কাল দিন-রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন     উন্নয়ন প্রকল্পে তদারকি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা     আজ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী     ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি চলছে     টেকসই উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা রাখতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির     ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি অনুমোদন     ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি বুধবার     ডাকসুর প্রথম কার্যকরী সভা ২৩ মার্চ    

পশ্চিম আফ্রিকার রহস্যময় ভাস্কর্য

  জানুয়ারী ০৮, ২০১৯     ৫৯     ১২:৩৯ অপরাহ্ণ     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সাহারা অধ্যুষিত আফ্রিকায় নোক ভাস্কর্যগুলোর প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য অনেক। আফ্রিকান শিল্পের প্রাচীন নিদর্শনের অন্যতম ২ হাজার বছরের বেশি পুরনো টেরাকোটার এই মূর্তিগুলো।

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে জস উপত্যকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নাম থেকেই এসেছে নোক নামটি।

১৯২৮ সালে টিন খনির শ্রমিকরা সেখানে প্রথম ভাস্কর্যের সন্ধান পান। ২০০৫ সাল পর্যন্ত জার্মান এবং নাইজেরিয়ান প্রত্নতাত্ত্বিকরা ওই এলাকার ২০০ জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ি করেন।

লালচে বাদামি মূর্তিগুলো যখন মাটির নিচ থেকে বের করা হয়, প্রত্নতাত্ত্বিকরা তখন এগুলো সংরক্ষণের কাজ শুরু করেন।

ভাস্কর্যের পাশাপাশি নানা রকম যান, বাসনপত্র এবং গহনা সংগ্রহের প্রতিও আগ্রহ বেড়ে যায় তাদের। তারা আশা করেন, এর মাধ্যমে অনেকেই নাইজেরিয়ার অতীত ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

পশ্চিম আফ্রিকার রহস্যময় নোক ভাস্কর্যের পেছনের ইতিহাস খুব বেশি জানা যায়নি। কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এই ভাস্কর্যগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে তা আজও রহস্য। গবেষকদের মতে, এগুলো বিভিন্ন ধর্মীয় কাজ বা উপাসনায় ব্যবহার হতো।

তবে এটা পরিষ্কার, তাদের ধ্বংস করাটা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেরই অংশ ছিল। এ ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মানুষ, জীবজন্তু এবং পৌরাণিক পশু। ভাস্কর্যগুলোর বিশালাকার মুখমণ্ডল এবং ত্রিকোণাকৃতি চোখ আসলেই অদ্ভুত।

এদের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আছে কারও দাড়ি, কারও কেশ, গহনা, কারও বা মাথা ঢাকা। কিছু ভাস্কর্য দেখলে বোঝা যায় এগুলো মানুষের, কয়েকটি জন্তুর এবং পৌরাণিক জীবের- যেমন অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক পশু।

বিংশ শতাব্দীতে যখন প্রথমবারের মতো ইউরোপে নোক ভাস্কর্য আসে, তখন শৈল্পিক বিপ্লব ঘটে যায়। পল গগিন, পাবলো পিকাসোর মতো বিখ্যাত শিল্পীদের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায় এই ভাস্কর্যগুলো।

তাদের বিভিন্ন শিল্পকর্মে তারই প্রতিফলন দেখা যায়। বর্তমানে নোক শিল্প আন্তর্জাতিক সম্পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। বিশ্বের সংগ্রাহকদের একটা বড় অংশ এখন ভাস্কর্য সংগ্রহের প্রতি আগ্রহী।

প্যারিস, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনের বাজারে এখন নোক ভাস্কর্যের বেশ চাহিদা। এমনকি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘরগুলোও নোক ভাস্কর্য রাখার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

উত্তরণবার্তা/এআর

 

 



সন্তানই আমার সবকিছু হবে

  মার্চ ১৯, ২০১৯     ১২৯

মজাদার কিমা পরোটা

  মার্চ ১২, ২০১৯     ১১৪

পুরনো খবর