প্রধানমন্ত্রী ২-৬ জুলাই চীন সফর করবেন     দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করুন : প্রতি পূর্তমন্ত্রী     বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছ, গতিশীল ও জনমুখী হয়েছে : আইনমন্ত্রী     রেলওয়ের উন্নয়নে ১০৮৬১৬.৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে : রেলপথ মন্ত্রী     বিমসটেককে আরো কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর ড. মোমেন     তাঁত শিল্পের উন্নয়নে ১৫৮ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে : গোলাম দস্তগীর গাজী     বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪০ লাখ: প্রধানমন্ত্রী     মুক্তিযুদ্ধকালে দানবীর রণদা প্রসাদকে হত্যা : রায় কাল    

ফুলের রানি নাগলিঙ্গম

  জুন ০৩, ২০১৯     ৪৬     ১:০৯ অপরাহ্ণ     আরও
--

উত্তরণবার্তা ডেস্ক : গোলাপি নাগলিঙ্গম সাপের মতো ফণা তুলে আছে। যেকোনো সময় ছোবল দিতে পারে। তবে এ ছোবলে বিষ নেই। আছে সুগন্ধি আর সৌন্দর্য। এটি কোনো বিষধর সাপ নয়, এ হচ্ছে ফুলের রানি নাগলিঙ্গম। এই নাগলিঙ্গম ফুটেছে যশোর শহরের খড়কি এলাকার অধ্যক্ষ আব্দুল হাইয়ের বাড়িতে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সামনের গাছটিতেও কয়েক বছর ধরে নাগলিঙ্গম ফুটছে। যশোরে পুষ্পিত এই দুটি নাগলিঙ্গমগাছ ছাড়া আর কোথাও ফুল ফোটা গাছের খবর পাওয়া যায়নি। বিস্ময়ের ফুল নাগলিঙ্গম। দেশে এই বৃক্ষের সংখ্যা খুবই কম। ফুলের রং, আভিজাত্য, মঞ্জুরি, গঠনশৈলী—সব কিছু মিলিয়ে একে অনন্য করে তুলেছে।

নাগলিঙ্গম ফুলের রানি। পাপড়ির মধ্যে নাগ বা সাপের মতো ফণা। সম্ভবত এ কারণে এর নাম হয়েছে নাগলিঙ্গম। গাছের গুঁড়ি ফুঁড়ে বের হওয়া দড়ির মতো একধরনের দণ্ডের মঞ্জুরিতে ফোটে। ফুলের আকার বেশ বড়। ফুলের পাপড়ি মোটা। লাল, গোলাপি ও হলুদের মিশ্রণ নাগলিঙ্গমকে করেছে আরো আকর্ষণীয়। মার্চ মাসে ফুল ফোটা শুরু হয়। জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত গাছে ফুল শোভা পায়।

এর বড় বৈশিষ্ট্য হলো শাখার দণ্ডে নয়, গুঁড়ি ফুঁড়ে ফুল বের হয়। অনেকে ফুল ফোটানোর জন্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুঁড়িতে আঘাত করে। তাতে নাকি সহজে নাগলিঙ্গম ফোটে। এটি দীর্ঘ বৃক্ষ। প্রধান গুঁড়িটি ৪০ থেকে ৫০ ফুট দীর্ঘ হয়। ছাতিমের মতো সবুজ বড় পাতা। রোপণের ১২ থেকে ১৪ বছর পর ফুল ফোটে। বীজ থেকে এর চারা হয়। বছরে দুই থেকে তিনবার পাতা ঝরে যায়। ফুল শেষে বেলের মতো ফল হয়।

নাগলিঙ্গমের ইংরেজি নাম ‘ক্যানন বল’। ‘ল্যাসাইথিডেসিয়া’ পরিবারের নাগলিঙ্গমের বৈজ্ঞানিক নাম ‘করোপিতা গুইয়াসেসিস’। এর আদি বাড়ি দক্ষিণ আমেরিকা। মরহুম অধ্যক্ষ আব্দুল হাইয়ের ছেলে হাসান মিনু বলেন, ‘১৯৬৭-৬৮ সালে আমার বাবা এই গাছটি লাগিয়েছিলেন। ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে গাছটিতে ফুল ফুটছে।’ যশোরের এই দুটি নাগলিঙ্গমগাছ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক, বরিশাল, ময়মনসিংহসহ দেশে হাতে গোনা কয়েকটি গাছ রয়েছে।

উত্তরণবার্তা/এআর



সাপ নয় সাপপাখি

  জুন ২৫, ২০১৯     ৪৬৮

গ্রিল স্বাদে মুখরোচক চিকেন

  জুন ১৭, ২০১৯     ৩৬৮

শীর্ষে ‘স্লো মোশন’

  জুন ১৫, ২০১৯     ৩৪৬

পুরনো খবর