জিসিসি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ উপকরণ বিতরণ শুরু     সিইসির সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ     মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে হচ্ছে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ     টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে নিহত ৪     প্রস্তুত গাজীপুর রাত পোহালেই ভোট     ইসি গাজীপুর সিটিতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ     বেকার সমস্যা নিরসনে ৯ বছরে সরকারি চাকরিতে ৬,১১,১৮৪টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে : সৈয়দ আশরাফ    

বোতাম টিপলেই নেমে আসছে শয়তান!

  জুন ১০, ২০১৮     ৪০     ১২:১৩ অপরাহ্ণ     শিক্ষা
--

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : খ্রিস্টান ধর্মের সর্বোচ্চ গুরু পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই ইন্টারনেট হচ্ছে এই মুহূর্তে শয়তানবাদীদের অবাধ বিচরণক্ষেত্র। যেখানে সেখানে শয়তান উপাসনা, ডাকিনীবিদ্যা চর্চা ও কালো জাদু বিদ্যাচর্চার ওয়েবসাইট। খবর: এবেলার।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পোপ ফ্রান্সিস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বে শয়তান উপাসনা ও কালো জাদুর চর্চা সাংঘাতিক রকমে বেড়ে চলেছে। এর জন্য দায়ী ইন্টারনেট। এই বিপদকে সামলানোর জন্য প্রয়োজন অনেক বেশি সংখ্যায় এগজরসিস্ট।

পোপের এই বক্তব্য সমর্থন করেছেন খ্যাতনামা মার্কিন মনোবিদ রিচার্ড গ্যালাঘার।

তবে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানবাদীরা এনিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করছেন। তাদের ভাষ্য, একবিংশ শতকে এমন আজগুবি কথা কী করে মেনে নেয়া যায়, তা তারা ভেবে পাচ্ছেন না।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা এ কথা কিছুতেই বুঝতে চাইছেন না যে, রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টধর্মের গোড়াতেই রয়েছে ‘শয়তান’-এর উপস্থিতি। ঈশ্বর থাকলে শয়তানও থাকেন। না হলে লীলা পোস্টাই হয় না। এ কথা গত শ-তিনেক বছর ধরে বোঝাতে চাইলেও বিজ্ঞানবাদীরা বোঝেন না।

তবে যে যা-ই বলুক, ইন্টারনেট যে শয়তানের স্বর্গরাজ্য, তা আসলেই সত্যি। অন্তর্জালের আনাচকানাচ খাপ পেতে বসে রয়েছে শয়তান স্বয়ং। না, এর জন্য ডার্ক বা ডিপ ওয়েব পর্যন্ত যেতে হবে না। সারফেস ওয়েবেই শয়তানি জমজমাট।

পশ্চিমের বিখ্যাত ‘চার্চ অফ স্যাটান’ থেকে শুরু করে সে দেশের উইচক্র্যাফট শিক্ষা- সব কিছুরই ওয়েবসাইট রয়েছে। যার যেখানে ইচ্ছে, সেখানেই ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কোনো মানা নেই। আসলে নেট-বিশ্বে কে কার গার্ডিয়ান?

‘চার্চ অব স্যাটান’ জানায়, শয়তান আমাদের জাগতিক চাহিদাগুলো দ্রুত পূরণের আশ্বাস দেয়। ফলে দূরবর্তী, ধোঁয়াটে ঈশ্বরের চাইতে তিনি ঢের বেশি কাছের। ফলে শয়তানের উপাসনা ঈশ্বরের চাইতে অনেক বেশি জরুরি।

চার্চ অফ স্যাটান-এর মেম্বারশিপ পেতে হলে অনেক টাকা গুনতে হবে। সে টাকা কোথায় যাবে, কী হবে তা দিয়ে, তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই। টাকা যেখানেই যাক, চার্চ যে মেনস্ট্রিম খ্রিস্টধর্মকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছোড়ে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

ওয়ার্ল্ড অফ উইক্কা’ আরেকটি ওয়েবসাইট। যেখানে প্রাচীন উইক্কা দর্শনের চর্চা চলে নিরন্তর। ‘উইক্কা’ শব্দটি এসেছে ‘উইচ’ শব্দ থেকে। প্রাক-খ্রিস্টান এই চর্চার অনেক কিছুকেই ‘কালো জাদু’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল রোমান চার্চ। প্রাচীন যুগের শেষ থেকে মধ্যযুগজুড়ে চলে ইনকুইজিশন ও উইচ-নিধনের দাপট। রীতিমতো মন্ত্র-তন্ত্র আউড়ে বশীকরণ, মারণ-উচাটনের রমরমা এসব সাইট।

শয়তান থেকে জিন, জিন থেকে প্রেতাত্মা- সবাইকেই আনা সম্ভব, এ কথা জানাতে ঝাঁকে ঝাঁকে ওয়েবসাইট। তার ওপরে রয়েছে এই সব কালো জাদু সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর বাণিজ্য। খেলা যে দারুণ জমজমাট, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর