‘স্বপ্ন’ প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী     প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা উপলক্ষে যান চলাচল ও পার্কিংয়ে ডিএমপি’র নির্দেশনা     প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের গণসংবর্ধনা আগামীকাল     জনসমর্থনের ‘জোয়ার’ দেখছেন সেতুমন্ত্রী     জামালপুরে ট্রাক উল্টে নিহত ৩     লঘুচাপের ফলে বাড়ছে গরম, দু-এক দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা     যুক্তরাজ্যে মেডিকেল চেকআপ শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি     তার মুখে দুর্নীতি নিয়ে কথা মানায় না : ওবায়দুল কাদের    

এসডিজি বাস্তবায়ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বাংলাদেশ

  জুলাই ০৫, ২০১৮     ২০     ৫:২৫ অপরাহ্ণ     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদকঃ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এমডিজির মতো এসডিজি যথা সময়ে বাস্তবায়ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এসডিজি অর্জনের টার্গেট বাস্তবায়নে আমরা অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ প্ল্যানিং কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের প্লিনারি  সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যথা সময়ে এমডিজি অর্জন করে বাংলাদেশ জাতিসংঘে পুরষ্কৃত হয়েছে। জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য ১৭টি গোলস, ১৬৯টি টার্গেট এবং ২৪১টি ইন্ডিকেটর নির্ধারণ করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০১৫ সালে এসডিজি অর্জনে কাজ শুরু করে। প্রথম মেয়াদের কাজ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল চলবে মধ্য মেয়াদের কাজ এবং ২০২০ থেকে ২০৩০ সাল চলবে দীর্ঘ মেয়াদের কাজ। এসডিজির মধ্যে সুনির্ষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সব ধরনের দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ক্তুক্ত করে সুষম উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে যেসব টার্গেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশকে বর্তমানে বিশ্বের ৩২তম অর্থনৈতিক শক্তি উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২৮তম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২টি লক্ষ্য নির্ধারণ করে সংগ্রাম করেছিলেন। একটি বাঙালি জাতির মুক্তি অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা, অপরটি অর্থনৈতিক মুক্তি অর্থাৎ দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করা। বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছেন। আজ তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা বিনির্মাণের কঠোরভারে কাজ করে সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ৭.৬৫ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। মানুষের মাছাপিছু আয় এখন ১৭৪৫ মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসিভুক্ত হয়।

‘বাংলাদেশ ১৯৭২-১৯৭৩ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। এ বছর ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজট পাস করা হয়েছে। এক সময় ছিল বৈদেশিক সাহায্যের ওপর বাজেট প্রণয়ন করা হতো, আজ আমরা নিজস্ব অর্থেই বাজেট ঘোষণা করছি’, বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ১৯৭২-১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ মাত্র ৩টি পণ্য পাট, চা ও চামড়া রপ্তানি করে আয় করতো ৩৪৮ কোটি টাকা, গত বছর বাংলাদেশ ৭৭২টি পণ্য ১৯৯টি দেশে রপ্তানি করে আয় করেছে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যারা বাংলাদেশকে এক সময় তলাবিহীন ঝুড়ি ও বিশ্ব দরিদ্র দেশের মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল, আজ তারাই বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের হার ২৪.৮ ভাগ এবং হত দরিদ্র মানুষের হার ১১.৯ ভাগে নেমে এসেছে। এসডিজি অর্জনের মধ্যদিয়ে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান। আরো বক্তব্য রাখেন প্ল্যানিং কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সিনিয়র সচিব ড. সামছুল আলম।
(উত্তরণ/আইস)



ফের কমল স্বর্ণের দাম

  জুলাই ২০, ২০১৮

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৩৯৭৬

আমের কেজি ৭ টাকা

  জুন ২৭, ২০১৮     ১৪৭৭

পুরনো খবর