বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়: মাহবুবউল আলম হানিফ     প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে বিশ্বব্যাংক ৫শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে     ভোটের দিন বিকেল ৪টার পর ফুল স্পিডে ইন্টারনেট থাকবে     দেশের অধিকাংশ স্থানে গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টি হতে পারে     একজন নির্বাচন কমিশনার কি বললেন তা দেখার বিষয় নয়: কাদের     ভোট গণনাকারীর ভুলে নির্বাচন যেন পণ্ড না হয়: সিইসি     নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে : সিইসি     সু চির আরও এক পুরস্কার প্রত্যাহার    

সৌরশক্তির নানাবিধ প্রয়োগ

  নভেম্বর ২০, ২০১৮     ৫৬     ২:৫৬ অপরাহ্ণ     প্রবন্ধ
--

অনিন্দ্য আরিফ : ভবিষ্যতের ‘স্মার্ট' ভবনগুলিকে জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে অনেক উদ্যোগ চলছে৷ জার্মানিতে সৌরশক্তি উৎপাদনের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ করার চেষ্টা চলছে৷
 
এই সব সোলার প্যানেল সূর্যালোক থেকে জ্বালানি সৃষ্টি করে৷ কিন্তু কীভাবে সেটা সম্ভব হয়? কীভাবেই বা তা তৈরি করা হয়? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে ফ্রাইবুর্গ শহরের ফ্রাউনহোফার ইনস্টিটিউটে যাওয়া যাক৷ ভারতের কুমার অভিষেক অতিথি বিজ্ঞানী হিসেবে সেখানে কাজ করছেন৷ ভবিষ্যতেরসৌর প্রযুক্তির রূপ দিতে তিনি নতুন গবেষণায় অংশ নিচ্ছেন৷ কুমার বলেন, ‘‘এর দু রকম প্রয়োগ রয়েছে৷ সোলার থার্মাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সোলার সেলের উপর প্রলেপ মূলত আলো বিভ্রষ্ট করে৷ সূর্যের আলো কোনো লক্ষ্যবস্তুর উপর প্রতিফলিত করা হয়৷ সেটি কোনো বিন্দু বা রেখা হতে পারে৷ ফটোভোল্টেয়িক প্রযুক্তির মধ্যে প্রলেপের ক্ষেত্রে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হাসিল করেছি৷ নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে, ফটোভোল্টেয়িক সেল শুধু ধূসর নীল হয়ে থাকে, যা আসলে সিলিকনের রং৷ কিন্তু বিশেষ কায়দায় আমরা এখন যে কোনো রং দিতে পারি৷ লাল, কালো, হলুদ, গোলাপী, নীল – যা আপনার পছন্দ৷ আমরা প্রায়ই স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট বিল্ডিং-এর কথা বলি৷ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ভবনগুলি আরো আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব৷''
 
জ্বালানির যত উৎস
১. তেল
লন্ডন ভিত্তিক ‘ওয়ার্ল্ড এনার্জি কাউন্সিল’ এর ‘বিশ্ব জ্বালানি সম্পদ ২০১৬’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হওয়া জ্বালানি হচ্ছে তেল৷ মোট ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৩২.৯ শতাংশই হচ্ছে তেল৷ আর তেল উৎপাদনে শীর্ষ তিন দেশ হচ্ছে সৌদি আরব (বছরে ৫৬৯ মিলিয়ন টন), যুক্তরাষ্ট্র (বছরে ৫৬৭ মিলিয়ন টন) ও রাশিয়া (বছরে ৫৪১ মিলিয়ন টন)৷
যতটা সম্ভব উত্তাপ সংগ্রহ করাই ফটোভোল্টায়িক সেলের লক্ষ্য৷ সে কারণেই সেটি সিলিকন দিয়ে তৈরি, যা এক সেমিকন্ডাক্টর৷ সিলিকনের ওয়েফার বা পাতলা স্তর যাতে কোথাও ভেঙে না যায়, একটি যন্ত্র তা নিশ্চিত করে৷ তারপর অতি পাতলা রুপো ও অ্যালুমিনিয়ামের পাত সোল্ডার করে তাতে লাগানো হয়৷
 
এই প্রক্রিয়াকে স্ক্রিন প্রিন্টিং বলা হয়, যা অনেকটা টি-শার্ট প্রিন্টিংয়ের মতো৷ তবে সোলার ওয়েফারকে ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সহ্য করতে হয়৷ এবার এই ওয়েফারকে সোলার সেল বলা যেতে পারে৷ কার্যকর ফলের জন্য প্রিন্টিং-এর পরেও তার মান নির্ণয় করতে অনেক পরীক্ষা চালানো হয়৷ ধাতব স্তরের মাপ ও তাদের মধ্যে ব্যবধান নিখুঁত হতে হবে৷ তার উপর সেলের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে৷ মাইক্রোস্কোপে তা পরীক্ষা করা হয়৷
 
সোলার ফটোভোল্টায়িক সেল সূর্যালোক ধারণ করে তা সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে৷ সোলার থার্মাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আয়না ব্যবহার করে সূর্যালোকের প্রতিফলন ঘটিয়ে তা উত্তাপে রূপান্তরিত করা হয়৷ সেই উত্তাপ জমা করে পরে পানি গরম অথবা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে৷
 
একটি ডার্ক রুমে আরো একটি পরীক্ষা চলছে৷ ক্যামেরা ও প্রোজেক্টরের সাহায্যে ধাতব স্তর কতটা নিখুঁত, তা পরীক্ষা করা হয়৷ফ্রাউনহোফার সোসাইটির পেটার নিৎসবলেন, ‘‘এভাবে আয়নার মান পরীক্ষা করা হয়৷ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যাবযর্বার, যা সূর্যের রশ্মি ধরে উত্তাপে রূপান্তরিত করে৷ তাই তার ধারণক্ষমতা ও আকার লাগাতার পরীক্ষা করতে হয়৷ সবকিছু এক কালেক্টরের মধ্যে ভরা রয়েছে৷ অর্থাৎ, সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র ঠিকমতো চালু রাখতে মান সংক্রান্ত নানা পরীক্ষা চালাতে হয়৷''
 
বিশ্বের সবচেয়ে সবুজ সাত শহর
কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রথম কার্বন-নিরপেক্ষ শহর হতে চায় কোপেনহেগেন৷ ১৯৯৫ সাল থেকে এখন অবধি শহরটি কার্বন নির্গমণের হার অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে৷ শহরের একটি বড় অংশকে গাড়িমুক্ত করে এবং উচ্চমানে গণপরিবহন এবং সাইকেল আরোহীদের জন্য আলাদা লেন গড়ে ক্রমশ সবুজ শহরে পরিণত হচ্ছে ডেনমার্কের এই রাজধানী৷
 
এর ফলে শুদ্ধ, দূষণমুক্ত ও টেকসই জ্বালানি উৎপাদিত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের নির্গমন ঘটায় না৷ পেটার নিৎস বলেন, ‘‘উত্তাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে সোলার থার্মাল প্রযুক্তির মূল প্রয়োগ হয়৷ যেমন, ভারতের মতো দেশে সৌরশক্তিচালিত রান্নাঘরে বাষ্প সৃষ্টি করা হয়৷ অনেক জায়গায় এমন বিশাল রান্নাঘর আছে৷ তার মধ্যে কয়েকটিতে সোলার থার্মাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বাষ্প সৃষ্টি করে রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উত্তাপ নিশ্চিত করা হয়৷''
 
ভবিষ্যতের শহরগুলি এরকম দেখতে হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ফ্রাইবুর্গ শহরে এই বাড়িগুলি দক্ষ ভবনের প্রোটোটাইপ বা উদাহরণ৷সেগুলি প্রয়োজনীয় জ্বালানি উৎপাদনকরতে সক্ষম৷ অর্থাৎ পাওয়ার গ্রিড, এমনকি রান্নার জন্য গ্যাসেরও প্রয়োজন থাকবে না৷ সূর্যের আলোই সব চাহিদা পূরণ করবে৷
উত্তরণবার্তা/অআ
 



নতুন আর্জেন্টিনা পুরনো ব্রাজিল

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৮     ৭৯৫৫

যমজ লাল্টু-পল্টুর দাম ২০ লাখ

  আগস্ট ১২, ২০১৮     ৪৬৮৪

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৪৪৪৭

পান খাওয়ার উপকারিতা

  অক্টোবর ১৫, ২০১৮     ২৪১৫

পুরনো খবর