জিসিসি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ উপকরণ বিতরণ শুরু     সিইসির সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগ     মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে হচ্ছে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ     টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে নিহত ৪     প্রস্তুত গাজীপুর রাত পোহালেই ভোট     ইসি গাজীপুর সিটিতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ     বেকার সমস্যা নিরসনে ৯ বছরে সরকারি চাকরিতে ৬,১১,১৮৪টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে : সৈয়দ আশরাফ    

ওয়ান ইলেভেনের কুশীলব ও বিএনপি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: খাদ্যমন্ত্রী

  জুন ০৭, ২০১৮     ৫০     ১০:০০ পূর্বাহ্ন     রাজনীতি
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য কামরুল ইসলাম বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের কুশীলব ও বিএনপি গাঁটছড়া বেঁধে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। তবে তাদের কোন ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।
 
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ৩য় তলার কনফারেন্স লাউঞ্জ-২ বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ জুন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা-সংলাপের কোনো সুযোগ নেই। তারা নির্বাচনে আসবেন কি না সেটা তাদের বিষয়। বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও অনেক দল আছে। বাংলাদেশের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনে আছে কি না সেটিই মূল বিষয়।
 
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, হঠাত্ করে কারো হুইসেলে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়নি। দীর্ঘ ২৩ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে স্বাধীনতার জন্য এই জাতিকে প্রস্তুত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এখনও ষড়যন্ত্র চলছে, পাকিস্তানি স্বৈরাচারী ভূত এখনও সক্রিয়।
 
তিনি বলেন, আমাদের সাফল্যগুলোকে অনেকেই সহ্য করতে পারে না। তারা আমাদের সাফল্যকে স্বীকার করে না, বরং মুর্খের মতো সমালোচনা করে। যারা মাদক ব্যবসাকে প্রশ্রয় দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্দোলনের হাঁকডাক দিয়ে কোনো লাভ হবে না। আপনাদের আন্দোলনের দৌরাত্ম্য আমরা জানি। আন্দোলনের নামে জ্বালাও-পোড়াও করতে চাইলে জনগণ এর সমুচিত জবাব দেবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে স্বীকার করতে হলে মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করতে হলে- বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করতে হবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করে না তারা ছিল স্বাধীনতার বিপক্ষে। আইয়ুব খান চেয়েছিল আওয়ামী লীগকে চিরতরে নিঃশেষ করতে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর জেনারেল জিয়া চেষ্টা করেছিল আওয়ামী লীগকে শেষ করতে। তাদের সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।
 
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা লায়ন চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি অভিনেতা পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতা অরুন সরকার রানা, জোটনেত্রী রেহানা পারভীন, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এস.কে বাদল, জি.এম আতিক, হাবিব উল্লাহ রিপন, বৃষ্টি রাণী সরকার প্রমুখ।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর