রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর     জাপানে মার্কিন নৌঘাঁটি লকডাউন     স্থানীয় সরকারকে ঢেলে সাজানোর চিন্তা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী     একনেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন     অধিদপ্তরের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো সমস্যা নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী     সুফিয়া হায়দার চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক     পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ঢাকায় আনা হয়েছে     ভার্চুয়ালি আপিল বিভাগে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম চলবে ১৯ জুলাই থেকে    

চট্টগ্রামে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, যেতে অনীহা

  নভেম্বর ০৯, ২০১৯     ৮২     ১৬:০৪     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের’ সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় ৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। উপকূলের লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলা হলেও আজ দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কেউই এসব কেন্দ্রে যায়নি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অধিক ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনটাই বলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন রায়।

আজ শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে মাইকিংয়ের পাশাপাশি লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলার মধ্যে সন্দ্বীপ, বাঁশখালী, আনোয়ারা, সীতাকুণ্ড বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এই উপজেলাগুলো থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে সকাল থেকে স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ শুরু করেছেন। তবে লোকজনের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা রয়েছে। একইভাবে নগরের পতেঙ্গা এলাকায়ও লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

আজ সকালে আবহাওয়া দপ্তর মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ১০ নম্বর আর চট্টগ্রাম বন্দরকে ৯ নম্বর মহা বিপৎসংকেত এবং কক্সবাজারকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে। এরপর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। পুরো জেলায় ৪৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসাও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আকতার বলেন, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের চার হাজার মানুষ বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে কর্মীরা কাজ শুরু করেছেন। পর্যাপ্ত শুকনো খাবারও রয়েছে।

এই উপজেলায় ১০২টি আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১ হাজার ৬৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন।

সন্দ্বীপে ১১০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে দুপুর পর্যন্ত লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি। তবে মাইকিং করা হচ্ছে। ইউএনও বিদর্শী সম্বোদি চাকমা বলেন, আবহাওয়া এখনো ভালো থাকায় লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে এখনই যচ্ছে না। তবে চেষ্টা চলছে। তা ছাড়া বেড়িবাঁধের বাইরে কোনো পরিবার নেই।

আনোয়ারায় ৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে লোকজন এখনই আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে না বলে ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদ জানান।

এদিকে চট্টগ্রাম জেলায় ২৮৪টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়।

উত্তরণবার্তা/ইব



পুরনো খবর