স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল আরও ৪৪৩০ টাকা     বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে লেজিসলেটিভ সচিবের শ্রদ্ধা     সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সমাজে অস্থিরতা ছড়ালে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী     জয়পুরহাটে টিকেট ছাড়া রেল ভ্রমণ, ৪৫ জনকে জরিমানা     শেখ কামালের সমাধিতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা নিবেদন     বন্যার্তদের মাঝে ১০ হাজার ৪৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে     শেখ হাসিনাকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ফোন; ৩২৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা     কোনো উসকানিতে দুই বাহিনীর সম্পর্ক নষ্ট হবে না : আইজিপি    

৭ মার্চ ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

  জুলাই ১৪, ২০২০     ৪৩     ১০:৩১     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা  ডেস্ক : প্রতি বছর ৭ মার্চ তারিখকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা এবং দিবসটি উদযাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জারিকৃত এই বিষয়ক পরিপত্রের ‘ক’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১৩ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।  গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে যোগ দেন এবং অন্যান্য মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন।  

বিকেলে বৈঠকের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রস্তাবটি এসেছে। হাইকোর্টে এ সংক্রান্ত একটি রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে যে দুটি সিদ্ধান্ত ছিল তার একটি হলো ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা এবং দ্বিতীয়টি, প্রত্যেক উপজেলাতে যেন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়।

তিনি বলেন, বর্ণিত রিটের রুলে প্রদত্ত নির্দেশনাসমূহ জন-আকাঙ্খার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিধায় ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণার বিষয়ে মতামত চেয়ে সব  মন্ত্রণালয় ও বিভাগে প্রেরিত প্রত্রের অনাপত্তি পাওয়া গেছে।

সচিব বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এদেশের স্বাধীনতার মূল প্রেরণা।  বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এর স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো ভাষণটিকে ইতোমধ্যেই ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত  করেছে।

খন্দকার আনোয়ার এ বিষয়ে আরো বলেন, অর্থ বিভাগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে জাতীয় পর্যায়ের দিবস পালনের তালিকায় ৭ মার্চকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয়ভাবে উদযাপনের সম্মতি দিয়েছে।

এর ফলে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন/পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত পরিপ্রত্রের ‘ক’ ক্রমিকে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস/আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ এর পরে ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদিত হলো।

সূত্র: বাসস

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর