পরীক্ষার আগে অনৈতিক পথের খোঁজ করবেন না     একনেক বৈঠকে ৮ প্রকল্পের অনুমোদন     কালিহাতীতে ট্রেনের ধাক্কায় লরিচালক নিহত, আহত ৩     ডিএনসিসির মেয়র পদে ভোটের সিদ্ধান্ত বিকালে : সিইসি     বিপিএলে আজ মুখোমুখি রংপুর-খুলনা ও ঢাকা-কুমিল্লা     প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ     আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক     চলে গেলেন গীতিকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল    

প্রকৃতি থেকে কমে যাচ্ছে ‘ডাহুক’

  জানুয়ারী ০৭, ২০১৯     ৩১     ১২:২৩ অপরাহ্ণ     আরও
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : আবাসস্থল ধ্বংসের কারণেই প্রকৃতি থেকে কমে যাচ্ছে ডাহুক। গ্রামবাংলার জলাভূমিতে আগের মতো চোখে পড়ে না ডাহুক। প্রাকৃতিক জলাভূমি এদের প্রধান আশ্রয়স্থল। পুকুর, খাল, বিল, নদীর বাঁক প্রভৃতি জায়গাগুলো তাদের প্রিয়।

শাপলা-পদ্মার ফাঁকে ফাঁকে দিব্যি দাঁড়িয়ে থাকতে বা লুকতে পারে। কচুরিপানার উপর দৌড়ঝাপ দিতে পারে অনায়াশে। তবে বর্ষা মৌসুমে এদের তুলনামূলকভাবে ডাহুক বেশি দেখা যায়। এদের ইংরেজি নাম White-breasted Waterhen  এবং বৈজ্ঞানিক নাম Amaurornis phoenicurus। পুরুষ এবং স্ত্রী পাখি দেখতে একই রকম।

বন-বাদাড়ে বা জলাভূমিতে ঘুরে বেড়ানো গ্রামীণ এ পাখিটিকে নিয়ে লোকসাহিত্যে নানান রচনা রয়েছে। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন, রূপসী বাংলা’র কবি জীবনানন্দ দাশ প্রমুখ কবিরা তাদের লেখনিতে ডাহুকের কথা উল্লেখ করেছেন।

এক সময় পোষা পুরুষ ডাহুক দিয়ে বুনো ডাহুক শিকার করা হতো। বেঁধে রাখা পোষা ডাহুকটি খোলা জায়গায় কোনো প্রাকৃতিক ডাহুককে দেখলে যখনি তেড়ে আসে তখনি শিকারীর ফাঁদে আটকা পড়ে যায়।

প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ও লেখক শরীফ খান বলেন, ডাহুক কমে যাওয়া মূল কারণ তাদের আবাসস্থল অর্থাৎ তারা যেখানে বসবাস করে সেটা ধ্বংস হওয়া। আমাদের চারপাশ থেকে তো প্রাকৃতিক জলাভূমিসহ ঝোপঝাড়  ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। তাই এগুলো উপর আশ্রয় করে থাকা পাখিগুলোর অস্তিত্ব হুমকির মুখে।

তিনি আরো বলেন, এককালে গ্রামবাংলায় পোষা ডাহুক যেমন তেমনি বুনো ডাহুকও ছিল। ওরা বাসা বেঁধে ডিম পাড়ার পর বেশি ডাকতো। রাতভর একটানা ডাকতে শুনা যায়। এ ডাক শুনলে মনে হয় ওরা যেন ব্যথা বা কষ্ট থেকে ডাকছে। আসলে তা নয়; এ ডাক মনের  আনন্দের বর্হিপ্রকাশ।

এর স্বভাব ও শারীরিক বর্ণনা সম্পর্কে শরীফ খান বলেন, ডাহুক চতুর ও সতর্ক প্রকৃতির পাখি। প্রচণ্ড জোরে ছুটতে পারে বলে তাদের তুখোড় দৌড়বিদ বলা হয়। এদের দৈর্ঘ্য ৩২ সেন্টিমিটার। মাথা থেকে গলা পর্যন্ত সামনের দিকে সাদা রঙ এবং পেছনের দিকে কালো রঙের দৃশ্যমান ছাপ রয়েছে। হলদে ঠোঁটের গোড়ায় লাল রঙের সৌন্দর্য রয়েছে।

জলজউদ্ভিদের ডগা, ধান, নানান ধরণের শস্যবীজ, জলজ পোকা-মাকড়, শ্যাওলাও এদের খাদ্য বলে জানান পাখি বিশেষজ্ঞ শরীফ খান।

উত্তরণবার্তা/এআর









 



নতুন আর্জেন্টিনা পুরনো ব্রাজিল

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৮     ৮০১৫

যমজ লাল্টু-পল্টুর দাম ২০ লাখ

  আগস্ট ১২, ২০১৮     ৪৭৩৯

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৪৫৩০

পুরনো খবর