মানবতাবিরোধী অপরাধ, গাইবান্ধার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচজনের ফাঁসি     এ মাসেই চালু হচ্ছে চট্টগ্রাম-মদিনা বিমানের সরাসরি ফ্লাইট     কিশোরগঞ্জের পুরো হাওর এখন পর্যটন এলাকা     মেক্সিকোতে বন্দুকধারীদের অতর্কিত হামলায় ১৪ পুলিশ নিহত     সরকারি সফরে কাতার যাচ্ছেন সেনাবাহিনী প্রধান     লাইসেন্সকৃত অস্ত্র বেহাত করলে লাইসেন্স বাতিল     আবরার হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করতে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ     অনুপ্রবেশকারীদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে বললেন নানক    

আমবাগানে বছর ধরে করলা চাষ

  অক্টোবর ০৯, ২০১৯     ৪৯     ১৩:৩০     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : সাপাহারের কৃষকরা নিজের হাইব্রিড আমবাগানে সাথি ফসল হিসেবে করলা চাষ করছেন। গাছের ফাঁকে ফাঁকে চাষ করা এসব করলা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি ঢাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। করলাকে কেন্দ্র করে সেখানে একটি অস্থায়ী বাজারও গড়ে উঠেছে। যেখানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টন করলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার করলা চাষিদের সেন্টার হিসেবে সাপাহার-তিলনা পাকা সড়কের বাহাপুর মোড়ে গড়ে উঠেছে প্রতি দিনের জন্য তিন-চার ঘণ্টার অস্থায়ী বাজার। ভোর হলেই বিভিন্ন এলাকার চাষিরা তাদের উৎপাদিত করলা নিয়ে চলে আসে এই বাজারে এবং ক্রেতারা তাদের কাছ থেকে নিয়ে ট্রাকযোগে সকাল ১০টার মধ্যেই রওনা হয়ে যায় নিজ গন্তব্যে।

বর্তমানে প্রতি মণ করলা হাজার টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে ওই অস্থায়ী বাজারে। প্রতিবছর আগষ্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের ১৫/২০ তারিখ পর্যন্ত চলে এই মৌসুমি অস্থায়ী বাজার।

করলার অস্থায়ী এই বাজারে এসে ঢাকার কারওয়ান বাজারের আনোয়ার হোসেন নামের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, সাপাহারের করলার গুণগত মান ভালো এবং এখান থেকে করলা কিনে ভালো লাভ হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সরবরাহ করছেন।

করলা চাষি উকিলবাবু, আনারুল, ছয়ফুল ও আব্দুল মালেক জানান, অস্থায়ীভাবে উপজেলার বাইরে এই স্থানে করলার বাজার গড়ে না উঠলে এখানকার করলা চাষিরা এই হারে করলা চাষাবাদ করত না। অস্থায়ী ওই বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিন এই অস্থায়ী বাজার থেকে ১০০ থেকে ১৫০ টন করলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয়ে থাকে।

উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো. আতাউর রহমান সেলিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কয়েক বছর ধরে করলা চাষ এ উপজেলায় চাষিদের মাঝে এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার অনেকেই এখন দেশি, হাইব্রিড, সোনামুখীসহ বিভিন্ন জাতের করলা চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন।

এ বছর উপজেলায় ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা জমিতে করলা চাষ হয়েছে।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর