ইংল্যান্ডকে ২৮৬ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া     ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে : দীপু মনি     রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী     প্রমাণিত হয়েছে ইভিএমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব : ড.হাছান মাহমুদ     হজ-ফ্লাইট শুরু ৪ জুলাই     মাশরাফি-সাকিবদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে : প্রধানমন্ত্রী     নড়বড়ে সেতু তাড়াতাড়ি মেরামত করুন     বাংলাদেশকে চারটি পণ্যবাহী জাহাজ দেবে ডেনমার্ক    

খালাফ হত্যা মামলায় মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

  অক্টোবর ০৭, ২০১৮     ৯৮     ১:২১ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

আজ রোববার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মামুনের রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

আদালতে সাইফুল ইসলাম মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আখতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। রায়ে আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড এবং আল আমিন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মামুন রিভিউ আবেদন করেন।

খালাফকে হত্যার অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর আসামি সাইফুল ইসলাম মামুন, আল আমিন, রফিকুল ইসলাম খোকন, আকবর আলী লালু ও সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিচার শেষে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪।

এরপর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল আবেদনের শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আল আমিন, রফিকুল ইসলাম খোকন ও আকবর আলী লালুর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পলাতক আসামি সেলিম চৌধুরীকে খালাস দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানের কূটনৈতিক এলাকার ১২০ নম্বর রোডের ১৯/বি নম্বর বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।

এরপরে ওই বছরের ৪ জুন রাজধানীর দক্ষিণখান থানার গাওয়াইর এলাকা থেকে সাইফুল ইসলাম মামুন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও আল আমীন নামের তিনজনকে একটি রিভলবারসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তারা স্বীকার করেন যে, খালাফকে ছিনতাইয়ে বাধা দেয়ার কারণে ওই রিভলবারের গুলিতে হত্যা করা হয়। পরে খালাফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনজনই।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর