যুক্তরাজ্যে মেডিকেল চেকআপ শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি     তার মুখে দুর্নীতি নিয়ে কথা মানায় না : ওবায়দুল কাদের     নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম : প্রধানমন্ত্রী     ফ্রান্সে আনন্দ-উৎসব চলছেই     উচ্চতর ডিগ্রির আসা জাগালো কারিগরির ৮৯ হাজার শিক্ষার্থী     এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন যেভাবে     দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় মিষ্টি কুমড়া     বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও তার ব্যবহার    

আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন, আশায় বুক বাঁধছেন ১৪ দলের শরিক নেতারা

  জুলাই ০২, ২০১৮     ৪৬     ১০:১০ পূর্বাহ্ন     রাজনীতি
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : আগামী নির্বাচনেও জোটগতভাবে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এ ঘোষণায় নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন ১৪ দলের শরিক নেতারা। তারা মনে করছেন, আগামী নির্বাচনে আরও অধিকসংখ্যক আসন দেয়া হবে তাদের। এ লক্ষ্যে যার যার মতো তৎপরতাও শুরু করেছেন তারা।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রগতিশীল এ জোটটির একাধিক শরিক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনে অধিকসংখ্যক মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম তাদের আশ্বাস দিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৭ মে গণভবনে জোট নেতাদের সাক্ষাৎকালে তাদের আশ্বাস দেয়া হয়। এদিন প্রধানমন্ত্রী জোটের শরিক নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে যেসব নেতার এলাকায় জেতার মতো অবস্থান আছে তাদেরকে মনোনয়নের জন্য বিবেচনা করা হবে।

ওই নেতা আরও বলেন, সে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ২৩ জুন দলের বর্ধিত সভায়ও বলেন, আওয়ামী লীগ বন্ধুহীন হবে না। আগামীতেও জোটগত নির্বাচন করবে। এর পরদিনই জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সংসদ ভবনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন জোটের নেতারা। সেদিন তারা আবারও আসন ফয়সালার বিষয়টি তোলেন। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একই আশ্বাস দেয়া হয়। বলা হয়, যার যার নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান আছে, জেতার মতো শক্তি ও ভোট আছে তাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হবে।

এ বিষয়ে জাসদ একাংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তাদের মাঝে এমন আলোচনা হয়েছে। জোটের বৈঠকেও বারবার একই আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তবে কোন দলকে কত আসন দেয়া হবে সেটা এখনও ফয়সালা করা হয়নি।

জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচন অবশ্যই জোটগতভাবে হবে। শরিক দলগুলো কে কত আসন পাবে সেটা নির্ভর করবে নির্বাচনের গতি-প্রকৃতির ওপর। কেননা যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে তখন এক রকম পরিবেশ, আবার অংশ না নিলে অন্যরকম পরিবেশ বিরাজ করবে। কাজেই নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই বলা যাবে কে কত আসন পাচ্ছে। তবে, এ বিষয়ে একটা কথা চূড়ান্তভাবে বলা যায়, যাদের নির্বাচনে জেতার সামর্থ্য আছে শুধু তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে। এটা যেমন দলে অনুসরণ করা হবে তেমনি জোটের ক্ষেত্রেও মেনে চলা হবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে এখন ১১টি দল আছে। বেশ কিছুদিন ধরেই তারা জোটের কে কে মনোনয়ন পাবেন সে বিষয়টি ফয়সালার দাবি জানিয়ে আসছে। শরিকরা মিলে প্রায় ৬০টি আসনের দাবি জানিয়েছে। গত নির্বাচনে শরিকদের মধ্যে ১৬ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি (জেপি), ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, তরিকত ফেডারেশনের সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আর জাসদ একাংশের (আম্বিয়া) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন।

জোট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওয়ার্কার্স পার্টি এবার ১৫টি আসন প্রত্যাশা করছে। বর্তমান সংসদে এর সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাসহ ছয়জন এমপি আছেন। জাসদ একাংশ (ইনু) আশা করছে ১০ থেকে ১২টি, আরেকাংশ (আম্বিয়া) চায় ৮ থেকে ১০টি। দুই জাসদ মিলিয়ে বর্তমান সংসদে পাঁচজন এমপি। তরিকত ফেডারেশন বর্তমান দুটিসহ ১০টি আসন প্রত্যাশা করে। এ দলটির সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারি ও সাবেক মহাসচিব এমএ লতিফ এমপি। জেপি চায় দুটিতে। এর চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি। জোটের আরেক শরিক সাম্যবাদী দল চায় দলীয় সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার চট্টগ্রাম-১ আসনসহ অন্তত ৩টি আসন। গণতন্ত্রী পার্টি চায় দলের সভাপতি ব্যারিস্টার আরশ আলীর সিলেট-১ আসনসহ ১০টির বেশি আসনে মনোনয়নের নিশ্চয়তা। কমিউনিস্ট কেন্দ্র চাইছে দলের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. অসীত বরণ রায়ের জন্য দুটি আসন। এ ছাড়া ন্যাপ, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি এবং বাসদ (রেজাউর)-সহ শরিক অন্য দলগুলো মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে ‘যথাযথ মূল্যায়ন’ আশা করছে আওয়ামী লীগের কাছে।

উত্তরণবার্তা/এআর

 
 



রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সূচি

  জুন ০৬, ২০১৮     ৩৯৭২

আমের কেজি ৭ টাকা

  জুন ২৭, ২০১৮     ১৪৭৬

পুরনো খবর