যুক্তরাজ্যে মেডিকেল চেকআপ শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি     তার মুখে দুর্নীতি নিয়ে কথা মানায় না : ওবায়দুল কাদের     নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম : প্রধানমন্ত্রী     ফ্রান্সে আনন্দ-উৎসব চলছেই     উচ্চতর ডিগ্রির আসা জাগালো কারিগরির ৮৯ হাজার শিক্ষার্থী     এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন যেভাবে     দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় মিষ্টি কুমড়া     বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও তার ব্যবহার    

ফ্রান্সে থামল বেলজিয়ামের বাজির ঘোড়া

  জুলাই ১১, ২০১৮     ২৫     ১২:৩৬ অপরাহ্ণ     রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮
--

অনিন্দ্য আরিফ
এই সেমিফাইনাল নিয়ে যতটা আলোচনা ছিল; ম্যাচ শেষে তেমন তৃপ্তির ঢেকুর ওঠেনি। অথচ দারুণ এক ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় ছিল ফুটবলপ্রেমীরা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণও হয়েছে। নব জাগরণের গতি-দ্রুতি-ক্ষিপ্রতার ছোঁয়া ছিল না। যেখানেই রাজ্যের অতৃপ্তি। তবে তারুণ্যের শক্তিতে রাশিয়ায় বারুদে ম্যাচ না দেখলেও ফরাসি ফুটবলের নবজাগরণ জেগে থাকল। বেলজিয়ামের সোনালী প্রজন্মের বাজির ঘোড়া থামিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স। বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে হারিয়ে মস্কোর টিকিট পেয়ে গেল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এই নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ফরাসিরা।

অসাধারণ কিছু সেইভ, দুরন্ত কিছু একক নৈপুণ্য দেখেছে রাশিয়া। বিশেষ কের হ্যাজার্ড এবং গ্রিজম্যান দারুণ সব সুযোগ তৈরি করেছেন। হ্যাজার্ড গ্রিজম্যানকে ছাড়িয়ে গেলেও কিলিয়ান এমবাপে আবারও দেখিয়েছেন গতির ঝলক। তবে গোটা ম্যাচে নিষ্প্রভ ছিলেন লুকাকু। অন্যদিকে সুযোগ নষ্টের মহড়ায় এগিয়ে ছিলেন ফ্রান্সের জিরু।

সেন্ট পিটার্সবার্গে মঙ্গলবার শুরু থেকেই বল দখল আর আক্রমণের এগিয়ে ছিল বেলজিয়াম। ১৫ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ডের কোনাকুনি শট দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ২ মিনিট পর অপর প্রান্তে ব্লেইস মাতুইদির চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন গোলকিপার  কুর্তোয়া। ২২ মিনিটে দুর্দান্ত সেভ করে ফ্রান্সকে বাঁচান হুগো লরিস। ৩৯ মিনিটে পাভার্ডের কোনাকুনি শট দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে ফ্রান্সকেও গোল করতে দেননি কুর্তোয়া। গোলশূন্য থাকে প্রথমার্ধ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধানটা গড়ে দিয়েছেন স্যামুয়েল উমতিতি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ছিল ফ্রান্সের; দারুণভাবে। ৫১ মিনিটেই স্যামুয়েল উমতিতির গোলে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। কর্নার থেকে বল পেয়ে হেডে গোল করে যান বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার। গোল খেয়ে আক্রমণ আরও জোরদার করে বেলজিয়াম। ৬১ মিনিটে ড্রিস মের্টেন্সের থেকে ফাঁকায় বল পেয়েও সুযোগ হারান ডি ব্রুইন। ৬৫ মিনিটে ফেলাইনির হেড গোলপোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৮১ মিনিটে আক্সেল উইটসেলের বাঁক খাওয়া শট বাঁচিয়ে আবারও ফ্রান্সের ত্রাতা সেই লরিস। ম্যাচের বাকি সময় আর গোলের দেখা পায়নি কোনও দল।

টানা ২৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হারের স্বাদ পেয়েছে বেলজিয়াম। ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দেখা গেছে, যে দল ব্রাজিলকে হারায়, তারা ফাইনাল খেলে। কিন্তু ফ্রান্স সেই পরিসংখ্যানও বদলে দিয়েছে। ১৯৮৬-র পর সেই সেমিফাইনালেই থমকে গেল বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের দৌড়। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে শেষবার ফাইনালে ইতালির কাছে টাইব্রেকারে হেরেছিল ফরাসিরা। রাশিয়ার দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু ১৯৯৮-র বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
এই ম্যাচটিকে ঘিরে বোদ্ধা পর্যায়ে যে হিসাব-নিকাশ ছিল; তা পাল্টে গেছে। বড় দলগুলো তাদের কৌশল পরিবর্তন করেছে। গোল করার পর আগলে রাখছে রক্ষণদূর্গ। ফলে গোল হয়ে উঠছে মরীচিকা।
উত্তরণবার্তা/আসো



রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৩৯৭১

আমের কেজি ৭ টাকা

  জুন ২৭, ২০১৮     ১৪৭৬

পুরনো খবর