কমেছে দূষণ, সেজেছে প্রকৃতি     বাজেট অধিবেশন: সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা থাকবেন কোয়ারেন্টিনে     দেশে আটকে পড়া ইতালি প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট     করোনা দেখালো সংক্রামক রোগ কোনো সীমান্ত চেনে না     স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ইতালি     গবেষণা: উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ     বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ     ব্রাজিলে ২৪ ঘণ্টায় ১,৩৫০ জনের মৃত্যু    

মির্জা ফখরুলরা চান না রোহিঙ্গারা ফিরে যাক : তথ্যমন্ত্রী

  নভেম্বর ০৫, ২০১৯     ৭৫     ০০:৪৭     রাজনীতি
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররা তা চান না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা থাকলে তাদের সুবিধা। কারণ, রোহিঙ্গারা থাকলে তাদের নিয়ে রাজনীতি করতে পারবেন।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরারের মৃত্যুতে মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর বাংলাদেশের নীতিবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা চান না রোহিঙ্গারা ফিরে যাক। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য অত্যন্ত সুন্দর বাসস্থান তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সেই কাজ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে বিরোধিতা করে এনজিওগুলো। কারণ, রোহিঙ্গারা চলে গেলে তাদের অসুবিধা হবে। আমরা সেসব এনজিও চিহ্নিত করতে পেরেছি।

নাইমুল আবরারের মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভায় অনির্ধারিত আলোচনায় ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরারের মৃত্যুর বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। একজন ছাত্র যে অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করেছে, বেশ কয়েকজন এ বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। সবাই এ বিষয়টিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, একটা স্কুলে কিশোরদের নিয়ে যখন এ ধরনের প্রোগ্রাম করবে তখন সেখানে ইলেকট্রিক তার টানানো হয়েছে, সেগুলোর সেফটি মেজারটা দেখা উচিত ছিল। অনুষ্ঠানের জন্য যে বিদ্যুতের তার টানানো হয়েছিল সেখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই আবরার মারা গেছে। এখানে আয়োজকদের গাফিলতি ছিল কিনা সে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সবাই এ ঘটনায় অত্যন্ত হতাশা ব্যক্ত করেছেন এ কারণে যে, একটা ছেলে মারা যাওয়ার পরও অনুষ্ঠানটি চালিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেই ছাত্র মারা যাওয়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে হাসপাতাল থেকে। হাসপাতালে যখন তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার পকেটে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের মনোগ্রাম পায়, সেটি দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে ফোন করেছে। তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে। এটি তাদের জানানো হয়নি বলে আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

চতুর্থত কারও যদি এভাবে অপমৃত্যু হয়, তাহলে অবশ্যই পোস্টমর্টেম করতে হয়, পোস্টমর্টেম না করতে হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমোদন লাগে। বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন লাগবে। সেটি না নিয়ে পোস্টমর্টেম ছাড়াই লাশটি দাফন করা হয়েছে। এগুলো আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হবে। কাদের গাফিলতি ছিল, কিভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, কেন একজন ছাত্রের মৃত্যুর পরও অনুষ্ঠান চালিয়ে নেয়া হল সে বিষয়গুলো নিশ্চয়ই তদন্তে উঠে আসবে। অপমৃত্যু হলে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়, পুলিশের পক্ষ থেকে কতটুকু ভূমিকা নেয়া হয়েছিল সেগুলো আলোচনা হয়েছে। তবে স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে।

উত্তরণবার্তা/এআর



বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

  জুন ০৫, ২০২০     ১৫

পুরনো খবর