ইংল্যান্ডকে ২৮৬ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া     ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে : দীপু মনি     রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী     প্রমাণিত হয়েছে ইভিএমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব : ড.হাছান মাহমুদ     হজ-ফ্লাইট শুরু ৪ জুলাই     মাশরাফি-সাকিবদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে : প্রধানমন্ত্রী     নড়বড়ে সেতু তাড়াতাড়ি মেরামত করুন     বাংলাদেশকে চারটি পণ্যবাহী জাহাজ দেবে ডেনমার্ক    

মির্জা আব্বাস ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির নতুন মামলা

  জানুয়ারী ০৭, ২০১৯     ১১৮     ৭:১০ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকার সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলাটি রুজু করবেন।

মামলায় অভিযোগ আনা হয়, আফরোজা আব্বাস একজন গৃহিণী। কিন্তু তার স্বামী মির্জা আব্বাসের বিভিন্ন খাতের টাকা স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আফরোজা আব্বাস নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী হিসেবে আয়কর নথিতে উল্লেখ করলেও তার নিজের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই। দুদকের মামলায় আরও বলা হয়, আফরোজা আব্বাসের সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে দেখা যায়, ঢাকা ব্যাংকে তার ৮ কোটি ৭০ লাখ ৭০৬ টাকার শেয়ার, ঢাকা টেলিফোন কোম্পানিতে ১০ কোটি টাকার শেয়ার, এফডিআর ও বিনিয়োগ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা।

এই টাকাসহ তিনি দুদকে ২০ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন। এই টাকার বিষয়ে দুদক আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ ও বাবা-মা এবং বোনের কাছ থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দান হিসেবে নিয়েছেন। তবে তিনি এর সপক্ষে কোনো রেকর্ড দেখাতে পারেননি বলে মামলায় বলা হয়। এতে আরও বলা হয়, মূলত ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের উল্লেখযোগ্য কোনো আয় ছিল না। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও পরে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে অর্থ অর্জন করেন।
এরপর স্বামীর যোগসাজশে আফরোজা আব্বাস ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ অবৈধ পন্থায় অর্জন করেন। যা ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা ও ২০০২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৩ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

উত্তরণবার্তা/দীন



পুরনো খবর