গণহত্যার কথা ফোরামে তুলবে জাতিসংঘ     এবার দেশেই হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্নের চেষ্টা : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী     ফখরুল ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা : হানিফ     ১১৭ উপজেলায় ভোট চলছে     রৌমারীতে ৩৫ হাজার মানুষের একটি ব্রীজের দীর্ঘদিনের দাবী     মক্কা-মদিনায় ক্রাইস্টচার্চের নিহতদের গায়েবানা জানাজা     মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে সরকার কাজ করছে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী     নদী তীর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান আরো জোরদার করা হবে    

দুদকের মামলার প্রত্যেক আসামিকে আইনের আওতায় আনতে হবে : ইকবাল মাহমুদ

  এপ্রিল ১২, ২০১৮     ২০০     ৭:০৪ অপরাহ্ণ     জাতীয় সংবাদ
-- ইকবাল মাহমুদ

আসামিরা মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ালে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে উল্লেখ করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত মামলার প্রত্যেক আসামিকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি আজ বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের ৫ বছর মেয়াদি (২০১৭-২০২১) কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার ২০১৮ সালের কার্যক্রমের ওপর অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় সংস্থার কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করা হয়। মামলায় যে বা যারা আসামি হবেন তাদেরকে হয় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে অথবা গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হবে। তারা যদি মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ান তাহলে দুর্নীতি প্রতিরোধে দৃশ্যমান প্রভাব জনগণের নিকট পৌঁছানো সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, দুদক বিগত দুই বছরে ছয়শতাধিক ব্যক্তি গ্রেফতার করেছে। অনেক আসামি এখনও আইনের কাছে আত্মসমর্পণ না করে মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কীভাবে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা ঘুরে বেড়ায়? দুদকের প্রতিটি মামলার প্রতিটি আসামিকে আইনের মুখোদুখি দাঁড় করাতে হবে।
কমিশনের অনুসন্ধান বা তদন্ত প্রক্রিয়ায় সময়সীমা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়ে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ইকবাল মাহমুদ বলেন, প্রতিটি অনুসন্ধান বা তদন্তেরর জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, কেউ কেউ সময়সীমা লঙ্ঘন করেন। উপযুক্ত কারণ ছাড়া কোনো অনুসন্ধান বা তদন্তে সময়সীমা লঙ্ঘন সহজভাবে নেবে না কমিশন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, গত দুই বছরে দুই হাজারেরও বেশি কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এক কর্মকর্তাকেই পাঁচ-সাতবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারপরও অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের গুণগতমান পুরোপুরি কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দুদক কমিশনার নাসিরউদ্দীন আহমেদ, সচিব শামসুল আরেফিন, মহাপরিচালক (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মো. জয়নুল বারী, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. জাফর ইকবাল প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।



সন্তানই আমার সবকিছু হবে

  মার্চ ১৯, ২০১৯     ১৭৭

পুরনো খবর