রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর     জাপানে মার্কিন নৌঘাঁটি লকডাউন     স্থানীয় সরকারকে ঢেলে সাজানোর চিন্তা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী     একনেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন     অধিদপ্তরের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো সমস্যা নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী     সুফিয়া হায়দার চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক     পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ঢাকায় আনা হয়েছে     ভার্চুয়ালি আপিল বিভাগে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম চলবে ১৯ জুলাই থেকে    

বিজিবিতে চারটি অত্যাধুনিক ইন্টারসেপটোর জলযান সংযোজন

  জুন ০৩, ২০২০     ৭০     ১৫:৫৪     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি) তে সংযোজিত হয়েছে ৪টি অত্যাধুনিক দ্রুত গতিসম্পন্ন ইন্টারসেপটোর জলযান।

সিলভারক্রাফট ৪০ মডেলের রিইনফোর্সড পলিমারের তৈরি ৪০ ফুট দীর্ঘ ৭৫০ হর্সপাওয়ারের তিন ইঞ্জিনের প্রতিটি জলযান ৩৩ জন সৈন্য ধারণে সক্ষম এবং এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৫ নটিকাল মাইল বা ১০১ কিলোমিটার। এই জলযান সমূহ যেকোন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় চলাচলে সক্ষম এবং এতে সংযোজিত আছে স্বয়ংক্রিয় মেশিনগান সংযুক্তির সুবিধাসহ উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশন সিস্টেম (RADAR), চতুর্থ প্রজম্মের জিপিএস, আধুনিক সোনার সিস্টেম (SONAR) এবং আরও অনেক অত্যাধুনিক সরঞ্জাম। এই জলযানসমূহ নিজস্ব অবস্থান হতে ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে শত্রু জলযান এর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। এই জলযানসমূহে দুইজন মুমুর্ষ রোগী পরিবহনেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

বাংলাদেশের ৪,১৮৪ কিলোমিটার স্থল সীমান্তের পাশাপাশি ভারতের সাথে ১৮০ কিলোমিটার নৌ সীমান্ত এবং মায়ানমারের সাথে ৬৩ কিলোমিটার নৌ সীমান্ত বিজিবি প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং টহল করে। এছাড়াও ২০১৯ সাল হতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর স্থলভাগের সার্বিক নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত হয়। বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় সীমান্তবর্তী নাফ নদী। আন্তঃদেশীয় অপরাধীদের নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন, মানবপাচার, চোরাচালান, ইয়াবাসহ মাদক পাচারে চোরাকারবারীদের অপতৎপরতা বৃদ্ধি এবং চলমান রোহিঙ্গা পরিস্থিতির কারণে নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্ত কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অপরদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সাতক্ষীরার নীলডুমুরের সুন্দরবন অংশের গহীন অরণ্যের বাংলাদেশ-ভারত জলসীমান্ত এলাকায়ও অনুরূপ চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান।
বাংলাদেশের নৌ সীমান্তে বিশেষ করে মায়ানমার সীমান্তের সেন্টমার্টিন দ্বীপ, নাফ নদী এবং ভারত সীমান্তের নীলডুমুরে ও সুন্দরবনের গহীন অরণ্যের জলসীমান্তে আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক পাচার রোধ ও চোরাচালান বন্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাথে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত, অধিক সৈন্য বহনে সক্ষম দ্রুতগতির এই জলযান বিজিবি'র সক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে। তাই, সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর সুরক্ষা নিশ্চিত কল্পে, বাংলাদেশে বিজিবি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য বিজিবি’তে সংযোজিত অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এ জলযানগুলো দেশের সীমান্ত এলাকার নদী পথগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ করে সীমান্ত অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, ইয়াবাসহ মাদক পাচার ও চোরাচালান বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

উত্তরণবার্তা/সাব্বির



পুরনো খবর