প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ১৭ নভেম্বর থেকে     যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিমানের সুনাম বৃদ্ধি করুন : প্রধানমন্ত্রী     পিলখানা বিদ্রোহের সময় খালেদা জিয়া ২৪ ঘণ্টা কোথায় ছিলেন     ২১ আগস্ট নিয়ে উপহাসকারী রিজভীদেরও বিচার হওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী     ব্রাজিলের আমদানি শুল্ক আরো সহনীয় পর্যায়ে আনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর     তরুণদের কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে : স্পিকার     ময়মনসিংহের ১৫ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ     উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী    

বরগুনায় অনিক হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন

  আগস্ট ০৭, ২০১৯     ১৯     ১০:৫০ অপরাহ্ণ     আইন-আদালত
--

 উত্তরণবার্তা  প্রতিবেদক : বরগুনায় আলোচিত অনিক হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে এ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম সালাউদ্দিন গাজী। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলো, রুবেল সওদাগর ও নাজমুল।

আসামিদের মধ্যে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের কাঠালতলী গ্রামের আবদুস সত্তার গাজীর ছেলে সালাউদ্দিন গাজীকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় সালাউদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলো না। সে পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, বরগুনা পৌরসভার থানাপাড়া সড়কের জামাল সওদাগরের ছেলে রুবেল সওদাগর ও বড় গৌরীচন্না গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে নাজমুল। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেতাগীর কাজিরাবাদ ইউনিয়নের চান্দখালী কলেজ গেটের শামীম আহসানের ছেলে হৃদয় আহসান, বরগুনা পৌরসভার শহীদ স্মৃতি সড়কের জানুকী রায়ের ছেলে বাদল কৃষ্ণ রায় ও থানাপাড়া সড়কের দুলাল খানের ছেলে সোহেল খানকে বেকসুর খালাশ দেওয়া হয়েছে। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার সেলিম রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পরে বরগুনা পৌরসভার শহীদ স্মৃতি সড়কের সুবল চন্দ্র রায়ের ছেলে অনিককে (১৭) কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে ডিস লাইনের তার গলায় বেধে ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অনিকের লাশ বরগুনা জেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পুরাতন ভবনের পাশে সেফটিক ট্যাংকির ভিতরে ফেলে রাখে।

অনিককে হত্যার পরেরদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের বাবা সুবল চন্দ্র রায়কে মোবাইল করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অনিক হত্যার ৩ দিন পরে তার বাবা সুবল চন্দ্র রায় বাদী হয়ে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে একাধিক আসামি গ্রেফতার হলে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার আঠারো দিন পরে ৫ অক্টোবর রাত আটটার দিকে সেফটিক ট্যাংকির ভিতর থেকে অনিকের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মামলার দীর্ঘ শুনানী ও ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা করেছেন। সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। আসামিপক্ষে ছিলেন, বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী আসলামসহ একাধিক আইনজীবী।

উত্তরণবার্তা/এআর







 



ইসিতে দুই দালাল আটক

  আগস্ট ২২, ২০১৯

ভিসা করতে যা যা জেনে রাখা জরুরি

  আগস্ট ২২, ২০১৯     ১৫৫৯

কোরবানির মাংসের অন্যরকম হাট!

  আগস্ট ১৩, ২০১৯     ১৩৪৯

ভিসা ছাড়াই বিদেশভ্রমণ

  আগস্ট ২২, ২০১৯     ১১১২

নার্স খুনের কারণ জানালেন সহকর্মী

  আগস্ট ২১, ২০১৯     ১০৩১

চুলের যত্নে সরিষার তেল

  আগস্ট ২২, ২০১৯     ৩৯১

পুরনো খবর