পরপর চারজন সংসদ সদস্যের মৃত্যু অত্যন্ত কষ্টের : প্রধানমন্ত্রী     মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের বিশেষ নির্দেশনা     বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ভারত অগ্রাধিকার দেয়: প্রেসিডেন্ট কোবিন্দ     পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে একটি দেশ ও জাতির মর্যাদা নির্দেশক : রাষ্ট্রপতি     ই-পাসেপোর্ট সংযোজিত হলে সেবা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে : প্রধানমন্ত্রী     ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন আগামীকাল     সিটি নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি অধিক সুবিধা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী     ইভিএম হচ্ছে নির্বাচনে ভোট দেয়ার আধুনিক পদ্ধতি : তাপস    

ছাত্ররা না বুঝেই বিক্ষোভ করছে : মোদি

  জানুয়ারি ১৩, ২০২০     ২৫     ১৩:০৩     বিদেশ
--

উত্তরণবার্তা আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে যে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করছেন, তারা আসলে আইন না বুঝেই এসব করছেন।

রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য কোনো মহল থেকে তাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন মোদি। খবর এনডিটিভির।

পশ্চিমবঙ্গের বেলুড় মঠে এক ভাষণে রোববার তিনি যখন এ কথা বলেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর দুদিনের কলকাতা সফরের বিরোধিতা করে সারা দিনরাত কলকাতার রাজপথে অবস্থান করছিলেন শত শত ছাত্র এবং নাগরিকত্ব আইনবিরোধী প্রতিবাদকারীরা।

কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে যখন শত শত ছাত্রছাত্রী, তরুণ, যুবক এবং বহু সাধারণ মানুষ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভে রাত জাগছেন, তার মধ্যেই মোদি এক ভাষণে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের পক্ষে নিজের মত আবারও জানানোর জন্য বেছে নিলেন জাতীয় যুব দিবসের ভাষণ মঞ্চ।

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে কলকাতার কাছেই বেলুড় মঠে ওই ভাষণে তিনি বলেন, দেশে, বিশেষ করে যুবসমাজের মধ্যে এখন একটা চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ।

এই আইনটি কী, কেন এই আইন আনা জরুরি ছিল- সে ব্যাপারে যুবসমাজের মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি করে দেয়া হয়েছে। যুবসমাজের অনেকে এটি বুঝছে না।

এর পরই তিনি একে একে ব্যাখ্যা করেন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তৈরি হওয়া পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপরে ৭০ বছর ধরে কীভাবে অত্যাচার হয়েছে।

সে দেশের সংখ্যালঘু মা-বোনেদের কীভাবে ইজ্জতহানি হয়েছে এবং শুধু যে সেসব কথিত অত্যাচারের শিকার হওয়া মানুষকেই ভারতের নাগরিক হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে, কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার জন্য এই আইন নয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণ শুনতে হাজির হওয়া মানুষদের প্রশ্ন করেন, দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে যেসব মানুষ ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে অত্যাচারিত হয়ে ভারতে চলে এসেছেন, তাদের কি মরার জন্য সে দেশে ফেরত পাঠানো উচিত?

এ সময় সমস্বরে কয়েক হাজার ছাত্র-যুবক তার বক্তব্য সমর্থন করেন।

উত্তরণবার্তা/এআর



আসছে টমটম!

  জানুয়ারি ২২, ২০২০

পুরনো খবর