আদালত অবমাননার দায়ে বিএনপি নেতা রিজভীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি     ১ নভেম্বর থেকে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন : শিক্ষামন্ত্রী     আগামী নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে     ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি ৫০ জনের জন্য একটি বিশুদ্ধ পানীয় জলের উৎস হবে     ২৯ অক্টোবর মতিঝিলে গণ-সমাবেশ করবে ১৪ দল     খসড়া সম্প্রচার আইন-২০১৮ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন     সফলতার পথে প্রধানমন্ত্রীর ‘বিনিয়োগ বিকাশ’ কর্মসূচি     দুর্গোত্সব শুরু আজ ষষ্ঠী    

মার্চ ১৯৭১ : আজিমপুরের প্রতিরোধ

  মার্চ ১০, ২০১৮     ৫৯৭          প্রবন্ধ
--

আনিস আহামেদ: পুরান ঢাকার লালবাগ থানাধীন আজিমপুর একটি প্রসিদ্ধ এলাকা। মুঘল সুবেদার আজমের নামে এই স্থানের নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমান আজিমপুর কবরস্থানের ভিতর ও বাইরের অংশটাই মূল আজিমপুর মহল্লা। কবরস্থানের পশ্চিম পাশে একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে, এটা আজিমপুর দোতালা মসজিদ নামে পরিচিত। মুঘল সুবেদার মুর্শিদকুলি খাঁর আমলে এই মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। ঢাকা থেকে হুগলি নদীর তীরে নবনির্মিত মুর্শিদাবাদে সুবা বাংলার রাজধানী স্থানান্তরিত হলে পুরনো ঢাকার অন্যান্য অঞ্চলের মতো আজিমপুর বিরান হয়ে পড়ে। যেহেতু মুঘল আমলে ঢাকা একটি উদ্যান নগরী হিসেবে টিকে ছিল। তাই বর্তমান আজিমপুর এলাকাটি ছিল গাছ-গাছালি সমৃদ্ধ। দক্ষিণে আজিমপুর দায়রা শরিফ, উত্তরে নীলক্ষেত এলাকা। পূর্বে পলাশী ও পশ্চিমে ভাট মসজিদ এই ছিল সমগ্র আজিমপুর এলাকা। ব্রিটিশ যুগে এখানে প্রচুর পরিমাণে আমগাছ ছিল বিধায় স্থানীয়ভাবে একে আমপাড়া বলে অভিহিত করা হতো। বিস্তীর্ণ গাছ-গাছালি ঘেরা সবুজ অঞ্চল ধ্বংস করেই পঞ্চাশের দশক থেকে একে একে তৈরি করা হয় আজিমপুর সরকারি কলোনি, ইডেন কলেজ, হোম ইকনোমিক্স কলেজ, আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয়, অগ্রণী স্কুল, দায়রা শরিফ আবাসিক এলাকা (চায়না বিল্ডিং), আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ, নতুন কবরস্থান, বিশ্ববিদ্যালয় স্টাফ কলোনি প্রভৃতি। আজিমপুর বটতলা, আজিমপুর আমতলা নামে এখনও কিছু স্পট রয়েছে। একসময় আজিমপুর নতুন কবরস্থান এলাকাটি ‘কারবালা’ নামে পরিচিত ছিল। এখানে ঢাকার শহরের সর্ববৃহৎ মেলা বসত মহররম মাসের আশুরার সময়।
দেশভাগের উত্তরকালে নতুন বসতি স্থাপনকারী আজিমপুরবাসী ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সমর্থক ছিল। এ ছাড়া আজিমপুর ও শেখ সাহেব বাজার ছিল ছাপাখানার প্রসিদ্ধ এলাকা। সব ধরনের প্রকাশনা এখান থেকে বের হওয়ার কারণে স্থানটি বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজ, আন্দোলনকামী নেতৃবৃন্দের চারণক্ষেত্র ছিল। লিফলেট, পোস্টার, স্মরণিকা, বুকলেট এখন থেকে প্রকাশিত হতো। ১৯৫২-এর ২১শে ফেব্রুয়ারির পর প্রতিবছর শহীদ দিবসে স্মরণিকা প্রকাশ করার প্রচলন ছিল, এটা আশির দশক পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে একে কেন্দ্র করে প্রেস এলাকা সরগরম থাকত। দিন-রাতে কাজ চলত। করেট কম্পোজ, ভেজা কাগজে প্রুফ দেখা, সিসার ব্লকে কাভার ছাপানো, ছাপাখানার ছন্দবদ্ধ শব্দ, বই বাইন্ডিং, এমন আমেজ এখন শুধু একটি প্রজন্মের স্মৃতিপটে গেঁথে আছে।
কলোনি এলাকা ও নতুন বসত স্থাপনকারী শিক্ষিত সমাজের সন্তানরা রুটিনবাঁধা জীবনযাপনের ফাঁকে ফাঁকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকত। কিন্তু সার্বক্ষণিক রাজনীতি বা সংগঠন করা তাদের হিসাবের বাইরে ছিল। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের পিছনে থাকত পিতা-মাতার কড়া শাসন, যাতে গোয়েন্দা রিপোর্টের কারণে কর্মস্থলে ঝামেলা সৃষ্টি না হয়। এ ছাড়া পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসন্নে যাওয়া চলবে না।
আজিমপুর এলাকা বিচ্ছিন্নভাবে ঘিঞ্জি এলাকায় বসবাস করত ঢাকার আদিবাসী আর বৃহত্তর ফরিদপুরের বস্তিবাসী মানুষ। রিকশা চালানো, ফেরি করা ছিল বস্তিবাসীদের মূল পেশা। বাড়িওয়ালারা বস্তি ভাড়া, আর রিকশার মালিক, রিকশার গ্যারেজ, মুদি দোকান, মেস ভাড়া দিয়ে সংসার চালাত। রেস্টুরেন্ট আর চা-স্টলে চলত তুমুল রাজনীতিক আড্ডাবাজি। অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, হেমায়েত উদ্দিন আহমদ, শাকিল উদ্দিন মজুমদার, কবির উদ্দিন ছিলেন মহানগর পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা। সবার উপরে লালবাগের নবাবগঞ্জের বাসিন্দা ঢাকা নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ মুসা। বার্ধক্য বয়সেও ছিল তার প্রচ- সাহস। খুব একটা চলাফেরা করতে পারতেন না বিধায় তার বাসভবনই ছিল ঢাকা নগরীর নেতা-কর্মীদের সাহসের ঠিকানা। শিয়রের সামনে সব সময় থাকত খোলা রামদা, তার ধমকে-চমকে নগরীর মুসলিম লীগ পা-াদের কলিজায় কাঁপুনি উঠত।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতের প্রতিরোধযুদ্ধের অন্যতম অংশগ্রহণকারী তখনকার তরুণ সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম মুজিবুরের সাথে, তার স্মৃতিকথা পাঠকদের সামনে তুলে ধরছিÑ
এবিএম মুজিবুর রহমান, পিতা-মৃত মতিউর রহমান, ১৮৫ লালবাগ রোড, আজিমপুর, ঢাকা।
তাদের এলাকাটি আজিমপুর শাহ সাহেব বাড়ি ও রসূলবাগ নামে পরিচিত। এখানেই দেশভাগের পর বসবাস করতেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের শ্বশুরের পরিবার। চতুর্দিকে প্রাচীরবেষ্টিত নারিকেল গাছে ঘেরা বাগানবাড়ি ছিল এটি। ভাষা সংগ্রামী প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম এখানকার বাসিন্দা। তার হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয় তখনকার স্বনামধন্য আমাদের বাঙলা প্রেস। মুজিবুরের বাবা ছিলেন বিডি মেম্বার ও মুসলিম লীগ নেতা; কিন্তু তরুণ পুত্রকে আওয়ামী লীগ করতে কখনোই বাদ সাধেন নি। মুজিবুর অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় ১৯৬৭ সালে আওয়ামী লীগের সার্বক্ষণিক কর্মী হয়ে ওঠেন।
১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হন। সাদা পায়জামা-সাদা পাঞ্জাবি, মুজিব কোট আর ৬-দফার ছয় লাল তারকা সংবলিত সবুজ কিস্তি টুটি। এই বাহিনীর সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকা-ের পাশাপাশি স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করতে হতো। পথঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, মশার উপদ্রব কমাতে ঝোপঝাড় ও পুকুর-ডোবার কচুরিপানা সাফ, ঝড়-বৃষ্টি ও অগ্নিকা-ে বিপণœ মানুষের সহায়তা করা এদের রুটিন ওয়ার্ক ছিল।
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে বঙ্গবন্ধুর মুক্তিলাভের পর নির্বাচনী প্রচারণার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা প্যারেডে অংশ নিত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। তৎকালীন লালবাগ ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর ট্রেনার ছিলেন সাবেক আনসার বাসেদ মিয়া ও রশিদ খান। লালবাগ থানার কমান্ডার নিযুক্ত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। ট্রেনিং হতো স্থানীয়ভাবে আমলিগোলার বালুর মাঠে।
সত্তরের নির্বাচনের পর পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করলে, এই বাহিনীর ট্রেনিংয়ের ধরন পাল্টে যায়, ক্রলি করা কাঠের ডামি রাইফেল দিয়ে ট্রেনিং নিত তারা। মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে রমনা রেসকোর্সে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য প্যারেডে অংশগ্রহণ করত। রাজনৈতিক ব্রিফিং দিত সিরাজুল আলম খান, তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। ২২ মার্চ হাফেজ মুসা মৃত্যুবরণ করলে লালবাগ কেল্লা মাঠে তার জানাজায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ লক্ষাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী হাফেজ মুসার কফিনের সামনে অন্তিম গার্ড অব অনার প্রদান করে।
মার্চ মাসে প্রতিদিন দিনের বেলা মিছিল আর রাতে মশাল মিছিল হতো। হরতালের পিকেটিং ও রাতে কারফিউ ভাঙা ছিল রুটিন ওয়ার্ক।
বঙ্গবন্ধুর কাছে পাকিস্তানের ক্ষমতা হস্তান্তর ও ৬-দফা ভিত্তিতে সংবিধান প্রণয়ন প্রশ্নে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে ইয়াহিয়া খান ও ভুট্টোর সাথে ঢাকায় দফায় দফায় আলোচনা চলাকালে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্যরা ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর বাসভবন ও হোটেল পূর্বাণীতে নিয়মিত মহড়া দিত। ২৫ মার্চ দুপুরে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বলা হলো, যার যার এলাকায় ফিরে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সতর্ক থাকতে। আমরা এলাকায় ফিরে আসি।
রাত ৮টায় খবর পেলাম, ক্যান্টনমেন্টের অবস্থা ভালো না, পাকবাহিনী আক্রমণ করতে পারে। রাত ১১টায় আওয়ামী লীগ নেতা হেমায়েত উদ্দিন ও সাকিল উদ্দিন মজুমদার আমাদের বললেন, পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারিদের আক্রমণ ঠেকাতে সবখানে ব্যারিকেড দিতে হবে। আমরা প্রায় ২০০ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী ও স্থানীয় কর্মীরা একত্রিত হয়ে বালুঘাটের শুক্কুর মোহাম্মদের পাইপ কারখানা থেকে অনেকগুলো পাইপ গড়িয়ে গড়িয়ে নীলক্ষেত মোড়ে নিয়ে সেখানে জড়ো করলাম। হোম ইকোনমিক্স কলেজ ও নিউমার্কেট ১নং গেটের মোডে ব্যারিকেড দিলাম। ইট-পাথর জড়ো করে প্রতিরক্ষা ব্যূহ তৈরি করলাম। পিছন দিকে ব্যাক করে আজিমপুর বটতলায় বড় বড় গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করা হচ্ছিল। এমন সময় ইপিআর ২নং গেটের ভেতর দিকে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। প্রথমে একটি গুলির পরে এলএমজির লাগাতার গোলাগুলি। একটি গুলি ছুটে এসে আমাদের সাথের এক হোটেল কর্মচারীর গায়ে লাগে। ঘটনাস্থলেই সে মারা গেল।
প্রথমে আমরা বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমরা জানতাম ইপিআরের ভেতরে সবাই স্বাধীনতার সমর্থক। তারা গুলি করছে কেন? আমরা পিছনে সরে এসে বর্তমানে যেখানে ইউনিভার্সিটি স্টাফ কোয়ার্টার সেখানে মাঠ ছিল সেখানে অবস্থান নিলাম। হঠাৎ পূর্ব আকাশ আলোকিত হয়ে উঠল, পলাশীর দিক থেকে অনবরত গোলাগুলির শব্দ আকাশে হাওয়াই লাইট জ্বালিয়ে পাকবাহিনী দিনের মতো ফর্সা করে ফেলল। ভোররাত পর্যন্ত এ অবস্থা চলে।
আমরা আরেকটু ভেতরের দিকে অবস্থান নিলাম। এখানে আমাদের নিয়ন্ত্রিত আওয়ামী লীগ অফিস ছিল। ভোটের সময় অনেক ইপিআর সদস্যদের সাথে আমাদের পরিচয় হয়েছিল। রাত দেড়টায় ইপিআরের সদস্যরা ইউনিফর্ম ছাড়া প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় একে একে আসতে শুরু করে। দফায় দফায় প্রায় ৩০ জন ইপিআর সদস্য আসে। এদের অনেকের কাছে অস্ত্র ছিল, তিনজনের হাতে এলএমজি দেখতে পাই, অনেকের হাতে-পায়ে কাপড় বাঁধা, রক্ত পড়ছে। তাদের কাছ থেকে জানতে পারি পাকবাহিনী ইপিআর সদস্যদের ওপর হামলা করেছে।
আমরা তাদের পরার জন্য লুঙ্গি, শার্ট, প্যান্ট ও শাড়ি কেটে দেই। আমাদের সঙ্গীরা তাদের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গার তীর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে আসে। ফজর পর্যন্ত এ অবস্থা চলে।
২৬ মার্চ সারাদিন কারফিউ ছিল। শোনা যায়, ২৭ মার্চ সকালে কারফিউ থাকবে না। আমরা কয়েকজন ২৭ মার্চ সকাল ৯টায় প্রধান সড়ক এড়িয়ে পলাশীর দিকে যাই, সেখানে রেললাইনের পাশে বস্তিসমূহে ২০-২৫টি লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে ছিল। ইকবাল হল ও এসএম হলের ভিতরেও এদিক-সেদিক লাশ দেখতে পাই। জগন্নাথ হলের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে দেখি গণকবর। মাটির ভেতর দিকে নারীর চুল হাত বের হয়ে আছে।
এ সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০-১৫ জন জগন্নাথ হলে জড়ো হয়। এমন সময় হঠাৎ গাড়ির শব্দ শুনে আমরা যে যেভাবে পারি হলের দোতলায় উঠে পড়ি। অন্ধকারময় বারান্দা দিয়ে পেছাতে পেছাতে বাথরুমের ভেতরে ঢুকি, ওখানে কয়েকটি মরদেহের ওপর পা পড়ে। জমাট রক্তে গোড়ালি পর্যন্ত ডুবে যায়। গাড়ি চলে যাওয়ার পর বাইরে এসে দেখি আমার পায়জামা ভিজে গেছে।
বাসায় ফিরে এসে মাকে সাথে নিয়ে হাজারীবাগে নানির বাসায় পৌঁছে দেই। সেখানে একটি জটলা দেখতে পাই রেডিওর সামনে, মানুষ বলছে চট্টগ্রাম রেডিও স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা শোনা গেছে।



নতুন আর্জেন্টিনা পুরনো ব্রাজিল

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৮     ৭৮৪০

যমজ লাল্টু-পল্টুর দাম ২০ লাখ

  আগস্ট ১২, ২০১৮     ৪৫৬৮

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৪২৭৬

পুরনো খবর