বিএনপির নেতা দরকার, তাই ড. কামালের ওপর ভর: সেতুমন্ত্রী     নিলুফা ভিলায় জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চলছে     নিলুফা ভিলায় সোয়াতের অভিযান, বিস্ফোরণের শব্দ     মতবিরোধ আছে তবে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না: সিইসি     দুর্নীতির অভিযোগে তিতাসের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত     ব্যাংকগুলোর দেউলিয়া অবস্থা সরকারকে মূলধন দিতে হচ্ছে: সাঈদ খোকন     মাধবদীর জঙ্গি আস্তানা এলাকায় ১৪৪ ধারা     নরসিংদীর ‘নিলুফা ভিলায়’ অভিযান আজ    

বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে যেভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে বঙ্গবন্ধু-১

  মে ১২, ২০১৮     ১৭১     ১:২৬ অপরাহ্ণ     শিক্ষা
--

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’-এর ফ্যালকন-৯ রকেট ফ্লোরিডার কেইপ কেনাভেরালের লঞ্চপ্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে উড়াল দিয়েছে।

স্যাটেলাইট ক্লাবে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের নাম। কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চপ্যাড থেকে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশের পথে যাত্রা করেছে। প্রথমবারের মতো ফ্যালকন-৯ রকেটের ব্লক ৫ সংস্করণ বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ে জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটের পথে ছুটবে।

স্যাটেলাইট উন্মুক্ত হওয়ার পরপর এর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং কোরিয়ার তিনটি গ্রাউন্ড স্টেশনে চলে যাবে, ‘এই তিন স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটিকে নিয়ন্ত্রণ করে এর নিজস্ব কক্ষপথে (১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অরবিটাল স্লট) স্থাপন করা হবে।’

স্যাটেলাইট অরবিটে পাঠানোর পর নির্মাণকারী কোম্পানি ফ্রান্সের থ্যালাস এলেনিয়া স্পেস সেটি পর্যবেক্ষণ করবে। স্যাটেলাইটটি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ দিন লাগবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্যাটেলাইটটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়। যথারীতি বাংলাদেশের এ গ্রাউন্ড স্টেশনে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। মহাকাশে যাওয়ার পর বাংলাদেশের ভূমি থেকে স্যাটেলাইটটি নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি করা হয়েছে।

গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর এবং রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় এ গ্রাউন্ড স্টেশন। বেতবুনিয়ার গ্রাউন্ড স্টেশনটি ব্যাকআপ স্টেশনে হবে। মূলত কাজ হবে জয়দেবপুরের স্টেশন থেকেই। জয়দেবপুরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশনে সিগন্যাল আদান-প্রদানে ১০ টন ওজনের দুটি অ্যান্টেনা ইনস্টলেশন করা হয়েছে।

স্টেশনে বিদ্যুতের জন্য জেনারেটর স্থাপন ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ছয়টি বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দেয়া হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ। স্যাটেলাইটের এ গ্রাউন্ড স্টেশন হচ্ছে পুরো স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের ব্রেইন।

স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রয়েছে- সিস্টেম ক্লক, অ্যান্টেনা সিস্টেম, ট্রান্সমিটিং অ্যান্ড রিসিভিং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি যন্ত্রপাতি, টেলিমেট্রি, ট্র্যাকিং ও কমান্ড যন্ত্রপাতি, ডেটা ইউজার ইন্টারফেস, মিশন ডেটা রিকভারি ও স্টেশন কন্ট্রোল সেন্টাগ্রাউন্ড স্টেশনের প্রকৌশলীরা স্যাটেলাইটে রেডিও সিগন্যাল পাঠানো বা আপলিংক ও স্যাটেলাইট থেকে আসা ডেটা ট্রান্সমিশন গ্রহণ বা ডাউনলিংক করা ছাড়াও কখনও কখনও স্যাটেলাইটে নেটওয়ার্কের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোলের কাজটি করবেন। থ্যালাস এলিনিয়া প্রথম তিন বছর বাংলাদেশের সঙ্গেই স্যাটেলাইটটি পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। এ সময়ে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের সক্ষমতা তৈরি হয়ে গেলে তারা এর দেখাশোনার পুরো দায়িত্বভার বাংলাদেশের ওপরই ছেড়ে দেবে।

মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনা, সফল ব্যবহার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ইতিমধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে।

নতুন এ কোম্পানিতে কারিগরি লোকবল নিয়োগ এবং তাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে। ১৮ জন জনবলও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিটিআরসি থেকে আরও জনবল নিয়ে প্রাথমিকভাবে ৩০ জনের একটি দল গাজীপুরের স্টেশনে কাজ করবে।

তবে পুরোপুরি কাজে কোম্পানিটিতে ১০৫ জনের জনবল দরকার হবে জানা গেছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ২টা ১৪ মিনিট থেকে পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে উৎক্ষেপণের নতুন সময় নির্ধারণ করেছিল মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স। কারিগরি সমস্যার কারণে উৎক্ষেপণের কয়েক সেকেন্ড আগে স্থগিত করা হয় বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১-এর কার্যক্রম।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। খবর ইউএনবির।

সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন- ‘উৎক্ষেপণের শেষ মুহূর্তগুলো কম্পিউটার দ্বারা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। হিসেবে যদি একটুও এদিক-সেদিক পাওয়া যায়, তা হলে কম্পিউটার উৎক্ষেপণ থেকে বিরত থাকে। আজ যেমন নির্ধারিত সময়ের ঠিক ৪২ সেকেন্ড আগে নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। এদিকে বারবার তারিখ পরিবর্তনে সরকারের আর্থিক ক্ষতি প্রসঙ্গে শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘আর্থিকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব না। কারণ যতক্ষণ সমস্যা হবে তারা (স্পেসএক্স) খরচ বহন করার কথা।’

উত্তরণবার্তা/এআর



 



কাকরোল গ্রাম

  অক্টোবর ১৭, ২০১৮

নতুন আর্জেন্টিনা পুরনো ব্রাজিল

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৮     ৭৮৪৩

যমজ লাল্টু-পল্টুর দাম ২০ লাখ

  আগস্ট ১২, ২০১৮     ৪৫৭১

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৪২৮২

পুরনো খবর