করোনা সংকটেও বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের     পবিত্র ঈদের দিনেও বিষোদগারের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী     করোনা কেড়ে নিল আরও ২১ প্রাণ, আক্রান্ত ১১৬৬     শিশুদের জন্য মাস্ক বিপজ্জনক বললেন চিকিৎসকরা     আনোয়ারা রাব্বীর মৃত্যুতে স্পিকারের শোক     ‘আম্ফানে’ ক্ষতিগ্রস্তদের ১১ লাখ ইউরো দেবে ইইউ     ডেপুটি স্পিকারের স্ত্রী মারা গেছেন     মক্কা বাদে সব শহরের লকডাউন তুলে নেয়ার ঘোষণা    

আমন মৌসুমে ৬ লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকদের নিকট থেকে কেনা হবে : খাদ্যমন্ত্রী

  নভেম্বর ০৯, ২০১৯     ১০৮     ১৯:২৩     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চলতি আমন মৌসুমে সরকারিভাবে কৃষকের নিকট থেকে সরাসরি ছয় লাখ মেট্রিকটন ধান কেনা হবে।
তিনি বলেন, এছাড়াও সরকারিভাবে তিন লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে।
বিঘা প্রতি ২২ থেকে ২৫ মণ পর্যন্ত ধান উৎপাদিত হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করে খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, চলতি মওসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করতে না হলে ধানের বাম্পার ফলন কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার আজ দুপুরে জেলার নিয়ামতপুর উপজেলায় সরেজমিনে ফসল দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী ধানক্ষেতের মধ্যে কিছুক্ষণ হেঁটে ঘুরে পাকা ধানের ফলন দেখেন।
এসময় নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটওয়ারী, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
খাদমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে ২৬ টাকা কেজি দরে সরাসরি প্রকৃত চাষিদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা শুরু হবে। ধান সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এজন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, সারাদেশে এবার আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় দেড় কোটি মেট্রিক টন। বাম্পার ফলন হলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিক খেয়াল রেখেই সরকারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি গুদামে ধান-চাল সরবরাহে কোন ভাবেই মধ্যস্বত্ত্বভোগী, দালাল চক্র বা দলীয় নেতারা স্থান পাবে না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরাসরি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ করতে কৃষকদের প্রতি আহবান জানিয়ে সাধন বলেন, বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের কারণেই দেশ এখন খাদ্যে উদ্বৃত্ত।
তিনি আরো বলেন, দেশের চাহিদা ও আপদকালীন মজুত রেখে চাল রপ্তানীর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমন উঠার পর রপ্তানীর নতুন লক্ষ্য ঠিক করা হবে।

উত্তরণবার্তা/ইব



পুরনো খবর