আরো ৭ দেশের সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচল শুরু করছে চীন     ব্রাজিলে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়ালো     জুন থেকে কলম্বিয়ায় করোনার বিধিনিষেধ শিথিল     দেশে করোনা চিকিৎসায় প্রয়োগ হচ্ছে রেমডেসিভির     করোনা চিকিৎসায় এবার গাউচার রোগের ওষুধ     লকডাউন শিথিল করা মানে এই নয়, অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করবো : তথ্যমন্ত্রী     দুর্যোগে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থানই বিএনপির রাজনীতি: ওবায়দুল কাদের     বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩ লাখ ৫৩ হাজার    

বঙ্গবন্ধুকে আমার প্রথম দেখা

  মার্চ ২১, ২০২০     ২৪২     ১৭:৪৮     প্রবন্ধ
--

সাইদ আহমেদ বাবু : মনে পড়ে কৈশোরের স্মৃতি। আমার স্মৃতির মণিকোঠায় এখনও জ্বলজ্বল করে। ঊনসত্তরের ২২ ফেব্রুয়ারির কথা। আজও সেই উত্তেজনার স্মৃতি মনে পড়লে রোমাঞ্চ জাগে। ওই দিন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তি পান শেখ মুজিবুর রহমান। তখনও ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে পরিচিত হননি, শেখ মুজিব নামেই তখন দেশব্যাপী পরিচিত ছিলেন। সেদিন সকালে আমরা মিছিলে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের সড়কে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে পার্কে বসে আছি। আগের দিন ছিল ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ ভাষা দিবস, তার ওপর দেশে আন্দোলন, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়ক একেবারে ফাঁকা, কাকপক্ষীও নেই। জনশূন্য রাস্তা, আনুমানিক সকাল ১০টা বা সাড়ে ১০টা হবে। তখনই দেখতে পেলাম আর্মির ৫টি গাড়ি খুব জোরে ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িটির সামনে এসে থেমে গেল। প্রতিটা গাড়ি থেকে আর্মিরা ঝটপট নেমে এলো। তাদের দেখে আমরা কিছুটা ভয় পাই, আগে কখনও কাছ থেকে এত আর্মি দেখিনি। তারা একজন দীর্ঘদেহী সুদর্শন পুরুষকে মাঝের একটি গাড়ি থেকে নামিয়ে বাড়ির গেটে পৌঁছে দিয়ে ঝড়ের বেগে মিরপুর রোড দিয়ে ক্যান্টনমেন্টের দিকে চলে গেল। খবরের কাগজে ছবি দেখেছি, তাই শেখ মুজিবকে চিনতে ভুল হলো না। তাকে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য আমরা মিছিলে স্লোগান দিই! কৌতূহলবশত বিনা বাধায় বাসার ভেতর ঢুকে গেলাম। সামনে গিয়ে স্লোগান দিলাম ‘আমার নেতা, তোমার নেতা, শেখ মুজিব, শেখ মুজিব’। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করে আমাদের থামিয়ে দিলেন। আমাদের বয়স দেখে হয়তো অবাক হয়েছেন। দারোয়ানের কাছে জানতে চাইলেন, বাচ্চারা কারা? দারোয়ান বললেন, কামাল ভাইয়ের সঙ্গে মিছিলে যাওয়ার জন্য এসেছে। সে-সময় কামাল ভাই ও হাসিনা আপা বাসায় ছিলেন না। আমি সালাম দিলাম। তিনি হেসে সালামের জবাব দিলেন এবং কাছে ডেকে আমাদের সবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আন্দোলনের ওই দিনগুলোতে আমি সবে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হয়েছি। লেক সার্কাস কলাবাগানে আমাদের বাসা। এখানেই আমার শৈশব-কৈশোর কাটে, বাসা থেকে ৩২ নম্বর মিরপুর সড়কে রাসেল স্কয়ার দেখা যায়। বর্তমানে নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ, তখন সেখানে ছিল ও.কে. স্পোর্টসের কারখানা, পান্থপথ রাসেল স্কয়ার ছিল ধানমন্ডি লেকের অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার খাল। সেদিন থমথমে অবস্থা। রাস্তায় খুব একটা গাড়ি চলাচল নেই বললেই চলে। আর্মির গাড়ি বঙ্গবন্ধু বাসা থেকে ফিরে যেতে দেখে মিছিল করার জন্য সেদিন শুক্রাবাদে যারা অপেক্ষায় ছিল, তাদের মধ্যে কিছু মানুষ কৌতূহলবশত দৌড়ে বাসার দিকে যেতে লাগলেন। শেখ মুজিব দোতলায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আবার নিচে নেমে এলেন। আমরা যারা গেটের ভেতর ঢুকেছিলাম তারা বের হয়ে গেলাম। এর মধ্যে ঢাকা শহরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খবর হয়ে গেল, শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তির পর বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেছে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাড়ির সামনে হাজার হাজার মানুষ। সেদিন সকালে বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে ও ছেলে ক্লাসে ছিল, মুক্তির খবর শুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখ হাসিনা বাসায় চলে আসেন, আর শেখ কামালের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ থেকে হাজার হাজার ছাত্রের বিশাল মিছিল এসে পুরো রাস্তা ভরে গেল। ছাত্রদের ভিড়ে অনেকে পার্কের ভেতর গাছে, দেয়ালে উঠে গেল শেখ মুজিবকে এক পলক দেখার জন্য। এর কিছুক্ষণ পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় থেকে ছাত্রদের আরেকটি বড় মিছিল এলে সেখানে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। শেখ মজিবুর রহমান গেটের ভিতর থেকে দাঁড়িয়ে হাত নাড়িয়ে মিছিলকে অভিবাধন জানাচ্ছেন। বাড়ির দ্বিতীয়তলার বারান্দায় বড় মেয়ে শেখ হাসিনা শাড়ি পরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে মিছিলের মানুষ দেখছিলেন। এভাবে ঢাকা শহর থেকে শত শত মিছিল এসে সেদিন শেখ মজিবুরের বাসা ও ৩২ নম্বর সড়ক ও আশপাশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ট্রাকে চড়ে শিল্পীদের একটি মিছিল এসেছিল। শিল্পীরা মাইকে দেশাত্মবোধক গান গাইছিল, তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘জয় বাংলা’র গান গাইতে বললেন, সেখানে সবাই মিলে গাইতে শুরু করলেন জয় বাংলার গান। কিছুক্ষণের মধ্যে আনন্দে, স্লোগানে স্লোগানে, বজ্রকণ্ঠে চারদিক মুখরিত ও আন্দোলিত হলো। ৫০ বছর আগে এই বিশেষ দিনটিতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার কণ্ঠের সঙ্গে আমিও কণ্ঠ মিলিয়েছিলাম ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের সাথে। দুপুরের সময় ছাত্রনেতারা ঘোষণা দিলেন শেখ মুজিবুর রহমানকে পল্টন ময়দানে সংবর্ধনা দেওয়া হবে, তাই দুপুরে বাসায় চলে আসি। বিকেলে এসে জানতে পারি আগামীকাল সংবর্ধনা হবে। তিনি শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন, তখনও বাড়ির রাস্তায় মিছিল আর মিছিল, স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও মিরপুর রোড। পরের দিন ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সদ্য মুক্ত বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে বিপুল সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল, বাংলার ইতিহাসে তা আর দ্বিতীয়টি নেই। ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ তাকে সেই সভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ডাকসু’র ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ এই প্রস্তাব করলে লাখ লাখ জনতা হাততালি দিয়ে সমর্থন করেন। সেই সংবর্ধনায় আমারও উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের এই বাড়িটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনার নীরব সাক্ষী। এই বাড়িতে শেখ মুজিবুর রহমান থেকে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়েছেন। আমি এই বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম দেখি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম দেখার সেই স্মৃতির সঙ্গে আর কোনো কিছুর তুলনা হয় না। ঊনসত্তরে ছাত্র-হত্যার প্রতিবাদে তখন প্রতিদিন মিছিল হতো মিরপুর সড়কে। বঙ্গবন্ধু ভবন ৩২ নম্বর সড়ক থেকে শেখ কামালের নেতৃত্বে ছাত্র-হত্যার প্রতিবাদে একটি মিছিল বের করা হলো, সেই মিছিলে আমরা অংশগ্রহণ করলাম। শুক্রাবাদ থেকে সোবানবাগ হয়ে ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাই স্কুলে গেলে, আমার মেজোভাই ফারুক ও কলাবাগানের আজিজ ভাই গভ. বয়েজ হাই স্কুলের ছাত্র এবং শেখ কামালের কর্মী, তারা দুজনে অন্য ছাত্রদের নিয়ে ক্লাস বর্জন করেন, মিছিলে যোগ দেন। শেখ কামালের সাথে মিছিলে স্লোগান দিতে দিতে গভ. ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে প্রবেশ করি। স্কুলের ছাত্ররা মিছিলে যোগ দিতে চাইলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের মিছিলে বের হতে দেয়নি। মিছিল তখন স্কুলের গেটের বিপরীত দিক দিয়ে ঢাকা কলেজে প্রবেশের সাথে সাথে শত শত ছাত্র মিছিলে যোগ দিল। তখন ঢাকা কলেজে শেখ কামাল ছাত্রলীগের নেতা, বেশ প্রভাব ছিল। অল্প সময়ের মধ্যে হাজার হাজার ছাত্র মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশাল মিছিল নিয়ে পুরান ঢাকার দিকে সদর ঘাটের ভিক্টোরিয়া বাহাদুর শাহ পার্কে পৌঁছাল। মিছিল যাওয়ার পথে আশপাশের স্কুল-কলেজ থেকে শত শত ছাত্র-জনতা আমাদের মিছিলে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে আবার মিছিল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও মিরপুর সড়কে গিয়ে শেষ হয়। এভাবে শেখ কামালের নেতৃত্বে প্রায়ই প্রতিবাদী মিছিল বের হতো। সেই মিছিলে অংশগ্রহণ করা ছিল আমাদের আনন্দ। নিয়মিত মিছিলে অংশগ্রহণ করতে থাকায় আমরাও শেখ কামালের পরিচিত হয়ে গেলাম। ঐ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতারা বিশ্ববিদ্যালয়েই মিছিল নিয়ে ব্যস্ত থাকত। ঢাকা কলেজ ও তার আশপাশের স্কুল-কলেজের মিছিলে শেখ কামালই নেতৃত্ব দিতেন। ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস প্রভাতফেরিতে আজিমপুর কবরস্থান ও শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুল দিয়ে আসি। ঐদিন বিকেলে পল্টনে বিশাল জনসভা। কলাবাগান থেকে বড় মিছিল যায়, সাথে আমরাও যাই। সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক লোক মিছিল নিয়ে হাজির হয়। ছাত্রনেতারা পাকিস্তান সরকারের প্রতি শেখ মুজিবুর রহমানকে নিঃশর্তভাবে মুক্তিদানের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেয়। জনসভা থেকে ফেরার পথে ভাবছি শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য আগামীকাল কামাল ভাই মনে হয় সবচেয়ে বড় মিছিল বের করবে। তাই সকালে মিছিলে অংশগ্রহণ করার জন্য বঙ্গবন্ধু ভবনের গেটের বিপরীত দিকে পার্কে বন্ধুরা বসেছিলাম। এই বাংলাদেশের স্বপ্ন ধীরে ধীরে জাগিয়ে তোলেন বঙ্গবন্ধু, গণমানুষের আবেগকে, হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো বঙ্গবন্ধু সারা জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু আজীবন স্বপ্ন দেখেছেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের। স্বাধীনতা সংগ্রাম এই আবেগের চূড়ান্ত বিস্ফোরণ। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধের দেয়াল ভাঙতে ভাঙতে অগ্রসর হয়েছেন বঙ্গবন্ধু। চূড়ান্ত বিজয়ে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠা পায় বাংলাদেশ। স্মৃতিচারণ এর মধ্য দিয়ে আমার স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু অম্লান থাকবেন চিরকাল। আমার শৈশব স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু বেশ স্পষ্ট। যে বাংলাদেশের মানুষকে বঙ্গবন্ধু ভালোবাসতেন, একটু বেশি ভালোবাসতেন। তারা যে তার কোনো ক্ষতি করবে তা ভাবতে পারেননি, বিশ্বাসঘাতক ছদ্মবেশী প্রিয়জনদের গুলিতে তার এবং তার পরিবারের একাধিক সদস্যের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড আমাদের সময়ের মধ্যে ঘটেছে। ইতিহাসের নানা গৌরবগাঁথা তৈরি হয়, আবার তার পাশাপাশি নানা অক্ষয় কলঙ্কের দাগ পড়ে। যারা সেই কলঙ্কের স্রষ্টা, মানুষের গভীর ঘৃণায় তারা কখনও শাস্তি পায়, কখনও পায় না। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় তারা চিরকাল কালো দাগেই চিহ্নিত হয়ে থাকে। ঘাতকরা বারবার ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সে চেষ্টা সফল হয়নি, সগৌরবে নিজের আসনে আসীন, তিনি আছেন বাংলাদেশের ১৬ কেটি মানুষের হৃদয়ে। শেখ মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, আজ থেকে তিনি বিশ্ববন্ধু বটে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আমার মেজোভাই ফারুক ও আজিজ ভাই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ফারুক ভাই ২ নম্বর সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলাযুদ্ধে আহত হন। ১৯৭১-এ স্বাধীনের পর ছয় মাস ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা ভালো হন। শেখ কামাল হাসপাতালে খোঁজখবর নিতেন। ফারুক ভাই স্কুল-কলেজ থাকাবস্থায় লেখালেখির অভ্যাস ছিল, সে-কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ে বাংলা বিভাগে অনার্সে ভর্তি হলে শেখ কামাল বলেন, তোকে আমাদের ডিপার্টমেন্টে দরকার, তুই আমার বিভাগ সমাজবিজ্ঞানে চলে আয়। কামাল ভাইয়ের আগ্রহে বাংলা বিভাগ চেঞ্জ করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে চলে আসেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকা প্রবাসী, প্রবাসে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ফারুক ওয়াহিদ নামে লেখালেখি করেন। স্বাধীনতার কয়েক বছর পর কলাবাগান মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট হতো। মাঠের উত্তর দিকের গোলপোস্টের পাশে বসে শেখ কামাল খেলা দেখতেন এবং খেলোয়াড় বাছাই করতেন। আমরাও তার সঙ্গে খেলা দেখতাম। খেলা শেষে কামাল ভাইয়ের সাথে তার বাড়ি পর্যন্ত যেতাম, আমাদের বলতেন সকালে আবাহনী ক্লাবের চলে আসিস। বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড় এনেছি। প্রাকটিস দেখতে চলে আসিস। মাঝে মাঝে ভোরে, বিকালে আবাহনী ক্লাবে কামাল ভাইয়ের সাথে খেলা দেখতাম।

লেখক : সদস্য, বাংলদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক উপ-কমিটি



‘বেঁচে আছি- এটাই বড় ঈদ’

  মে ২৮, ২০২০     ১২

পুরনো খবর