সৌদিতে নারীকর্মী না পাঠানোর দাবি সংসদে     ট্রেন দুর্ঘটনায় আহতদের শয্যা পাশে রেলমন্ত্রী     বৃহস্পতিবার সারাদেশে কর মেলা শুরু     স্পিকারের সাথে আইসিআরসি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ     প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন     রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে নেপালে লাল গালিচা সংবর্ধনা     কৃষিনির্ভরতা কমাতে শিল্পায়নে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব     চারদিনের সরকারি সফরে নেপালের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ঢাকা ত্যাগ    

মেঘালয়ের বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

  নভেম্বর ০৮, ২০১৯     ৩৫     ০৬:৫৪     জাতীয় সংবাদ
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পারিক সুবিধার্থে বাংলাদেশে ভারতীয় রাজ্য মেঘালয়ের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনার্ড সাংমা সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মেঘালয়ের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন, বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী সিলেট অঞ্চলে। যেহেতু সুনামগঞ্জে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে

তিনি বলেন, সুনামগঞ্জে প্রায় দুই হাজার একর জমির ওপর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। মেঘালয় থেকে নুড়ি (পাথর) আমদানী করতে বাংলাদেশ নৌ-পথকে ব্যবহার করতে পারে যেহেতু নদী পথ ব্যবহার ব্যয় সাশ্রয়ী হয়।

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতাকে আরো বাড়াতে এবং নৌযান চলাচল সহজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক এবং রেলপথগুলোকে পুনরায় চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি যোগাযোগ শক্তিশালী হবে।

কনার্ড সাংমা বলেন, মেঘালয় বাংলাদেশের উন্নয়নের মহান অংশীদার হতে পারে, যেহেতু এই উত্তর ভারতীয় রাজ্যটির পর্যাপ্ত কাঁচামাল রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চুনাপাথর, সিমেন্ট ক্লিংকার, কয়লা এবং নুড়ি। তিনি বাংলাদেশ এবং মেঘালয়ের মধ্যে কৃষি, জ্বালানি এবং সংস্কৃতির বিষয়ে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ এবং এই উত্তর ভারতীয় রাজ্যটির মধ্যে সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করতে চান। সাংমা বলেন, সহযোগিতার জন্য আমাদের দরজা খোলা রয়েছে। তিনি বলেন, মেঘালয় তার পণ্য আনা নেয়ার জন্য চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ব্যবহার করতে চায়।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাংমা ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন মেঘালয়ের বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী স্নিয়াওভালং ধর, শিক্ষামন্ত্রী ল্যাকমেন রিমবুই এবং কৃষিমন্ত্রী বেনটিওডর লিংদো, বাংলাদেশের ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস এবং মেঘালয়ের বিদ্যুৎ এবং কৃষি বিভাগ বিষয়ক মুখ্য সচিব পি শাকিল আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

উত্তরণবার্তা/এআর



চিংড়ির কয়েক পদ

  নভেম্বর ১২, ২০১৯

হাড়ের শক্তি বাড়াবে যেসব খাবার

  নভেম্বর ১২, ২০১৯     ৬৩৮

পুরনো খবর