দেশে চাহিদার চেয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার টন লবণ বেশি     দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী     ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচল সীমিত থাকবে বৃহস্পতিবার     ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত হজের প্রাক নিবন্ধন স্থগিত     এসএ গেমসের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা     মিসর থেকে বিমানে করে পেঁয়াজ আসছে আজ     মেসির শেষ মুহূর্তের গোলে পরাজয় এড়াল আর্জেন্টিনা     পদ্মা সেতুর আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান হচ্ছে আজ    

আজ ফিরছেন মাশরাফিরা

  জুলাই ০৭, ২০১৯     ৭৬     ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন     ক্রীড়া
--

উত্তরণবার্তা ক্রীড়া ডেস্ক : ইউরোপে প্রায় আড়াই মাসের সফর শেষ হয়েছে। সফরের প্রথমভাগে আয়ারল্যান্ডে প্রথমবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ মিশনের শুরুটাও হয়েছিল দুর্দান্ত। কিন্তু পুরো টুনামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। ব্যাটিংয়ে ভালো করলেও বোলিং, ফিল্ডিংয়ে নাজুক ছিল টাইগারদের পারফরম্যান্স। একা সাকিব আল হাসানই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আশার মশাল বয়ে বেড়িয়েছেন। তাকে প্রাপ্য সমর্থন দিতে পারেননি তামিম ইকবাল-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা।

সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দেয়নি। আগের দুই আসরের মতো এবারের বিশ্বকাপে তিনটি জয়েই শেষ হয়েছে বাংলাদেশের মিশন। তাই অতৃপ্তি নিয়েই দেশে ফিরছে বাংলাদেশ দল। বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে জানা গেছে, আজ বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে টাইগারদের বহন করা এমিরেটসের ফ্লাইট। এর আগে গতকাল লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১০টায় দেশের উদ্দেশ্যে বিমানে চড়ে মাশরাফি বাহিনী।

অনেক স্বপ্নের বিশ্বকাপে দারুণ পেয়েছিল টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে উড়ন্ত শুরুটা সেমিফাইনালের স্বপ্নকে আরো জোরালো করেছিল। কিন্তু তারপর নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ডের কাছে হার, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে জয়, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল মাশরাফির দল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয়টা আবারো সেমির দৌড়ে ফিরিয়েছিল বাংলাদেশকে। যদিও লিগ পর্বের শেষ ভাগে ভারত, পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় বাংলাদেশ। সেমির স্বপ্নটা ফিকে হয়ে গিয়েছিল ভারতের কাছে হেরেই। লর্ডসে পাকিস্তানের কাছে ৯৪ রানে হেরে শেষ হয় টাইগারদের বিশ্বকাপ।

টুর্নামেন্ট জুড়েই ক্রিকেটাররা লড়েছেন চোটের সঙ্গে। টানা আড়াই মাস ক্রিকেট খেলার ক্লান্তি চোখে পড়েছে সবার মাঝে। শেষদিকে মনোবলও হারিয়ে ফেলেছিলেন ক্রিকেটাররা। তাদের শরীরী ভাষায় যেটি প্রকাশ পেয়েছিল। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু সাকিব। আট ম্যাচে ৬০৬ রান, যেখানে দুটি সেঞ্চুরি ও পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন সাকিব। বোলিংয়েও নিয়েছেন ১১ উইকেট। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার অনন্য পারফরম্যান্স উপহার দিলেও বাংলাদেশের বাকি ক্রিকেটাররা প্রত্যাশিত নৈপুণ্য দেখাতে পারেননি। তাতেই মাশরাফির বিদায়ী বিশ্বকাপে অতীতকে ছাড়িয়ে যাওয়ার টার্গেট পূরণ হয়নি।

উত্তরণবার্তা/এআর



পুরনো খবর