ঈদযাত্রা আরামদায়ক না হলেও স্বস্তির যেন হয় : সেতুমন্ত্রী     বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির ৪৬তম বার্ষিকী     ‘বিশাল জয়ে’ মোদীকে সুষমা স্বরাজের অভিনন্দন     মোদিকে জাকালো সংবর্ধনার প্রস্তুতি, ২০ হাজার কর্মীকে আমন্ত্রণ     ঈদযাত্রায় ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি চলছে     কৃষকের বাড়ি গিয়ে ধান কিনছেন ডিসিরা     বিশাল ব্যাবধানে এগিয়ে বিজেপি জোট     কড়া নিরাপত্তায় ভারতে ভোট গণনা শুরু    

সঠিক সময়েই পৌঁছাবে বিনামূল্যের বই

  নভেম্বর ১৬, ২০১৮     ১২৫     ১১:২৩ পূর্বাহ্ন     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা  ডেস্ক : টেন্ডার, রি-টেন্ডার, একাদশ জাতীয় নির্বাচনসহ নানামুখী জটিলতা কাটিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন কাজ শেষ হচ্ছে। এমনটাই প্রত্যাশা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এনসিটিবির।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা এ ব্যাপারে পূর্ণ আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের প্রায় ৭০ শতাংশ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আশা করছি বাকি বইগুলোর কাজও খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আমাদের একটা টার্গেট আছে আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই সব বই উপজেলা বা বিদ্যালয় পর্যায়ে পৌঁছানো। আশা করছি তার আগেই আমরা লক্ষ্য পূরণ করতে সক্ষম হবো। এ ব্যাপারে সার্বিক তদারকি চলছে।’

এদিকে, আর্থিক সংকট, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের দারস্থ হওয়াসহ নানামুখী জটিলতার কথা বললেও সঠিক সময়েই কাজ শেষ করে দিতে চায় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বিষয়টিকে সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা ও বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের দীর্ঘ ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখছেন। যার কারণে সঠিক সময়েই কাজ শেষ করতে চান তারা। আলাপকালে এমনটাই জানান মুদ্রণ শিল্প সমিতির সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত।

তিনি বলেন, ‘আমাদের নানা সংকট আছে। বলতে গেলে সব ধরনের সংকটের মাঝে আমরা এবারের কাজ হাতে পেয়েছি। আমরা আমাদের সমস্যার কথা এনসিটিবিকে কয়েক দফা জানিয়েছি। তবে কোনো সমাধান পাইনি। প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা অসন্তোষের কারণে শুরুতে আমাদের শঙ্কা ছিল সঠিক সময়ে কাজ শেষ হওয়া নিয়ে। তবে এখন আর সে সমস্যা নেই। আমাদের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের কাজ প্রায় শেষ হয়ে আসছে। সার্বিক পরিস্থিত ঠিক থাকলে এ মাসের মধ্যে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

তবে শহীদ সেরনিয়াবাত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরো ও প্রাথমিক স্তরের আপদকালীন স্টকের ৬৫ লাখ বইয়ের কাজ দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার দাবি তোলেন। তিনি বলেন,‘ইতোমধ্যে আমাদের কিছু মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ শেষ করেছে। আমরা চাই এ টেন্ডারটি যেন ওইসব প্রতিষ্ঠানসহ দেশীয় মুদ্রণকারদের দেওয়া হয়।’

এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘দাবি দাওয়া বা চাহিদা অনেক থাকবে। এটাই স্বাভাবিক। সব ধরনের নিয়ম মেনেই তাদের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। সুতরাং এখানে আলাদা কোনো অসন্তোষের কারণ নেই। আমাদের প্রায় বই চলে গেছে। এখন বাকি বইগুলো যত দ্রুত পৌঁছাতে পারি সেটাই মুখ্য বিষয় ‘

কোন স্তরের বই পৌঁছেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সব শ্রেণির বইয়ের কাজই মোটামুটি শেষ হয়ে আসছে। কিছু ক্লাসের বই মুদ্রণের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। সবমিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই আমাদের উপজেলা পর্যায়ে বিনামূল্যের বই পৌঁছে যাবে।’

এদিকে, গত সপ্তাহে এনসিটিবিতে যান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি পাঠ্যবইয়ের ছাপা ও বিতরণের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, ‘এবার প্রায় ৩৬ কোটি পাঠ্য বই বিতরণ হবে। এর মধ্যে ২১ কোটি বই ইতোমধ্যে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। বাকি বইগুলো ডিসেম্বরের ১০ তারিখের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কাজে কেউ বাধা সৃষ্টি করবেন না। সবাই সহযোগিতা করবেন।

উত্তরণবার্তা/এআর



মানুষের সমান বোয়াল মাছ

  মে ১৯, ২০১৯     ৪৪৬

মাত্র ৫ দিনে ওজন কমাবে আলু

  মে ১৮, ২০১৯     ২৪৭

পুরনো খবর