আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ডিএমপি’র নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি     মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় নৌপথ ও স্থলবন্দরগুলো আরো বেশি গতিশীল হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী     শহীদ মিনারে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: র‍্যাব ডিজি     রাজবাড়ীতে ১৫ কেজি গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেপ্তার     মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি     ইউনিয়ন পর্যায়ে স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী     সড়ক নির্মাণে গুণগতমান সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ সেতুমন্ত্রীর    

সৌরশক্তির নানাবিধ প্রয়োগ

  নভেম্বর ২০, ২০১৮     ১৭০     ২:৫৬ অপরাহ্ণ     প্রবন্ধ
--

অনিন্দ্য আরিফ : ভবিষ্যতের ‘স্মার্ট' ভবনগুলিকে জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে অনেক উদ্যোগ চলছে৷ জার্মানিতে সৌরশক্তি উৎপাদনের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ করার চেষ্টা চলছে৷
 
এই সব সোলার প্যানেল সূর্যালোক থেকে জ্বালানি সৃষ্টি করে৷ কিন্তু কীভাবে সেটা সম্ভব হয়? কীভাবেই বা তা তৈরি করা হয়? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে ফ্রাইবুর্গ শহরের ফ্রাউনহোফার ইনস্টিটিউটে যাওয়া যাক৷ ভারতের কুমার অভিষেক অতিথি বিজ্ঞানী হিসেবে সেখানে কাজ করছেন৷ ভবিষ্যতেরসৌর প্রযুক্তির রূপ দিতে তিনি নতুন গবেষণায় অংশ নিচ্ছেন৷ কুমার বলেন, ‘‘এর দু রকম প্রয়োগ রয়েছে৷ সোলার থার্মাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সোলার সেলের উপর প্রলেপ মূলত আলো বিভ্রষ্ট করে৷ সূর্যের আলো কোনো লক্ষ্যবস্তুর উপর প্রতিফলিত করা হয়৷ সেটি কোনো বিন্দু বা রেখা হতে পারে৷ ফটোভোল্টেয়িক প্রযুক্তির মধ্যে প্রলেপের ক্ষেত্রে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হাসিল করেছি৷ নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে, ফটোভোল্টেয়িক সেল শুধু ধূসর নীল হয়ে থাকে, যা আসলে সিলিকনের রং৷ কিন্তু বিশেষ কায়দায় আমরা এখন যে কোনো রং দিতে পারি৷ লাল, কালো, হলুদ, গোলাপী, নীল – যা আপনার পছন্দ৷ আমরা প্রায়ই স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট বিল্ডিং-এর কথা বলি৷ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ভবনগুলি আরো আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব৷''
 
জ্বালানির যত উৎস
১. তেল
লন্ডন ভিত্তিক ‘ওয়ার্ল্ড এনার্জি কাউন্সিল’ এর ‘বিশ্ব জ্বালানি সম্পদ ২০১৬’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হওয়া জ্বালানি হচ্ছে তেল৷ মোট ব্যবহৃত জ্বালানির প্রায় ৩২.৯ শতাংশই হচ্ছে তেল৷ আর তেল উৎপাদনে শীর্ষ তিন দেশ হচ্ছে সৌদি আরব (বছরে ৫৬৯ মিলিয়ন টন), যুক্তরাষ্ট্র (বছরে ৫৬৭ মিলিয়ন টন) ও রাশিয়া (বছরে ৫৪১ মিলিয়ন টন)৷
যতটা সম্ভব উত্তাপ সংগ্রহ করাই ফটোভোল্টায়িক সেলের লক্ষ্য৷ সে কারণেই সেটি সিলিকন দিয়ে তৈরি, যা এক সেমিকন্ডাক্টর৷ সিলিকনের ওয়েফার বা পাতলা স্তর যাতে কোথাও ভেঙে না যায়, একটি যন্ত্র তা নিশ্চিত করে৷ তারপর অতি পাতলা রুপো ও অ্যালুমিনিয়ামের পাত সোল্ডার করে তাতে লাগানো হয়৷
 
এই প্রক্রিয়াকে স্ক্রিন প্রিন্টিং বলা হয়, যা অনেকটা টি-শার্ট প্রিন্টিংয়ের মতো৷ তবে সোলার ওয়েফারকে ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সহ্য করতে হয়৷ এবার এই ওয়েফারকে সোলার সেল বলা যেতে পারে৷ কার্যকর ফলের জন্য প্রিন্টিং-এর পরেও তার মান নির্ণয় করতে অনেক পরীক্ষা চালানো হয়৷ ধাতব স্তরের মাপ ও তাদের মধ্যে ব্যবধান নিখুঁত হতে হবে৷ তার উপর সেলের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে৷ মাইক্রোস্কোপে তা পরীক্ষা করা হয়৷
 
সোলার ফটোভোল্টায়িক সেল সূর্যালোক ধারণ করে তা সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে৷ সোলার থার্মাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আয়না ব্যবহার করে সূর্যালোকের প্রতিফলন ঘটিয়ে তা উত্তাপে রূপান্তরিত করা হয়৷ সেই উত্তাপ জমা করে পরে পানি গরম অথবা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে৷
 
একটি ডার্ক রুমে আরো একটি পরীক্ষা চলছে৷ ক্যামেরা ও প্রোজেক্টরের সাহায্যে ধাতব স্তর কতটা নিখুঁত, তা পরীক্ষা করা হয়৷ফ্রাউনহোফার সোসাইটির পেটার নিৎসবলেন, ‘‘এভাবে আয়নার মান পরীক্ষা করা হয়৷ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যাবযর্বার, যা সূর্যের রশ্মি ধরে উত্তাপে রূপান্তরিত করে৷ তাই তার ধারণক্ষমতা ও আকার লাগাতার পরীক্ষা করতে হয়৷ সবকিছু এক কালেক্টরের মধ্যে ভরা রয়েছে৷ অর্থাৎ, সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র ঠিকমতো চালু রাখতে মান সংক্রান্ত নানা পরীক্ষা চালাতে হয়৷''
 
বিশ্বের সবচেয়ে সবুজ সাত শহর
কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রথম কার্বন-নিরপেক্ষ শহর হতে চায় কোপেনহেগেন৷ ১৯৯৫ সাল থেকে এখন অবধি শহরটি কার্বন নির্গমণের হার অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে৷ শহরের একটি বড় অংশকে গাড়িমুক্ত করে এবং উচ্চমানে গণপরিবহন এবং সাইকেল আরোহীদের জন্য আলাদা লেন গড়ে ক্রমশ সবুজ শহরে পরিণত হচ্ছে ডেনমার্কের এই রাজধানী৷
 
এর ফলে শুদ্ধ, দূষণমুক্ত ও টেকসই জ্বালানি উৎপাদিত হয়, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের নির্গমন ঘটায় না৷ পেটার নিৎস বলেন, ‘‘উত্তাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে সোলার থার্মাল প্রযুক্তির মূল প্রয়োগ হয়৷ যেমন, ভারতের মতো দেশে সৌরশক্তিচালিত রান্নাঘরে বাষ্প সৃষ্টি করা হয়৷ অনেক জায়গায় এমন বিশাল রান্নাঘর আছে৷ তার মধ্যে কয়েকটিতে সোলার থার্মাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বাষ্প সৃষ্টি করে রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উত্তাপ নিশ্চিত করা হয়৷''
 
ভবিষ্যতের শহরগুলি এরকম দেখতে হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ফ্রাইবুর্গ শহরে এই বাড়িগুলি দক্ষ ভবনের প্রোটোটাইপ বা উদাহরণ৷সেগুলি প্রয়োজনীয় জ্বালানি উৎপাদনকরতে সক্ষম৷ অর্থাৎ পাওয়ার গ্রিড, এমনকি রান্নার জন্য গ্যাসেরও প্রয়োজন থাকবে না৷ সূর্যের আলোই সব চাহিদা পূরণ করবে৷
উত্তরণবার্তা/অআ
 



আসছে হুয়াওয়ে পি৩০ ও পি৩০ প্রো

  ফেব্রুয়ারী ১১, ২০১৯     ৬২৯

মুলতানকে জেতালেন আফ্রিদি-মালিক

  ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০১৯     ৩১৬

আমিরের আগুন বোলিং বৃথা মালিকের ঝড়

  ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৯     ৩০২

সিরিজ হার বাংলাদেশের

  ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০১৯     ২৭০

প্রস্তুতি ম্যাচে টাইগারদের সংগ্রহ ২৪৭

  ফেব্রুয়ারী ১০, ২০১৯     ২৪১

দেখে নিন সেরা পাঁচ ফিল্ডার কে

  ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৯     ১৫৫

মিয়ানমার ফিরেছে ৮ পরিবার

  ফেব্রুয়ারী ১১, ২০১৯     ১৩৫

বাজারে এল স্যামসাং গ্যালাক্সি এম১০

  ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৯     ১২১

মুখরোচক শাহী কাঠি কাবাব

  ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৯     ৯৩

পুরনো খবর