবান্বিত। একদিকে আত্মীয়তা অন্যদিকে তার একজন একনিষ্ঠ কর্মী হওয়ার সুবাদে সুদীর্ঘদিন তার সাহচর্যেই ছিলাম। আমার বেশ মনে আছে, ১৯৫৩ সালের শেষ দিকে বঙ্গবন্ধু তার নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে ফকিরহাট ডাকবাংলো মাঠে একটা জনসভা করতে যান। আজকে যেখানে সুন্দর অট্টালিকা সার্কিট হাউস হিসেবে শোভা পাচ্ছে, তখন সেখানে ছিল একটা খুব পুরনো ধাঁচের দুই রুমের একটা দালান। সকাল ৯টায় খুব সম্ভবত পিরোজপুর থেকে বাগেরহাট এসেছেন। ডাকবাংলোতে অবস্থান করছেন; অনেক নেতাকর্মীরা সাক্ষাৎ করছে। বেলা ১২টার দিকে মওলানা ভাসানী দলবল নিয়ে হাজির হলেন। বঙ্গবন্ধু ঠিক পিতার মতো তাকে বরণ করলেন এবং ডাকবাংলোতে বড় ঘরটিতে বিশ্রামের ব্যবস্থা করলেন। বিশ্রাম অবস্থায় সকলেই তাকে দেখতে চায় ও কথা বলতে চায়। ঘণ্টাখানেক বিশ্রামের পর বঙ্গবন্ধু মওলানা সাহেবকে নিয়ে খেতে বসলেন। তখন প্রচণ্ড গরমে ভাসানী সাহেব ঘামছেন আর শেখ মুজিব একটা গামছা দিয়ে তার কপাল মুছে দিচ্ছেন। নিজ হাতে ভাসানী সাহেবকে খাবার পরিবেশন করছেন। একজন নেতার প্রতি এমন শ্রদ্ধা ও ভক্তি আর কোথাও দেখিনি। তারপর জনসভা চলল প্রায় আড়াই ঘণ্টা। বঙ্গবন্ধু তার অনলবর্ষী বক্তৃতায় মুসলিম লীগের কঠোর সমালোচনা করলেন। কিন্তু তৎকালীন মুসলিম লীগের প্রখ্যাত নেতা খান-এ-সবুর, যার আদি বসতবাড়ি ঐ মঞ্চ থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে; তার সম্পর্কে সমালোচনামূলক একটি কথাও বললেন না। এরপর বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা হয়, ১৯৫৭ সালে যখন আমি এফএইচ হলে থাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে, ওখান থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরে ১৪নং হাজী আবদুল গনি রোডে বঙ্গবন্ধুর বাসা। মনে পড়ে প্রতি সপ্তাহে একবার ওই বাড়িতে যেতে ভুল করেনি। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আমার মাকে ‘সালু বু’ বলে সম্বোধন করতেন। আমার মায়ের পুরো নাম সৈয়দা সালেহা খাতুন। তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্মেরও প্রায় আট বছর পূর্বে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ বাড়ির দ্বিতীয় নাতনি। প্রথমজন হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর বড় বোন মরহুম সংসদ সদস্য ইলিয়াস চৌধুরীর মাতা। তিনি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর অন্য সকল ভাইবোন আমার মাকে ‘সালু বু’ বলে ডাকত। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার সাথে আমার মায়ের রেফারেন্সে যখন প্রথম দিন কথা বলি, তখন তিনিও ‘সালু বু’র ছেলে বলে আমাকে খুব আদর করলেন। সেই আদরের শেষ অধ্যায় ছিল ১৯৬৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। আমার স্ত্রী যার ডাক নাম ছিল নীলু, প্রথম সন্তান আমাদের বাসাতেই প্রসব করলেন। আমি তখন অ্যাডভোকেট নুরুল হুদার বাড়ি ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর সাথে মিটিং করি। হঠাৎ বঙ্গবন্ধু আমাকে বাসায় যেতে বললেন। বাসায় এসে দেখি, বঙ্গমাতার কোলে আমার প্রথম কন্যাসন্তান নাদিরা। দেখামাত্র তিনি আমার দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। রাজনীতি তো মানুষের জন্য। কী অবস্থা এই মেয়েটার? বাসায় কেউ নেই, ওকে দু-ঘণ্টায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাসাতেই বাচ্চার জন্ম হলো। দেখি তিনি বাসা থেকে বেশ কিছু ছোট বাচ্চাদের জামাকাপড় নিয়ে এসেছেন (সম্ভবত শেখ রাসেলের)। কেননা রাসেলের জন্ম হয় কয়েক মাস আগেই। সেই দুধের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে টানা চার ঘণ্টা বাসায় তিনি অবস্থান করেন। ১৯৫৭-৬৪ খ্রিষ্টাব্দে এই সাত বছরে কত শতবার যে তার সাথে দেখা হয়েছে, তার হিসাব নেই। আমি থাকতাম বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডি বাসা থেকে কয়েকশত গজ দূরে কলাবাগানে। এমনও দিন হয়েছে যে, একদিন তিন-চারবার ৩২নং বাড়িতে যেতে হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়; একজন চিকিৎসক হিসেবে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অনেক চিকিৎসক ছিলেন। কিন্তু ষাটের দশকে ঐ বাড়ির ছোটখাটো সমস্যা হলে প্রথমেই আমাকে ডাকা হতো। প্যাথলোজিস্ট হিসেবে সব সময় দেখেছি ডা. এমএ ওদুদকে (ন্যাপের কোষাধ্যক্ষ) আর কঠিন কিছু হলে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামকে ডাকা হতো। চিকিৎসার কথাই যখন উঠল তখন সেই দিনটার কথা বলতেই হবে। একদিন রাত ১১টায় বঙ্গবন্ধুর এনাফাইলেক্টিক শক হয়ে হঠাৎ করে চরম শ্বাসকষ্ট ও কাশি শুরু হয়। সংবাদ পেয়ে প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে আমি উপস্থিত হই। বেডরুমে ঢুকে দেখি বঙ্গবন্ধুর চোখ-মুখ ফুলে লাল হয়ে গেছে। মুখ ও গলা ফোলা। অতিকষ্টে শ্বাস নিচ্ছেন। ইতোপূর্বেই আমি অবস্থা জেনে আমার সাথে ওরাডেক্সন ও এন্টিসস্টিন ইনজেকশন নিয়েছিলাম। দেরি না করে তাৎক্ষণিকভাবে ইনজেকশন দুটো পুশ করলাম। ১০ মিনিটের মধ্যে বঙ্গবন্ধু সুস্থ হতে শুরু করলেন। ততক্ষণে সংবাদ পেয়ে প্রফেসর ডা. নুরুল ইসলাম এসে হাজির। কিন্তু তিনি এসে সেই ভয়াবহ অবস্থা দেখতে পাননি। তিনি পিঠের দিকে স্টেথিসকোপ দিয়ে ফুসফুস পরীক্ষা করলেন। লাইট দিয়ে চোখ-মুখ ভালো করে দেখলেন। বললেন ২৪ ঘণ্টা প্রোটিন বা এনার্জি ফুড না খেতে। আরও বললেন, বিপদ কেটে গেছে। ঠিক সময় সঠিক ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়েছে। প্রফেসর ডা. নুরুল ইসলাম আমাকে ইংরেজিতে জিজ্ঞাসা করলেন, হোয়াট ইজ ইওর ডায়াগোনেস্টিক? আমি বললাম, এনজিও নিউরোটিক এডিমা। তিনি আমার পিঠে একটা থাবা দিয়ে বললেন, ওয়েল ডান। শুধুমাত্র একটা Vitaplex Syrup লিখে আগামীকাল সকালে তিনি আবার এসে দেখবেন বলে চলে গেলেন। পরদিন সকালে প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম আসবার আগেই আমি বঙ্গবন্ধুর সাথে কথা বলি। বঙ্গবন্ধু বলতে থাকলেন, দেখলে তো মালেক যে ডায়াগনোসিস করেছে প্রফেসর ডা. নুরুল ইসলামও একই কথা বললেন। পরের দিন খবরের কাগজে উঠল বঙ্গবন্ধু হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার ব্যাপারটা। অনেকে আমাকে ফোন করে জানতে চাইলেন, ওই অসুখটার ভয়াবহতা সম্পর্কে। আমি বললাম এটা এমন একটা অসুখ হয়েছিল, যাকে বলা হয় এনাফাইলেটিক্টক শক, যার পরিণতিতে হঠাৎ মৃত্যু হতে পারে।
 
এরপর ওই বাড়িতে ঢুকলেই বঙ্গবন্ধু আমাকে দেখামাত্রই বলতেন, বড় ডাক্তার এসেছে। নিশ্চয়ই এর পূর্বে আমাকে ছোট ডাক্তার হিসেবে গণ্য করতেন। আর বাস্তবতাও ছিল তাই। আরেকটা চিকিৎসার কথা বলি। একদিন বঙ্গবন্ধু তীব্র দাঁতের ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তখন রাত প্রায় ১০টা। ডাক পড়ল আমার। গিয়ে দেখি তীব্র বেদনায় অস্থির বঙ্গবন্ধু। গাল হা করিয়ে দেখলাম, মাড়ির একটা জায়গায় ফোলা। আমার নিজস্ব প্রস্তুত একটা ওষুধ ডেন্টাল কিউর সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। তুলা দিয়ে লাগাবার সাথে সাথেই ব্যথা কমে গেল। বললাম পরেরদিন একজন ডেন্টিসকে ডাকতে। সকালে আবার ডাক পড়ল। গিয়ে দেখি তৎকালীন স্বাস্থ্য সচিব ডা. টি হোসেন, যিনি মুজিবনগরের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং সে-কারণে সচিব হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর বাসায় আমাকে দেখে বললেন, ডা. সিএস বেগ-কে দেখানো দরকার। তিনি বঙ্গবন্ধুকে বললেন, আপনার কোথাও যেতে হবে না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ডেন্টাল চেয়ার এখানে নিয়ে আসা হবে এবং প্রফেসর বেগও আসবেন। আমি বেডরুমে ঢুকে বঙ্গবন্ধুকে বললাম, একটা মাত্র ডেন্টাল চেয়ার ঢাকা মেডিকেলে। সেটা বাসাতে আনা ঠিক হবে না। আউটডোর রোগীদের কষ্ট হবে। বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করে বেডরুম থেকে বের হয়ে ডা. টি হোসেনের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার ব্যথা নেই। আমি ঠিক আছি। এখন চিকিৎসার কোনো প্রয়োজন নেই। এই বলে তিনি বেডরুমে ঢুকে পড়লেন। সাধারণ মানুষের প্রতি কতটা দরদ থাকলে দেশের সরকার প্রধান এমন কথা বলতে পারেন। বঙ্গবন্ধু আমার ডেন্টাল কেয়ার ওষুধটা দেখে বললেন, এত ভালো ওষুধ কোন ল্যাবরেটরিতে তৈরি? বললাম, এখনও ল্যাবরেটরি হয়নি। বললাম নাম দিয়েছি জিএমএইচ ল্যাবরেটরি। তবে মোনায়েম খানের ছেলে বলে দিয়েছে এই ল্যাব যেন অনুমোদন দেওয়া না হয়। বঙ্গবন্ধু তাৎক্ষণিকভাবে আমাকে ঐ ল্যাব করার জন্য নির্দেশ দিলেন। পরবর্তীতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের লোকজন আমার বাসায় এসে যে অস্বাভাবিক কা- ঘটালেন, তাতে আমি ক্ষুব্ধ হয়ে ল্যাব করার সিদ্ধান্ত বাতিল করলাম।
বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আমার চিকিৎসার আরেকটি উদাহরণ শেখ রাসেলের পায়ে ক্ষত। সরকার প্রধান হিসেবে স্বীয় পরিবারসহ সোভিয়েত রাশিয়া সফরে যান বঙ্গবন্ধু। সেখানে সাইকেল চালাতে গিয়ে পায়ে আঘাত পায় শিশু শেখ রাসেল। তার অসুস্থতায় সোভিয়েত রাশিয়ার চিকিৎসকরা তার জন্য একটা বিশেষ ব্যবস্থাপত্র দেন। যার ভিতর ছিল একটা ওয়েন্টমেন্ট, যা প্রায় ১০ দিন পরে লাগাতে বলা হয়। যদি ক্ষত না কমে। অথচ ভুলক্রমে মলমটি প্রথম দিন লাগানো হয়। যখন দু-সপ্তাহেও ভালো হচ্ছে না তখন বঙ্গবন্ধু বললেন আমাকে ডেকে দেখাতে। আমার মতে একিউট আলসারে স্টরয়েট মলম লাগানোর কারণে ঘা-টি সারছিল না। আমি শুধু ওই মলমটা বন্ধ করলাম; সাত দিনেই শেখ রাসেল সুস্থ হলো। সাত দিনের ভিতরে রাসেলের পা ঠিক হয়ে গেল। আবার বঙ্গবন্ধু পুনরাবৃত্তি করলেন, বলছি না, সে একজন বড় চিকিৎসক। সে-কারণেই বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল।
বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সম্পর্কিত আর একটা চিকিৎসার কথা বলা দরকার। লোকটির নাম মিয়াজান। শেখ পরিবারের একজন পুরাতন কাজের লোক। যিনি বঙ্গবন্ধুকেও ছোটবেলায় কোলে তুলেছেন বলে দাবি করতেন। বঙ্গবন্ধুর কাজিন শেখ মো. ইয়াহিয়া ও তার ভাই বঙ্গবন্ধুর ভায়রা শেখ মো. মুসা। এদেরও ছোটবেলায় মানুষ করেছেন মিয়াজান। মিয়াজান ছিলেন এদের সকলের কাছে একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। মিয়াজান ঢাকায় এলেন এবং আমাকে বললেন, আমি অসুস্থ, আমাকে খোকার কাছে নিয়ে যেতে। তার অসুখ সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল। ম্যালিগন্যান্সি সম্ভবত ফুসফুসে। বঙ্গবন্ধুর বাসায় নিয়ে গেলাম। বঙ্গবন্ধু সিঁড়ি থেকে নেমেই মিয়াজান ভাই বলে এমনভাবে তাকে জড়িয়ে ধরলেন, সেই অফিসের পোশাক পরাবস্থায়। আমি অবাক হয়ে গেলাম। পুরাতন ভৃত্যর প্রতি এমন অনুরাগ। আমি বঙ্গবন্ধুকে বললাম, মনে হয় ফুসফুস ক্যানসার। রেডিওথেরাপি ডিপার্টমেন্টে দেখানো দরকার। তখন ডা. শুকুর আহমেদ দুদিন আগে বিদেশ থেকে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে দেশে এসেছেন। বঙ্গবন্ধু নিজে টেলিফোন করে শুকুর সাহেবকে বললেন, আমার বড় ভাই যতœ করে দেখবেন। পরে সেখানে ডায়াগনোসিস হলো ফুসফুস ক্যানসার। বঙ্গবন্ধু বললেন, তোর ডায়াগনোসিস সঠিক হয়েছে। যদিও আমি বড় ডাক্তার নই, তবে বঙ্গবন্ধুর কাছে বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে আমার উচ্চ ডিগ্রি না থাকলেও আমি ভালো একজন চিকিৎসক। চিকিৎসা পেশা মহান পেশা। বঙ্গবন্ধুর আশীর্বাদ নিয়ে আজও জীবনের পড়ন্ত বয়সে নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত রেখেছি। আমার সাথে জাতির পিতার যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, রাজনৈতিক কারণে বা ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে, তার সংক্ষিপ্ত কিছু স্মৃতিচারণমূলক লেখা পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম। সুধী সমাজ বিশেষ করে, নতুন প্রজন্মের তরুণরা ইতিহাসের এক অজানা তথ্য জেনে আলোকিত হবে। আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকলকে মুজিববর্ষের মুজিবীয় শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানাচ্ছি। মুজিববর্ষ সফল হোক, স্বার্থক হোক। বঙ্গবন্ধুর চেতনায়, আমাদের আগামী দিনের পথচলার অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
 
লেখক : চিকিৎসক, গবেষক ও কলামিস্ট, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য

  মন্তব্য করুন
     FACEBOOK