দৃষ্টিনন্দন হবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেল: প্রধানমন্ত্রী     দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে শুদ্ধি অভিযান চলছে : ওবায়দুল কাদের     জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী     চট্রগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ সম্মেলনে ০৬ ক্যাটাগরিতে নোয়াখালী জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন     প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন আজ     নিয়মরক্ষার ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে কাল জিততে চায় জিম্বাবুয়ে     হাওয়া ভবন করে দুর্নীতি-কমিশন বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল বিএনপি- তথ্যমন্ত্রী     জানি, কাজটা কঠিন, বাধা আসবেই, তবু করব: প্রধানমন্ত্রী    

সকালের স্রোত উপচে পড়ল বিকেলে

  ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১৯     ১০৪     ৯:২৪ অপরাহ্ণ     শিক্ষা
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : অমর একুশে বইমেলার পর্দা নামবে চলতি সপ্তাহেই। মেলায় প্রাণ ফিরেছে মধ্য সময় থেকেই। বসন্তবরণ আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের আয়োজনের মধ্য দিয়েই পূর্ণতা এসেছে মেলায়। এখন শেষ বেলার আয়োজন। আর মহান ভাষা দিবসই ছিল শেষ বেলার উপলক্ষ।
ছুটির দিন পেয়ে তর যেন আর সইছিল না বইপ্রেমীদের। অন্তঃপুরে রাখা তালিকা ধরে বই বাজারের সদাই কিনলেন দিনভর। আর সকালে যে স্রোত বইছিল মেলায়, বিকেলে এসে যেন উপচে পড়ল।
মাসব্যাপী বইমেলায় একুশে ফেব্রুয়ারি এমনই হয়। তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না। গোটা রাজধানী এসে মিলে যায় বইমেলার আঙ্গিনায়।
এবারেও তাই হলো। বরং বিগত দিনের রেকর্ড মনে হয় ছাড়িয়েই গেল এবার! নইলে মেলা এমন জনসভায় রূপ নেয় কিভাবে! পা ফেলার জো থাকলো না বাংলা একাডেমি আর সোহরাওয়ার্দীর উভয় প্রাঙ্গণেই। বিকেল গড়াতেই একেবারে দম বন্ধ হওয়া উপক্রম-ই প্রায়।
আজ মেলায় বইয়ের ডালা সেজেছিল দিনের শুরুতেই। যারা বেদীতে ফুল দিতে এসেছিলেন ভোরে তারা নতুন বইয়ের গন্ধ নিতেও ভুল করেননি। সকালে শিশুদের আধিক্য থাকলেও পাঠকসারিতে মিলেছিল বয়স্করাও। আর ছুটি পেয়ে শিক্ষার্থীরা ছুটে এসেছিল রাজধানীর নানা প্রান্ত থেকেই। প্রথম প্রহর গড়িয়ে যখন দ্বি-প্রহর আসন্ন, তখন শুধু মেলায় মানুষ আর মানুষ।
একুশের সকালে যারা এসেছিলেন, তাদের অনেকেই রয়ে যান বিকেলেও। আবার গুণে গুণে যারা এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন তারা দুপুরের পরেই ভিড়তে থাকেন মেলা আঙ্গিনায়। দীর্ঘলাইন। পায়ের সঙ্গে পা মেলানো। কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে সবাই যেন প্রাণের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠল বইয়ের মেলায়।
অমর একুশের দিনে বইয়ের কাটতিও হয়েছে যেকোনো দিনের থেকে বেশি। প্রকাশকরা অন্তত তাই মনে করছেন। অনন্যা প্রকাশনের প্রকাশক মনিরুল হক বলেন, ‘মেলার একুশের দিন বই বেচাকেনা হয় যেকোনো দিনের থেকে বেশি। এ দিনটি ঘিরে আমাদের আশা একটু বেশিই থাকে। প্রস্তুতিও থাকে বেশ। সকাল থেকেই ধুম বিক্রি হচ্ছে। শেষ পর্যন্তও ক্রেতাদের ভিড় ছিল এবং ভালো কাটতি হবে আগামীকাল শুক্রবারও।’
গাড়ি ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম উত্তরা থেকে এসেছেন সন্তানদের নিয়ে। বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠানে বসি না। সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে বের হই। আজ মেলায় এসেছি। সন্তানদের বই কিনে দিলাম অনেকগুলো। শহীদ মিনারেও গিয়েছিলাম। ভিড়ের কারণে মেলায় অসুবিধা হয়েছে বটে, তবে চেতনার সঙ্গে আনন্দও ছিল বেশ।’
উত্তরণবার্তা/অআ
 



পুরনো খবর