শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ     সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার     বিএসএফ সদস্য নিহতের ঘটনা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     সমাধান হওয়া ইস্যু হালে পানি পাবে না: ঐক্যফ্রন্টকে ড. হাছান মাহমুদ     বাংলাদেশে ফুটবলের কাছে ক্রিকেট পাত্তাই পাবে না : ফিফা সভাপতি     ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা     ভ্যাট চালানপত্র ৫ বছর সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর     নবম জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর সংকলনের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর    

কোরবানির মাংসের অন্যরকম হাট!

  আগস্ট ১৩, ২০১৯     ১৩৯৭     ১২:২৭ পূর্বাহ্ন     আরও
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : ঈদের দিন দুপুর থেকেই রাজধানীর অনেক এলাকায় বসেছে কোরবানির মাংসের অন্যরকম এক হাট। বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস জড়ো করে খোলা বাজারে কম মূল্যেই তা বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রেতা সবাই মৌসুমি। আর ক্রেতাদের বেশিরভাগ নিম্নবিত্ত। তবে এসব মাংসের প্রতি রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের আগ্রহও কম নয়। মন হিসেবে রেস্তোরার মালিকরা অল্প দামে সংগ্রহ করছেন কোরবানির গুরুর মাংস।

খিলগাঁও ফ্লাইওভার সংলগ্ন রেলগেট, আলু বাজার মোড়, মীরপুর ১ নাম্বার চত্বর থেকে মাজার রোডের মাথা, আজিমপুর মোড়, রামপুরা, মগবাজার রেলগেট, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন মোড়ে প্রতিবছরের মত এবারও বসেছে মাংসের হাট। ঈদের দিন দুপুর থেকে রাত অবদি চলে এই মাংস বেঁচাকেনা।

এসব মাংস ঈদের দিন সকাল থেকে বাড়ি বাড়ি ঘুরে সংগ্রহ করা হয়। অনেকেই আবার একদিনের কসাই হয়ে কাজ করেছেন। কাটাকাটির পর সেখান থেকে পেয়েছেন মাংস। কোনো কসাই আবার টাকার বদলে মাংস নিয়েছেন। এসব মাংসই বিক্রি হচ্ছে অস্থায়ী বাজারগুলোতে।  

আবার কেউ কেউ চেয়ে নেয়া অল্প অল্প মাংস জমিয়ে ছোট ব্যাগে ভরে বেঁচতে এসেছেন। অনেকে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে এই অল্প মাংস কিনে জড়ো করে অস্থায়ী দোকানও খুলে বসেছেন। অনেকে সংগ্রহ করেছেন বড়লোক বাড়ির দারোয়ানদের কাছ থেকে। এসব দারোয়ানদের তারা আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখে। কারণ দারোয়ানরা এই দিনটায় প্রচুর মাংস পায়। খাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাংস রেখে বাকিটা তারা বিক্রি করে দেয় খোলা বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে।

বাজারে বিক্রি হওয়া মাংসগুলো মূলত দানের জিনিসি হলেও এ নিয়ে রীতিমতো ব্যবসা দাঁড়িয়ে গেছে।

এর যেমন আছে প্রাথমিক সংগ্রাহক তেমনি আছে মধ্যস্বত্বভোগীও। মধ্যস্বত্বভোগীদের ক্ষেত্রে এসব মাংস হাতবদল হয় দুই দফা। প্রথমে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছ থেকে কম দামে কিনে নেন কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী। পরে বাড়তি লাভে তা বিক্রি করেন সাধারণ ক্রেতা ও রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের কাছে।

অস্থায়ী এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাগ হিসাবে প্যাকেজ এবং কেজি দরে এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি মাংস বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। আর ভালো মাংস হাড় ছাড়া বা খুব কম হাড়ওয়ালা হলে ৬০০ টাকার নিচে দিচ্ছে না। অনেকে আবার ছোট ব্যাগে করে এনেছে। ব্যাগসুদ্ধ দাম হাঁকছে দেড় হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। ক্রেতারা ব্যাগে হাত ঢুকিয়ে হাতড়ে দেখছেন মাংসের কোয়ালিটি। তারপর দরদাম করে কিনেও নিচ্ছেন।

শুধু মাংস নয় এসব বাজারে ভূড়ি, পা, আস্ত মাথা বা মাথার মাংসও বিক্রি হচ্ছে। এসবের দাম কিছুটা কম।

উত্তরণবার্তা/এআর
 



শেখ রাসেলের জন্মদিন আজ

  অক্টোবর ১৮, ২০১৯

পুরনো খবর