মাদক ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে : তথ্যমন্ত্রী     দৃষ্টিনন্দন হবে শাহবাগ থেকে ঢাকা মেডিকেল: প্রধানমন্ত্রী     দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে শুদ্ধি অভিযান চলছে : ওবায়দুল কাদের     জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী     চট্রগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ সম্মেলনে ০৬ ক্যাটাগরিতে নোয়াখালী জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন     প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন আজ     নিয়মরক্ষার ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে কাল জিততে চায় জিম্বাবুয়ে     হাওয়া ভবন করে দুর্নীতি-কমিশন বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল বিএনপি- তথ্যমন্ত্রী    

হবিগঞ্জে পৃথক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

  আগস্ট ২২, ২০১৯     ৩২     ৭:১০ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : জেলার বানিয়াচং উপজেলার পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের তিন খুনের পৃথক মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নাসিম রেজা এই রায় ঘোষনা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের করম আলী, আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার পুরাণ পাথাড়িয়া গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।
এক পক্ষের হেলিম উল্লার ছেলে নুর মোহাম্মদ খুনের ঘটনায় তার ভাই আলী আহম্মদ বাদী হয়ে ওই দিনই বানিয়াচং থানায় ১৩০জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ সময়ে ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আজ বৃহস্পতিবার আসামি করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সুবীর রায়।
একই ঘটনায় অপর পক্ষের আলা উদ্দিন এর ছেলে সামছুল হক এবং ইনছান উল্লার ছেলে আফিল উদ্দিন নিহত হন । নিহতদের আত্মীয় এবং ওই ঘটনায় আহত আকিতা বেগম ঘটনার দিন বাদী হয়ে ৬২জনকে আসামী করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে দীর্ঘ সময়ে ৯ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত আসামী আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেখসুর খালাস দেয়া হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সালেহ আহমেদ।

উত্তরণবার্তা/দীন



পুরনো খবর