এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে : পরিকল্পনামন্ত্রী     সমর্থকদের কথা ভেবে খারাপ লাগছে: সৌরভ গাঙ্গুলী     লিবিয়ায় বিস্কুট কারখানায় বিমান হামলায় ৫ বাংলাদেশি নিহত     এস-৪০০ পেতে রাশিয়াকে অগ্রিম ৮শ’ মিলিয়ন ডলার দিল ভারত     মুক্তিযোদ্ধার ভাইবোনরাও সম্মানী পাবেন, বাড়ছে খেতাবপ্রাপ্তদের সম্মানী     বাজারে নতুন পেঁয়াজ, দাম কমছে     প্রধানমন্ত্রীর ৪৮৪ অনুশাসন বাস্তবায়নে বিশেষ উদ্যোগ     দীর্ঘদিন পর খুলতে যাচ্ছে আমিরাতের শ্রমবাজার    

পঞ্চগড়ে বাড়ছে জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ

  নভেম্বর ০৬, ২০১৯     ৫৬     ১৫:৫৭     আরও
-- জিংক সমৃদ্ধ ধান হাতে এক কৃষক

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : পঞ্চগড়ে দিন দিন বাড়ছে আগাম জাতের জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ। ভালো ফলন ও স্বাদে ভালো হওয়ায় এই ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। সেই সাথে বাজারেও মিলছে ভালো দাম। এবার আমন মৌসুমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে এই জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষাবাদ হয়েছে। এই অর্ধেকই চাষাবাদ হয়েছে আরডিআরএস এর উদ্যোগে। সংস্থাটি জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষাবাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্রি ধান-৭২, ব্রি ধান-৬২ সহ বিভিন্ন জাতের জিংক সমৃদ্ধ ধান রয়েছে। তার মধ্যে পঞ্চগড়ে বেশি চাষ হয় ব্রি ধান-৭২। এই জাতের ধান চারা রোপণের ১২৫ দিনেই কাটা যায়। আমন মৌসুমে বিঘা প্রতি ধান হয় ২০ মণ থেকে ২২ মণ পর্যন্ত। চাল হয় সাদা রঙের। আকৃতিতে একটু লম্বা ও মোটা। প্রতিকেজি চালে ২২ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম জিংক থাকে। অন্য ধানের তুলনায় অনেক কম সার প্রয়োজন হয় এই ধান চাষাবাদে। বর্তমানে জিংক সমৃদ্ধ ধান কাটা মাড়াই চলছে।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের তহশিলদারপাড়া চাষি সাজেদুল ইসলাম জানান, এবার তিনি দুই বিঘা জমিতে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭২ আবাদ করেছেন। প্রতিবিঘাতে ফলন এসেছে ২০ মণের বেশি। দুই বিঘা জমির ধান বীজের জন্য রেখে বাকি ধান তিনি সারা বছর খাওয়ার জন্য রেখেছেন। তিনি বলেন, এই ধানের চালের ভাত সুস্বাদু। একটু মোটা হলেও খেতে ভালোই লাগে। তা ছাড়া আমাদের শরীরে জিংকের অভাব পূরণ হবে এই ধানের ভাত খেলে।

ওই এলাকার কৃষক আছির উদ্দিন বলেন, এই ধান যেমন ফলনে ভালো তেমনি খেতেও ভালো। অন্য ধানের চেয়ে ফলন বেশি হয়। বাজারেও ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

আরডিআরএস বাংলাদেশ’র কৃষি কর্মকর্তা নুরে আল সিদ্দিক জানান, চলতি আমন মৌসুমে পঞ্চগড়ের দুই শ কৃষককে বিনামূল্যে ২ কেজি করে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-৭২’র বীজ দেওয়া হয়। সেই ধান প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। তাদের উৎপাদিত এই জাতের ধান পরিবারে খাবারের জন্য ও আগামী মৌসুমের জন্য বীজ রাখার পর বাকি ধান আমরা তাদের কাছ থেকে ভাল দামে কিনে নেব। সেই ধান নির্ধারিত প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে বিক্রি করা হবে।

পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু হানিফ বলেন, আমাদের সমাজের অধিকাংশ মানুষের শরীরে জিংকের ঘাটতি রয়েছে। একটি সুস্থ মানুষের জন্য জিংক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। জিংক সমৃদ্ধ ধানের ভাত খেলে সেই ঘাটতি পূরণ হবে। তাই আমরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদনে উৎসাহিত করছি।

উত্তরণবার্তা/ইব

 

 



ফের মা হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া!

  নভেম্বর ১৮, ২০১৯

পুরনো খবর