‘বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেই ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে’     করোনার সংক্রমণ বাড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আবারও কড়াকড়ি     ডাকঘর সঞ্চয়ে ২০ লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না     শর্তসাপেক্ষে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন অফিস ও গণপরিবহন চালু     এ পর্যন্ত ৬ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার     ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন     নগদ অর্থ সহায়তা কার্যক্রমে অনিয়মের ঘটনায় আরো ২ ইউপি চেয়ারম্যান ও ৩ সদস্য বরখাস্ত     এমন বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম ও মোবাইলে টাকা পৌঁছানোর কথা কেউ কখনো ভাবেনি : তথ্যমন্ত্রী    

মানবতাবিরোধী অপরাধ, ঠাকুরগাঁওয়ের আবেদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

  আগস্ট ০৯, ২০১৯     ৭৩     ১০:৪৩ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

উত্তরণবার্তা প্রতিবেদক : মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর আবেদ হোসেনের (৬৫) বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ প্রতিবেদনটি প্রসিকিউশন বরাবর দাখিল করবে তদন্ত সংস্থা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান। এ সময় তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ সদস্য সানাউল হকসহ তদন্তকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলার ৭৩তম প্রতিবেদন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হান্নান খান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানার বোবড়া এলাকার আবু তৈয়বের ছেলে আবেদ হোসেনকে চলতি বছরের ২৫ জুন গ্রেফতার করা হয়েছে। এ আসামির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতনের মোট ৩টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগসমূহের মধ্যে প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মে মাসের শেষের দিকে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী থানাধীন আধারিদিঘীর পাড়ে পাকিস্তান আর্মি ও তাদের দোসর স্থানীয় রাজাকার আবেদ হোসেনসহ অন্যান্য রাজাকাররা আধারদিঘীর পার্শ্ববর্তী বোবড়া ও অন্যান্য গ্রাম থেকে ৭ জন নিরীহ মানুষকে আটক করে জোরপূর্বক ব্যাংকার খননের কাজ করায়। ব্যাংকার তৈরির কাজে যেতে না চাইলে তখন আসামি মো. আবেদ হোসেন তার সহযোগীরা নির্যাতন করে কাজে যেতে বাধ্য করতো।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, একাত্তর সালে যুদ্ধচলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি আর্মি ও রাজাকারদের অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ খবর দিয়ে সহায়তা করার কারণে পবেদ আলী, দুমপেল ও মজনুকে ধরে নিয়ে তীরনই নদীর পাড়ে গুলি করে পানিতে ফেলে দেয়। ওই ঘটনায় পবেদ আলী হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে উদ্ধার হলেও বাকি দু’জনের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, আহত পবেদ আলীকে আবার ধরে নিয়ে তীরনই নদীর পাড়ে গুলি করে পানিতে ফেলে দেয়া হয়। পবেদ আলীর লাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই থেকে তদন্ত শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার শেষ হয়। আসামির রাজনৈতিক পরিচয়ে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উত্তরণবার্তা/এআর




 



ক্রিকেটে বাড়ছে রিভিউ?

  মে ২৮, ২০২০     ৩০

পুরনো খবর