আদালত অবমাননার দায়ে বিএনপি নেতা রিজভীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি     ১ নভেম্বর থেকে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন : শিক্ষামন্ত্রী     আগামী নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে     ২০২১ সালের মধ্যে প্রতি ৫০ জনের জন্য একটি বিশুদ্ধ পানীয় জলের উৎস হবে     ২৯ অক্টোবর মতিঝিলে গণ-সমাবেশ করবে ১৪ দল     খসড়া সম্প্রচার আইন-২০১৮ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন     সফলতার পথে প্রধানমন্ত্রীর ‘বিনিয়োগ বিকাশ’ কর্মসূচি     দুর্গোত্সব শুরু আজ ষষ্ঠী    

আগেভাগেই কোরবানির সওদাপাতি

  আগস্ট ০৪, ২০১৮     ৮৮     ২:৫৪ অপরাহ্ণ     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সপ্তাহ দুয়েক পরই কোরবানির ঈদ। হাট থেকে গরু-খাসি কিনলেই ঈদের কাজ শেষ নয়। পশু জবাইয়ের পর মাংস খাওয়ার উপযোগী করতে লাগবে ছুরি, চাকু, দা, বঁটি, কুড়াল, কাঠের গুঁড়ির সাহায্য। এসব আগেভাগে কেনাকাটা করে গুছিয়ে রাখতে পারলে ভালো। রান্নার জন্যও লাগবে যথাযথ পাত্র ও মসলাপাতি। কোরবানি ঈদের আগাম কেনাকাটার খোঁজখবর দিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের সওদাপাতি :

ছুরি, বঁটি  চাপাতিতে শাণ

সমানে চলছে হাপরের ওঠানামা। কাঠ-কয়লার আগুন ফুঁসে উঠছে সেই হাপরের টানে। ফুঁসে ওঠা গনগনে সেই আগুনে পুড়ছে লোহার টুকরো। পুড়ে টকটকে লাল হয়ে ওঠা লোহায় অবিরাম হাতুড়ি মেরে তৈরি হচ্ছে দা, বঁটি, ছুরি, চাকু, চাপাতি। কারওয়ান বাজারের গোটা ত্রিশেক কামারের দোকানের বর্তমান চিত্র প্রায় একই। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বাড়বে চাকু-বঁটির চাহিদা। অনেক ফরমায়েশও এসেছে আগেভাগে। সব মিলে কামারের দোকানে এই ব্যস্ততা। গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন কারিগররা। কামার কৃষ্ণকান্ত জানান, অন্যান্য সময় ক্রেতা তেমন একটা থাকে না। তবে কোরবানি আসার এক মাস আগে থেকে চাহিদা বাড়তে থাকে। অনেকে গত বছরের ছুরি, বঁটি, চাপাতি শাণ দিয়ে দেখছে কাজ চলবে কি না। না চললে নতুন করে অর্ডার দিচ্ছে। আর চললে আগেরটাই শাণ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষ্ণকান্ত আরো  বলেন, ‘সাধারণ সময় একটা ছোট বঁটি শাণ দিতে পঞ্চাশ টাকা নিলেও ঈদের সময় ২০ টাকা বেশি নিচ্ছি। আর ছোট ছুরি শাণ দিতে নিচ্ছি ত্রিশ টাকা।’ এগুলো দিয়ে চামড়া ছিলা যায়। ছিলা ছুরির পাশাপাশি জবাই ছুরি, চাপাতি ও খাঁজ ছুরির চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। বাজার ঘুরে দেখা যায়, একটি জবাই ছুরির দাম সাত শ থেকে এগারো শ টাকা। আর চাপাতির দাম পাঁচ শ থেকে আট শ টাকা। নতুন ছিলা ছুরির দাম এক শ টাকা থেকে শুরু।

শেওড়াপাড়া থেকে কামারের দোকানে কেনাকাটা করতে এসেছেন চাকরিজীবী নাজমুল। জানালেন, ‘ঈদের আগে অন্যান্য ব্যস্ততায় ছুরি-চাপাতি কিনতে ভুল হয়ে যায়। ঈদের দিন সকালে গিয়ে ভুল যখন ধরা পড়ে তখন বেশ ঝামেলায়ই পড়তে হয়। এবার তাই আগেভাগে কিনে রাখছি।’

আরেক ক্রেতা কাঁঠালবাগানের তুহিন মাহমুদ বলেন, ‘কোরবানি দেয়া থেকে শুরু করে গরু কাটা পর্যন্ত সব কিছু নিজ হাতে করার একটা আনন্দ আছে। এ জন্য আমি কসাই না নিয়ে পরিবারের সবাই মিলে গরু ছিলা থেকে কাটা পর্যন্ত সব কিছু করে থাকি। বাড়িতে নেয়ার জন্যই চাপাতি, ছিলা ছুরি ও জবাই ছুরি কিনতে এসেছি।’

চাপাতি, ছুরি ও বঁটি

চাপাতি কেজি হিসেবে বিক্রি হয়। প্রতি কেজির দাম ৬০০-৭০০ টাকা। তিন কেজি ওজনের চাপাতির দাম ১৮০০-২১০০ টাকা। দুই কেজি ওজনের চাপাতির দাম ১২০০-১৪০০ টাকা। দেড়  কেজি ওজনের চাপাতির দাম ১০০০ টাকা। পশু জবাইয়ের সবচেয়ে বড় ছুরির দাম ৩০০০ টাকা। এরপর আছে ২০০০, ১৫০০, ১০০০, ৫০০, ৩০০ টাকা দামের বাহারি ছুরি। সবচেয়ে ভালো বড় বঁটির দাম ২০০০ টাকা। এরপর আছে ১৫০০, ১২০০, ১০০০, ৮০০, ৫০০ টাকা দামের চোখধাঁধানো বঁটি। বাজার ঘুরে নিজের পছন্দের চাপাতি, ছুরি ও বঁটি কিনে আনতে পারেন।

দেখতে সুন্দর আর হালকা বলে অনেকে বিদেশি সরঞ্জামও কিনতে চান। অনলাইন শপ ও বাজারে পাওয়া যায় পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া ছাড়াই, মাংস টুকরা করার জন্য নানা রকম ছুরির সেট। হাড় কাটার জন্য চায়নিজ কুড়ালের দাম পড়বে ৬৫০ টাকা। চাপাতি পাওয়া যাবে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকায়। কাবাব তৈরির বিভিন্ন স্টিকের মধ্যে সিঙ্গেল ৭০ আর সেট পাওয়া যাবে ৬৫০ টাকায়।

বারবিকিউ স্টিক ১৭০ থেকে ৫৫০ টাকায় পাওয়া যাবে। গরুর বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার জন্য ব্যাগ পাবেন। দাম ২০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে।

মেরামতের ব্যবস্থা

পুরনো সরঞ্জাম অনেকে এ সময় মেরামত ও ধার করিয়ে নেন। এতে প্রতিটি চাপাতি ৩০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যেই ধার করানো যাবে।

যেখানে পাবেন

কারওয়ান বাজারের কামারপট্টি, খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি, কাপ্তানবাজার, নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৬-এর ক্রোকারিজের দোকানগুলো, গুলশান এভিনিউয়ে ফিক্স ইট হার্ডওয়্যার সুপার শপ, পুরান ঢাকার চকবাজারসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাবে এসব সরঞ্জাম। ঘরে বসে অনলাইনেও অর্ডার করতে পারেন আজকেরডিল, পিকাবো, বাগডুমসহ বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে।

রান্নার আয়োজনে মসলা

ঈদ মানেই নানা খাবার তৈরির আয়োজন। দু-এক দিন নয়, বেশ কয়েক দিন ধরেই পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে চলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি। সঙ্গে চলে নানা ধরনের খাবার পরিবেশনের আয়োজন।

কোরবানির ঈদে মাংসের নানা পদ তৈরি করা হয়। কোন মসলা দিয়ে কোন মাংসের পদ রান্না করতে হবে তা নিয়ে ইন্টারনেট ঘাঁটলেই পাওয়া যায় হরেক রেসিপি। তবে ভালো রাঁধুনিদের মতে, ভালো মানের মসলাই পারে রান্নার আয়োজনকে আরো সুস্বাদু করে তুলতে। তাই দেখে-বুঝে কেনা উচিত মসলা।

মাংস রান্নার মসলা

ঈদে ঘরে-বাইরে যেখানেই যান না কেন, প্রায় সব ঘরেই চোখে পড়ে পোলাও, কোর্মা, গরুর মাংসের ভুনা, বিরিয়ানি, মেজবানি, কালোভুনা, নানা পদের কাবাব, বারবিকিউসহ নানা আয়োজন। সুস্বাদু এসব খাবারের স্বাদও নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন মসলার ওপর।

বাজারে খোলা, গুঁড়া এবং প্যাকেটে প্রায় সব ধরনের মসলাই পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত মসলার মধ্যে প্রাণ ও রাধুঁনির গুঁড়া মসলা চোখে পড়ে বেশি।

কোথায় পাবেন, কেমন দাম

অলিগলির ছোট-বড় দোকানেও মসলা পাওয়া যায়। নানা ব্র্যান্ডের মসলাগুলো এসব দোকানের তাকে ছোট ছোট প্যাকেটে থরে থরে সাজানো থাকে। বড় শহরগুলোতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সুপার স্টোরগুলোর অনেক তাক থাকে মসলার দখলে।

এ ছাড়া প্রায় সব কাঁচাবাজারে মসলা খুচরা ও প্যাকেটে পাওয়া যায়। রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজার, গুলশানের ডিসিসি মার্কেট, চকবাজারে খুচরা ও পাইকারিভাবে মসলা কিনতে পাওয়া যায়।

বেশ কয়েক পদের মসলা রয়েছে প্রাণের। বিরিয়ানি, কাবাব, গ্রিল, বারবিকিউ, কালোভুনা, মেজবানি গরুর মাংসের জন্য আলাদা মসলার প্যাকেট বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। রয়েছে আদা বাটা, রসুন বাটাও। প্রাণের মরিচ গুঁড়া ৫০০ গ্রামের প্যাকেট ২০৮ টাকা, হলুদ ৫০০ গ্রাম ১৮৫ টাকা, ২০০ গ্রাম জিরা গুঁড়া প্যাকেট ১৫৫ টাকা, এলাচ গুঁড়া ৫০ গ্রাম ৭০ টাকা, গরম মসলা গুঁড়া ২০০ গ্রাম ৬৫ টাকা, বারবিকিউ ৫০ গ্রাম মসলা ৭০ টাকা, তেহারি ৪৫ গ্রাম মসলা ৩৫ টাকায় কেনা যাবে।

রাঁধুনির প্যাকেটজাত মসলাও রয়েছে অনেক ধরনের। বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির জন্য আলাদা আলাদা প্রায় সব মসলাই বাজারে এনেছে তারা। রাঁধুরি মরিচ গুঁড়া প্রতি কেজি ৩৯০ টাকা, হলুদ কেজি ৩৩৫ টাকা, ধনিয়া এক কেজির প্যাকেট ২২০ টাকা, জিরা ৫০০ গ্রাম ৩৭৫ টাকা, গরুর কাবাব মসলা ৫০ গ্রামের প্যাকেট ৮৫ টাকা, গরুর তেহারি ৫০ গ্রাম ৪০ টাকা, বারবিকিউ ৫০ গ্রাম ৬০ টাকা, মেজবানি মসলা ৫০ গ্রামের প্যাকেট ৬৫ টাকা, গরম মসলা ২০০ গ্রাম ৭০ টাকায় পাওয়া যাবে।

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল ৫ লিটার বোতল ৫১০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল ৫৩০ টাকা, সরিষার তেল ৫ লিটার ৬৫০ টাকায় বিক্রি করছে প্রাণ।

প্যাকেটজাত মসলা ছাড়াও বাজারে হরেক ধরনের আস্ত মসলা পাওয়া যায়। গুলশানের ডিসিসি মার্কেটের (সাউথ) ৬৭ নম্বর মায়ের দোয়া বানিয়াতি স্টোরের মালিক জুলহাস জানান, আমদানির পাশাপাশি দেশের বাজার থেকে মসলা সংগ্রহ করে খুচরা ও পাইকারিভাবে বিক্রি করেন তাঁরা। দোকানটিতে এমন অনেক ধরনের মসলা রয়েছে, যেগুলো ঢাকায় অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। বাজার ঘুরে দেখা গেল মসলার দরদাম। কেজিপ্রতি সাধারণ এলাচ ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং কাঁচা এলাচ ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি ২৯০ টাকা, লবঙ্গ ৯৮০ টাকা, গোলমরিচ কালো ৬৮০ টাকা হলেও সাদা ৮২০ টাকা, আলুবোখারা ৪৫০ টাকা, হলুদ ২২০ টাকা, মরিচ গুঁড়া ২৪০ টাকা, জয়ত্রী ১৮৫০ টাকা, সাঁই জিরা ১০২০ টাকা, বড় এলাচ ১৬৫০ টাকা, বাদাম ৯০ টাকা, পাস্তা ২০০০ টাকা, কাঠবাদাম ৭৯০ টাকা, কিসমিস ৩৮০ টাকা, কাবাব মসলা ১৬০০ টাকা, তন্দুরি মসলা ১২০০ টাকা, গরম মসলা গুঁড়া ১২০০ টাকা। এ ছাড়া বারবিকিউ সস ২৪০ টাকা, একটি জায়ফল ৭ টাকা, ভিনেগার বোতল ৬৫ টাকা, ঘি আড়ংয়ের প্রতি কেজি ৯০০ টাকা এবং এক কেজি বিরিয়ানির মসলার জন্য ১২০০ টাকা খরচ হবে।

আরো যত অনুষঙ্গ

ঈদের সময় ঘরেই জমে ওঠে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে জম্পেশ আড্ডা। চার দেওয়ালের পরিবর্তে বাড়ির ছাদ বা খোলা মাঠে চলে বারবিকিউ তৈরির প্রস্তুতি। একসময় নানা কায়দা করে বারবিকিউ চুলা তৈরি করতে হলেও এখন খুব সহজেই ইলেকট্রিক মেশিনে তৈরি করা যায়। কাজের ধরনভেদে বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি ইলেকট্রিক বারবিকিউ মেশিন পাওয়া যায়। হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২৫-৩০ হাজার টাকায় এসব মেশিন কেনা যায়। মাঝারি মানের মেশিনের দাম পড়বে ১৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। খোলা কয়েল দিয়ে তৈরি মেশিনের দাম ১৫০০ টাকা হলেও কিছুটা অনিরাপদ। কয়েল ঢেকে রাখা ইলেকট্রিক বারবিকিউ মেশিন পাওয়া যাবে ২৫০০ টাকার মধ্যেই।

রয়েছে কাঠ-কয়লা দিয়ে তৈরি করা বারবিকিউ মেশিন। এগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি। এগুলোরও দামের পার্থক্য আকারভেদে। একেবারে সাধারণ এবং ছোট আকারের ৬ স্টিকের মেশিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ১২ স্টিকের ফ্যান ছাড়া মেশিনগুলোও পাওয়া যাবে হাজার টাকার মধ্যে। তবে ফ্যান লাগানো বড় মেশিনগুলোর দাম পড়বে দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। আর কয়লা পাওয়া যাবে ২০ টাকা কেজি দরে।

প্রেসার কুকার

দ্রুত মজাদার মাংস রান্না করতে জুড়ি নেই প্রেসার কুকারের। তাই কোরবানির ঈদের আগে বেড়ে যায় প্রেসার কুকারের চাহিদা। বাজারে ভারতীয়, চীনা, জাপানি ব্র্যান্ডের পাশাপাশি দেশি ব্র্যান্ডেরও প্রেসার কুকার পাওয়া যায়। চাইলে নন-ব্র্যান্ডের প্রেসার কুকারও কেনা যাবে।

প্রাণ-আরএফএলের ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড বাজারে এনেছে ভিশন টপার প্রেসার কুকার। চার থেকে পাঁচটি মডেলের প্রেসার কুকার রয়েছে ব্র্যান্ডটি। এর মধ্যে তিন লিটারের প্রেসার কুকার ১২১০ থেকে শুরু হলেও পাঁচ লিটারের দাম ১৪৯৫ থেকে ১৫৫০ টাকা, ৬ লিটার ১৬২০ এবং ৭ লিটার ১৭৭০ টাকা। এ ছাড়া তাদের আমদানি করা কুকস ব্র্যান্ডের ৬ লিটারের প্রেসার কুকারের দাম পড়বে চার হাজার ৭৪৬ টাকা, ৭ লিটার সর্বনিম্ন ৫ হাজার ৮৫ টাকা। এগুলো পুরোটাই অ্যালুমিনিয়ামের এবং ১২ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাও পাওয়া যাবে।

ভারতে তৈরি প্রেসার কুকার ব্র্যান্ডের মধ্যে কিয়াম বেশ জনপ্রিয়। কিয়ামের আড়াই লিটার ১২০০ টাকা, সাড়ে তিন লিটার ১৪০০ টাকা থেকে শুরু, পাঁচ লিটার ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা এবং সাড়ে পাঁচ লিটারের দাম ১৭৫০ টাকা। এ ছাড়া নোহা ব্র্যান্ডের আড়াই লিটার প্রেসার কুকারের দাম ১২০০ টাকা, বাজাজ তিন লিটার ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকার মধ্যে, হ্যাকিন্স লিটার ভেদে ১৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা, ওয়ালটনের মডেলভেদে ১২০০ থেকে তিন হাজার টাকা।   

রাজধানীর প্রায় সব এলাকাতেই এখন ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ডের প্রেসার কুকার পাওয়া যায়। বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্যের শোরুম, হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের শোরুমেও দেখা মেলে প্রেসার কুকারের। পাওয়া যায় বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটেও।

কাঠের গুঁড়ি ও চাটাই

কোরবানির সময় মাংস খুব সাবধানে এবং পরিষ্কার স্থানে কাটতে হয়। এ জন্য কেউ পলিথিন আবার কেউ বাঁশ বা বিভিন্ন পাতার তৈরি চাটাই ব্যবহার করেন। এগুলো সচরাচর সবখানে পাওয়া না গেলেও ঈদের রাতে পাওয়া যায় রাজধানীর আনাচকানাচে। মান ও আকারভেদে একেকটা চাটাই দেড় শ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়। মাংস কাটার অন্যতম প্রয়োজনীয় উপকরণ হচ্ছে কাঠের গুঁড়ি। তবে সব গুঁড়ি মাংস কাটার জন্য নয়। কারণ অনেক গাছের গুঁড়িতে মাংস কাটার সময় গুঁড়ি থেকে ময়লা ওঠে। মাংস কাটার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হলো তেঁতুলগাছের গুঁড়ি। বিভিন্ন আকারের এই গুঁড়ি সাধারণত ৩০০ থেকে হাজার টাকার মধ্যে কিনতে পাওয়া যায়।

উত্তরণবার্তা/এআর
 



নতুন আর্জেন্টিনা পুরনো ব্রাজিল

  সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৮     ৭৮৪১

যমজ লাল্টু-পল্টুর দাম ২০ লাখ

  আগস্ট ১২, ২০১৮     ৪৫৬৮

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৪২৭৭

পুরনো খবর